জালিয়াতির সংসদ ছেড়ে প্রমান করেছে তারা চায় গণতন্ত্রের জন্য সংগ্রাম করতে – জনতার আওয়াজ
  • আজ বিকাল ৪:২০, বুধবার, ৮ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ খ্রিস্টাব্দ, ২৫শে মাঘ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ১৭ই রজব, ১৪৪৪ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

জালিয়াতির সংসদ ছেড়ে প্রমান করেছে তারা চায় গণতন্ত্রের জন্য সংগ্রাম করতে

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: রবিবার, ডিসেম্বর ১১, ২০২২ ৯:৩৮ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: রবিবার, ডিসেম্বর ১১, ২০২২ ৯:৩৮ অপরাহ্ণ

 

মারুফ কামাল খান

অনেক দিন ধরে বিপথগামী, দিকভ্রান্ত ও বিভ্রান্ত দলটি পথে এসেছে। দ্বিচারিতা ছেড়ে মানুষের কাছে বিশ্বস্ত হবার পথে পা বাড়িয়েছে। জালিয়াতির সংসদ ছেড়ে প্রমান করেছে তারা আন্তরিকভাবেই চায় গণতন্ত্রের জন্য সংগ্রাম করতে। দুই নৌকা থেকে পা তুলে সমরে নেমেছে কিশতি জ্বালিয়ে দিয়ে। এখন তারা হয় এসপার না হয় ওসপার মনোভাব নিয়ে মরিয়া আন্দোলনের জন্য প্রকৃতই তৈরি বলে মানুষ বিশ্বাস করবে।
চার বছরের অভিশাপ ঝেড়ে বিএনপি এই মাত্র কলঙ্কমুক্ত হলো বলে আমি মনে করি। স্ক্রিপ্ট অনুযায়ী সংলাপ আওড়ে কুসুম কুসুম সমালোচনায় অবৈধ সংসদকে বৈধতা দিয়ে নৈশ ব্যালট ডাকাতির সরকারকে অবৈধ বলার প্রতারণাপূর্ণ ভাঁড়ামি থেকে বিএনপি নিজে মুক্ত হয়েছে। এখন জাতীয় মুক্তির কথা তাদের মুখে হালাল ও মানানসই হবে। এ কারণেই দশ ডিসেম্বর এ দেশের রাজনীতির অঙ্গনে নতুন অধ্যায়ের সূত্রপাত ঘটলো বলে আমার ধারণা।
বাংলাদেশের জাতীয়, রাজনৈতিক ও রাষ্ট্রীয় ক্ষেত্রে প্রায় এক দশক জুড়ে যে সংকট ঘনীভূত হয়ে আছে তা’ এতোকাল ধরে প্রকটভাবে দৃশ্যমান করতে পারেনি বিএনপি। কসমেটিক প্রলেপ বুলিয়ে শেখ হাসিনার হাইব্রিড রেজিম দগদগে সেই ক্ষত সুন্দরভাবে ঢেকে রেখেছিল। ধারাবাহিক বিভাগীয় সমাবেশের পথ বেয়ে ১০ ডিসেম্বর ঢাকা সমাবেশের ব্যাপারে শাসক মহলের বেপরোয়া আচরণ সেই সংকটকে প্রবলভাবে দৃশ্যমান করেছে।
বিএনপির কর্মসূচি মোকাবিলা করতে গিয়ে শেখ হাসিনা ভুলে গিয়েছিলেন যে, এটা ২০১৪ সাল নয়, ২০২২ সালের অন্তিম সময়। বদলে যাওয়া বিশ্বপটভূমিতে আন্তর্জাতিক অকুণ্ঠ সমর্থন আর নেই তার প্রতি। সেই সিগন্যাল যারা পেয়ে গেছে তারা আর তার পক্ষে আগের মতন ঝুঁকি নেবে না। জাতীয় অর্থনীতি ফোকলা হয়ে গেছে। একই ফর্মুলা আর কাজে লাগবেনা। এই পরিবর্তন না বুঝে স্ট্রং লেডি সাজতে গিয়ে তিনি নিজের ভগ্নদশা প্রকাশ করে ফেলেছেন। শেষ পর্যন্ত পুলিসের দলবাজ ক্যাডার অংশ ও দলীয় ষণ্ডা-গুণ্ডার উপর ভর করতে গিয়ে তিনি একেবারে সব লেজেগোবরে করে ফেলেছেন।
