জাপান আইসিটি ইঞ্জিনিয়ার্স ট্রেনিং প্রোগ্রাম (বি-জেট) এর সমাপনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত - জনতার আওয়াজ
  • আজ সন্ধ্যা ৬:০৪, রবিবার, ১৯শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, ৫ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ, ১১ই জিলকদ, ১৪৪৫ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

জাপান আইসিটি ইঞ্জিনিয়ার্স ট্রেনিং প্রোগ্রাম (বি-জেট) এর সমাপনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: বুধবার, মার্চ ১৬, ২০২২ ৮:০৮ পূর্বাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: বুধবার, মার্চ ১৬, ২০২২ ৮:০৮ পূর্বাহ্ণ

 

স্টাফ করসেপন্ডন্টে
নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় এবং ইউনিভার্সিটি অব মিয়াজাকি ৯ম বাংলাদেশ – জাপান আইসিটি ইঞ্জিনিয়ার্স ট্রেনিং প্রোগ্রাম (বি-জেট) এর সমাপনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হল
নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগিতায় ৯ম বাংলাদেশ – জাপান আইসিটি ইঞ্জিনিয়ার্স ট্রেনিং প্রোগ্রাম (বি-জেট) এর সমাপনী অনুষ্ঠান সম্প্রতি অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানটি অনলাইনে জুম প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে হয়ে ছিল । নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এম. ইসমাইল হোসেন অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকেন এবং উদ্বোধনী বক্তব্য রাখেন। ড. মোঃ আব্দুল মান্নান, পিএএ, নির্বাহী পরিচালক (অতিরিক্ত সচিব), বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল এবং জনাব হিরোকি ওয়াটানাবে প্রতিনিধি (জাপান সরকার, জনপ্রশাসন বিভাগ), জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি; অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। প্রফেসর ড. কেইসুকে মুরাকামি, মিয়াজাকি বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইউওএম) ভাইস প্রেসিডেন্টও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এবং সমাপনী বক্তব্য প্রদান করেন। বি-জেট প্রশিক্ষণ কর্মসূচী সর্বপ্রথম সূচনা হয় বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল (বিসিসি), নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি (এনএসইউ), এবং ইউনিভার্সিটি অব মিয়াজাকি (ইউওএম)-এর মধ্যে স্বাক্ষরিত হয় একটি সমঝোতা স্মারকের (এমওইউ) মাধ্যমে ২৪শে ফেব্রুয়ারি, ২০২১ তারিখে। এই প্রশিক্ষনের লক্ষ্য হচ্ছে বাংলাদেশের আইসিটি প্রকৌশলী এবং ভবিষ্যতের আইসিটি প্রকৌশলীদের সক্ষমতা উন্নয়নে সহায়তা করা, যাদের জাপান ও বাংলাদেশের মধ্যে ব্যবসায়িক নেটওয়ার্ক তৈরি করার সম্ভাবনা রয়েছে। ৯ম ব্যাচের ৫০% প্রশিক্ষণার্থী এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচির মাধ্যমে জাপানে চাকরির সুযোগ রয়েছে।
প্রফেসর ড. এম. ইসমাইল হোসেন উদ্বোধনী বক্তব্য প্রদানের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন। নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস-চ্যান্সেলর তার বক্তৃতায় সকল ছাত্র-ছাত্রীদের তাদের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম শেষ করার জন্য অভিনন্দন জানান এবং বলেন যে “এ ধরনের সহযোগিতায় অংশগ্রহণ করতে পারা নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্যেকের জন্য অত্যন্ত গর্বের বিষয়। জাপানি আইটি সেক্টরে বাংলাদেশি তরুণদের জন্য বিপুল কর্মসংস্থানের সুযোগ উন্মুক্ত করবে” । তার বক্তৃতার অনুকরণে ড. মোঃ আব্দুল মান্নান আইসিটি সেক্টর থেকে তরুণ স্নাতকদের সমর্থন করার জন্য এই উদ্যোগের প্রশংসা করেন। জনাব হিরোকি ওয়াতানাবে খুব শীঘ্রই জাপানে যাওয়া শিক্ষার্থীর প্রতি তার আন্তরিক শুভেচ্ছা ব্যক্ত করেন। তার বক্তব্যের পর সনদ বিতরণের অনুষ্ঠান শুরু হয়। শিক্ষার্থীরা নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যারিয়ার অ্যান্ড প্লেসমেন্ট সেন্টার (সিপিসি) এর পরিচালক প্রফেসর ড. মোহাম্মদ খসরু মিয়া এবং মিয়াজাকি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ড. কেইসুকে মুরাকামির কাছ থেকে তাদের সার্টিফিকেট গ্রহণ করেন। সমাপ্তির প্রশংসাপত্র হস্তান্তরের সময় তাদের সাথে ছবি তোলার সময় অধ্যাপকরা শিক্ষার্থীদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। জনাব ড. মেহেদী মাসুদ, সিওও এবং পরিচালক, বিজিট লিমিটেড, বিজিট গ্রুপ. জনাব ইয়াসুহিরো আকাশি, প্রতিনিধি পরিচালক, সিইও, গ্লোবালগীক্স ইনকরপোরেশন, বিজিট গ্রুপ, এবং মিজ. সায়ুরি ওগিনো প্রতিনিধি পরিচালক, বি এন্ড এম ইনকরপোরেশন প্রশংসাপত্র বিতরণ অনুষ্ঠানের পরেই অফিসিয়াল পার্টনার হিসেবে তাদের বক্তৃতা প্রদান করেন। তার অভিনন্দন বক্তৃতায়, এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচির দাতা মিজ. কায়োকো কিতাগাওয়া, প্রতিনিধি নির্বাহী পরিচালক, সিইনকোশহুপপাংশা কেইরিনকান করপোরেশন লিমিটেড, তিনি উল্লেখ করেন যে জাপানে বাংলাদেশী শিক্ষার্থীদের স্বাগত জানাতে পেরে তিনি আনন্দিত, যাদের জাপানের আইটি সেক্টরে অবদান রাখার সম্ভাবনা রয়েছে। তার বক্তৃতার পর, অধ্যাপক ড. কেইসুকে মুরাকামি তার সমাপনী বক্তব্য রাখেন। অংশগ্রহণকারী এবং অতিথিদের একটি সংক্ষিপ্ত ফটো সেশনের পর অনুষ্ঠানটির সমাপ্তি হয়।

