চালের বস্তায় ককটেল আনায় বিএনপির বিরুদ্ধে অভিযান: ডিএমপি কমিশনার - জনতার আওয়াজ
  • আজ দুপুর ২:২৪, শুক্রবার, ১৫ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১লা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৮শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

চালের বস্তায় ককটেল আনায় বিএনপির বিরুদ্ধে অভিযান: ডিএমপি কমিশনার

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: বুধবার, ডিসেম্বর ৭, ২০২২ ৬:২৫ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: বুধবার, ডিসেম্বর ৭, ২০২২ ৬:২৫ অপরাহ্ণ

 

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার খন্দকার গোলাম ফারুক বলেছেন, জননিরাপত্তা ও জনদুর্ভোগের কথা চিন্তা করে পল্টন পার্টি অফিসের সামনে বিএনপিকে গণসমাবেশের অনুমতি দেওয়া যাবে না। আইন অমান্য করলে বিএনপির বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বুধবার (৭ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ঢাকা বিভাগীয় গণসমাবেশের নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয়ে জরুরি সংবাদ সম্মেলন এসব কথা বলেন তিনি।

চেকপোস্ট ও তল্লাশি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘এটা রুটিন ওয়ার্ক। কোন রাজনৈতিক কারণে নয়। নয়াপল্টনে পুলিশ নিরাপত্তার স্বার্থে কঠোর হয়েছে। কারণ সেখানে বিএনপির নেতা-কর্মীরা চাল-ডালের বস্তায় ককটেল এনেছে। তাদের বিরুদ্ধে পুলিশ, সোয়াট কঠোর হয়েছে নিরাপত্তার প্রয়োজনে।’

খন্দকার গোলাম ফারুক বলেন, ‘পল্টনের সামনে ১০ লাখ লোকের জায়গা হবে না। সর্বোচ্চ এক লাখ লোক পল্টনে দাঁড়াতে পারবে। বাকি ৯ লাখ লোক ঢাকা শহরের বিভিন্ন রাস্তায় ছড়িয়ে পড়বে। যার উপর বিএনপির কোন নিয়ন্ত্রণ থাকবে না। এতে জনদুর্ভোগ ও জননিরাপত্তার জন্য তাদের পল্টনে সমাবেশ করতে দেওয়া হবে না।’

সেখানে একজন নিহত এবং বেশ ক’জনের আহত হওয়ার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমি এখনও বিস্তারিত কিছু জানি না। ফুটেজ দেখি নাই। দেখছি। তারপরই কিছু বলতে পারবো।’

‘আমরা গোয়েন্দা সংস্থা এবং মিডিয়ার মাধ্যমে জানতে পেরেছি বিএনপি ঢাকা শহরে ১০ লাখ লোক জামাতের মাধ্যমে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে। কাজেই পার্টি অফিসের সামনে জনদুর্ভোগ করে এবং ঢাকার আইনশৃঙ্খলা বিঘ্ন করে তাদেরকে সেখানে অনুমতি দেওয়া যাবে না। আপনারা যে কোনো খোলা মাঠে যেতে পারেন বা অন্য কোনো প্রস্তাব দিতে পারেন। অন্য প্রস্তাব হিসেবে তাদেরকে বলা হয় ইজতেমা মাঠ আছে। সেখানে আপনার ১০ লাখ লোক জমায়াত করতে পারবেন। পূর্বাচলে বাণিজ্য মেলার মাঠ আছে, সেখানে যেতে পারেন।’ যোগ করেন ডিএমপি কমিশনার।

তিনি আরও বলেন, ‘দুটি কারণে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রথম কারণ পল্টনে এত লোকের জায়গা হবে না। যদি তারপরেও তারা সেখানে সমাবেশ করে তবে বাকি ৯ লাখ লোক ঢাকা শহরে বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে যাবে। যার উপর বিএনপির কোনো নিয়ন্ত্রণ থাকবে না এবং পুলিশেরও কোন নিয়ন্ত্রণ থাকবে না। একই সঙ্গে এই ১০ লাখ লোক ঢাকার সমস্ত রাস্তা দখল করলে ঢাকাবাসীর জন্য একটা চরম দুর্ভোগের বিষয় হবে।’

কমিশনার বলেন, ‘সার্বিক দিক বিবেচনা করে তাদেরকে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অনুমতি দেওয়া হয়। পরে মিডিয়ার মাধ্যমে জানতে পারি তারা সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশ করতে আগ্রহী না। তারা পল্টন বা তার আশেপাশে কোনো রাস্তায় করতে আগ্রহী। এ প্রসঙ্গে আমাদের ডিএমপির সুস্পষ্ট বক্তব্য হচ্ছে, সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বা এর মত কোন খোলা মাঠে সমাবেশ করতে হবে। আমরা জনদুর্ভোগ এবং জননিরাপত্তা বিষয়ে অগ্রাধিকার দিয়ে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি। ১০ ডিসেম্বরের মধ্যে বিএনপি যদি তাদের সিদ্ধান্ত বদল করে যদি সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশ করতে রাজি হয় তাহলে ১৪৪ ধারার মত কঠোর কোন পদক্ষেপ নেওয়ার প্রয়োজন পড়বে না। তাদের নিরাপত্তা আমরা নিশ্চিত করবো।’

তিনি বলেন, ‘আজ কোন কর্মসূচি বিএনপি’র ছিল না। তারপরও অফিস ডে’তে তারা রাস্তা অবরোধ করে জনদূর্ভোগ সৃষ্টি করেছে। এটা কোনভাবেই বরদাস্ত করা হবে না। বিএনপি যদি আইন ভঙ্গ করে তাহলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর থেকে কঠোরতম আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