এর আগের এক লেখায় বলেছিলাম যে, আমি নিজে সংকটের রাজনৈতিক সমাধানের পক্ষে। জানতাম শেখ হাসিনা রাজনৈতিক সমাধানের দিকে আসবেন না। সেটাই হয়েছে এবং শেখ হাসিনা বিএনপির ঢাকা কর্মসূচি মোকাবিলায় যা করেছেন, তাতে মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন তিনি। সাধারণ মানুষ তার ঠ্যাঙাড়ে বাহিনীর হাতে উৎপীড়িত হয়ে আরো বেশি ক্ষুব্ধ হয়েছে।
আমার মনে বিএনপিকে নিয়েও অনেক শংকা ছিল। এ দলে ঘাপটি মেরে থাকা কুইসলিং ও সুবিধাবাদীর সংখ্যা অনেক। আবার অতি হঠকারী আন্ধা সমর্থকদের উস্কানিও ব্যাপক ছিল। নানান গুজব ও কল্পকাহিনী রটিয়ে এবং অসম্ভব প্রত্যাশা তৈরি করে এরা ১০ তারিখেই বিজয় নিশান উড়িয়ে মসনদে বসে যাবার কথামালার ফানুশ উড়াচ্ছিল। তাই সন্দিহান ছিলাম, বিএনপি ফের কোনো মস্ত ভুল করে বসে কিনা।
এই সংশয়ের কারণে বিএনপির কর্মসূচি নিয়ে আমি তেমন কোনো মতামত ব্যক্ত করিনি। কিন্তু আমি খুব বিস্ময়ের সঙ্গে দেখলাম, দলটি সবকিছু পাশ কাটিয়ে খুবই ধৈর্য্য, সংযম, প্রজ্ঞা, বুদ্ধিমত্তা ও দূরদর্শিতার সঙ্গে পরিস্থিতি সামাল দিয়েছে। ছোটখাটো কিছু ত্রুটি-বিচ্যুতি ঘটলেও কোনো সাংঘাতিক ভুল না করে বিএনপি এক কঠিন পরিস্থিতি মোকাবিলা করে উৎরে গেছে।
সরকার একের পর এক উস্কানি দিয়েছে। কিন্তু সে ফাঁদে পা দিয়ে সহিংস হয়ে উঠেনি বিএনপি। দলে প্রকট সংকট আছে নেতৃত্বের। বেগম খালেদা জিয়া অবরুদ্ধ। তারেক রহমান দেশান্তরী। তিলতিল করে মানুষের আস্থা ও ভালোবাসা কুড়িয়ে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জাতীয় পর্যায়ে গ্রহনযোগ্য নেতৃত্বের কিছুটা আদল পেয়েছেন। তাঁকে গ্রেফতার করা হলো। ঢাকা মহানগরীতে বিএনপি নেতৃত্বের শক্ত কাঠামো এখন নেই। একমাত্র প্রভাব প্রতিপত্তি মির্জা আব্বাসের। তাকেও তুলে নিয়ে গেলো গভীর রাতে। সদর দফতর আঁকড়ে থাকা রুহুল কবির রিজভী এবং মাঝ স্তরের সব সংগঠকদের ছেঁকে তুলে নিয়ে গেলো। আতঙ্ক তৈরির উদ্দেশ্যে দলের কেন্দ্রীয় অফিস ও সামনের জমায়েতের ওপর হায়েনার মতো ঝাঁপিয়ে পড়লো লীগের ক্যাডার পুলিসের দঙ্গল।
সরকারী পরিকল্পনা ছিল এসবে উত্তেজিত হয়ে কর্মীরা উচ্ছৃঙ্খল হয়ে উঠবে। দেশী রাজনীতির পুরনো ব্যাকরণ অনুযায়ী কিছু ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগে লিপ্ত হবে। আর সেই সুযোগে সরকারের লেলিয়ে দেয়া অন্তর্ঘাতকেরা আরো বেপরোয়া ভাংচুর ও জ্বালাও পোড়াও করে বিএনপির ওপর ব্যাপক দমনাভিযান চালাবে। সমাবেশ পণ্ড করে দেবে। পরিকল্পনা মাফিক আগাম প্রচারণাও শুরু হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু তাদের বিধি বাম। বিএনপির মাথায় এমন সুবুদ্ধি এলো যে, তারা এবার সরকারের মাখা তামাক খেতে রাজি হয়নি। নিজেরা বুদ্ধি করে সঠিক পথে এগিয়েছে।