এনএসইউ-এর ক্যারিয়ার অ্যান্ড প্লেসমেন্ট সেন্টার (সিপিসি) শুরু থেকেই সিপিসি এর পরিচালক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ খসরু মিয়ার নেতৃত্বে এনএসইউ – এর পক্ষে এই প্রকল্পের নেতৃত্ব দিয়ে আসছে। ক্যারিয়ার, ইন্টার্নশিপ এবং চাকরির নিয়োগের দায়িত্বে থাকা, নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সিপিসি সর্বদা ছাত্র/ছাত্রী এবং কর্পোরেট বিশ্বের মধ্যে একটি সেতু বন্ধনের কাজ করেন। বিসিসি, এনএসইউ এবং মিয়াজাকি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে স্বাক্ষরিত এমওইউ তাদের সাফল্যের মুকুটে আরেকটি পালক যোগ করেছে। প্রতি বছর কমপক্ষে ৮০ জন শিক্ষার্থী এই প্রোগ্রামে ভর্তির সুযোগ পাবে। প্রশিক্ষণ মডিউলের প্রথম পাঁচ মাস এনএসইউতে অনুষ্ঠিত হবে এবং দ্বিতীয় তিন মাসের অগ্রিম প্রশিক্ষণ জাপানে অনুষ্ঠিত হবে। অনুমান করা হয় যে ২০৩০ সাল নাগাদ, জাপানে জাপানের আইটি সেক্টরে ৫,৯০,‌০০০ কর্মচারীর ঘাটতি দেখা দেবে যেখানে বাংলাদেশে সম্পদশালী আইসিটি প্রকৌশলী আছে কিন্তু কাজের সুযোগ কম। এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচীটি সম্পন্ন করা আমাদের প্রকৌশল শিক্ষার্থীদের জন্য প্রচুর চাকরির সুযোগ উন্মুক্ত করবে যা জাপান ও বাংলাদেশের কর্মসংস্থান খাতকে উপকৃত করবে।

Print Friendly, PDF & Email
 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ

Social Media Auto Publish Powered By : XYZScripts.com
Social Media Auto Publish Powered By : XYZScripts.com