এতে সরকারী সন্ত্রাস সকলের কাছে দৃশ্যমান হয়েছে। বিশ্বমোড়লেরা তাদেরকে ধিক্কার দিয়েছে। বিএনপির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করেছে। আন্তর্জাতিক চাপে বিএনপিকে সমাবেশের জন্য দায়সারা একটা জায়গা হলেও তাদেরকে দিতে হয়েছে। সমাবেশে সরাসরি হামলা করারও সাহস পায়নি।
অতীতে সন্ত্রাসী কার্যকলাপের জন্য বিএনপিকে সবখানে কলঙ্কিত করেছিল সরকার। এবারের কর্মসূচির মাধ্যমে অতীতের সে কলঙ্ক থেকে দলটি অনেকটাই রেহাই পেয়েছে। বিএনপির এবারের কর্মসূচি সারা দুনিয়ায় অবিস্মরণীয় প্রচার পেয়েছে। একই সঙ্গে সরকার হয়েছে নিন্দিত। একেবারে উলটে গেছে ২০১৪ সালের দৃশ্যপট।
বিভাগীয় শহরগুলোর সমাবেশের মাধ্যমে বিএনপি সারা দেশের বিক্ষুব্ধ জনতাকে বিপুলভাবে সম্পৃক্ত করতে পেরেছে। আর সরকারের হঠকারিতায় ঢাকা সমাবেশের মাধ্যমে বিএনপি বিশ্বপরিসরে লাইম লাইটে চলে এসেছে। মাত্র কয়েক ঘন্টার নোটিশে লাখ লাখ লোক জমায়েত করে জনপ্লাবণ ঘটিয়ে বিএনপি তার জনপ্রিয়তা ও শক্তিমত্তা বিশ্বের সামনে প্রমান করেছে। নিয়মতান্ত্রিকতা, শৃঙখলা ও শান্তিপ্রিয়তারও প্রমান রেখেছে।
খালেদা জিয়ার বন্দীদশা ও অসুস্থতার কারণে এখন দূরদেশ থেকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন তারেক রহমান। বিএনপির এই সাফল্য তারেক রহমানের গ্রহনযোগ্যতা ও গুরুত্বকেও অনেক বাড়িয়ে দিয়েছে। সবখানে এই বার্তা পৌঁছে গেছে যে, বিএনপি এবং একই সাথে তারেক রহমানকেও উপেক্ষা করার সুযোগ নেই।
উপস্থাপনার দুর্বলতা ও ভাষার বিচ্যুতির কারণে বিএনপির উপস্থাপিত দশ দফা খুব বেশি স্মার্ট বলে মনে না হলেও এর বিষয়বস্তু সুচিন্তিত এবং মোটামুটি সুনির্বাচিত বলেই আমার মনে হয়। বড় ভুল না করলে এই পথনির্দেশ বিএনপিকে সাফল্যের পথে এগিয়ে দেবে।
বিএনপির কর্মসূচির বড় সাফল্য হচ্ছে অন্যান্য দল ও শ্রেণীপেশার সংগঠনকে যুগপৎ কর্মসূচির মাধ্যমে আন্দোলনে নামতে সম্মত করাতে পারা। এতে অনেক স্রোতধারা মিলে আগামীর আন্দোলন আরো বেগবান এবং একসময়ে দুর্বার হয়ে উঠতে পারে।
১০ ডিসেম্বর বিএনপির একটা পরীক্ষামূলক মহড়াও হয়ে গেছে। আমার রক্ষণশীল হিসেবে লাখ দশেক মানুষ সমাবেশে যোগ দিয়েছিলেন। তবে এই জনতার বড় অংশই এসেছে বাইরের জেলাগুলো থেকে। অন্ততঃ ছয়-সাত লাখ লোক অনেক ঝুঁকি নিয়ে, বাধার প্রাচীর ডিঙ্গিয়ে ঢাকা এসেছেন। কিন্তু প্রায় দেড় কোটি মানুষের এই মহানগরীর তিন থেকে চার লাখের বেশি লোক সমাবেশে যোগ দেন নি। মহানগরবাসীর এই নিস্পৃহতা বিএনপির একটি বড় দুর্বলতা। এর ফলে সমাবেশ চলাকালে পূর্বাঞ্চল বাদ দিলে প্রায় সারা নগর জুড়েই পুলিস ও আওয়ামী মস্তানদের মিলিত তাণ্ডব চলেছে।
সরকারকে মাথা নোয়াতে বাধ্য করতে হলে নগরজুড়ে রাজপথের দখল নেয়ার বিকল্প নেই। তার জন্য আন্দোলনে ঢাকা নগরবাসীকে সক্রিয় ও সম্পৃক্ত করতে হবে। ঘরে বসে নিষ্ক্রিয় সমর্থন দিলে হবে না। দাবির সমর্থনে রাজপথে নেমে আসতে হবে। আন্দোলনের আগামী ধাপগুলোতে এটা বিবেচনায় রাখতে হবে।
বাংলাদেশের রাজনীতির একজন ক্ষুদ্র পর্যবেক্ষক হিসেবে বুঝি, শেখ হাসিনার পক্ষে আর এ দেশ শাসন করা সম্ভব নয়। পরিবর্তন অনিবার্য হয়ে উঠেছে। ঢাকায় বিশ্বমোড়লদের প্রতিনিধিরাই জাপানি রাষ্ট্রদূতকে দিয়ে প্রথম সিগন্যাল দিয়েছেন। ভারতের রাষ্ট্রদূতকেও তারাই বার্তা দিয়ে পাঠিয়েছিলেন। পারিপার্শ্বিক কারণে ইন্ডিয়া আগের মতন প্রকাশ্যে শেখ হাসিনার পক্ষ নিতে পারছে না। চীনের সাথে হাসিনার নৈকট্য ইন্ডিয়াকে বিরক্ত করলেও তাদের হাতে হাসিনার বিকল্প নেই। কিন্তু ভারত নিজেই এখন নানা চাপে চিড়ে চ্যাপ্টা হয়ে আছে।
কাজেই আন্তর্জাতিক সম্পর্কের যে সমীকরণ শেখ হাসিনাকে ক্ষমতায় এনেছে ও টিকিয়ে রেখেছে এখন নবায়িত সমীকরণ তার বৈরী হয়ে দাঁড়িয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের দুবাই কেন্দ্রিক এলিট ক্লাবেও এখন তিনি অনেকটাই অপাংক্তেয়। জনসমর্থনের ওপর ভর করে তিনি দেশ চালান না। রাষ্ট্রের যে পেশীশক্তিগুলোকে তিনি এতোকাল ক্ষমতার রক্ষাকবচ হিসেবে ব্যবহার করেছেন তারা এখন ক্রমেই ‘নিরপেক্ষ’ হবার ভান করতে থাকবে। অতএব, বুঝো হে সুজন!
শেখ হাসিনা কিভাবে যাবেন?
আন্দোলন ও ভেতর-বাইরের চাপ ও বাধ্যবাধকতার মুখে রাষ্ট্রীয় এপারেটাসগুলোই তাকে ক্ষমতা ত্যাগের পরামর্শ দেবে। এতে করে যে অচলাবস্থার সৃষ্টি হবে সেই শূণ্যতা পূরণে একটি আপদকালীন জাতীয় সরকার দায়িত্ব নেবে। অথবা, হাসিনা একটি কেয়ারটেকার সরকারের হাতে ক্ষমতা ছাড়বেন। সে প্রভিশন তাকেই পুনঃপ্রবর্তন করতে হবে। এরপর একটি সুষ্ঠু ও গ্রহনযোগ্য নির্বাচন হবে। এটা রাজনৈতিক সমাধান এবং শান্তিপূর্ণ উপায়ে ক্ষমতার রদবদলের পথ।
প্রথম ফর্মুলাটি নিয়মতান্ত্রিক নয় এবং শান্তিপূর্ণ নাও হতে পারে। বিএনপি সহ বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো দ্বিতীয় পথটাই চায়। কিন্তু স্টেক হোল্ডার তো আরও আছে। তারা প্রথমটাই চায়। আন্তর্জাতিক মোড়লদের মনোভাবও সে রকমই; জাতীয় সরকারের পক্ষে। ট্রাডিশনাল রাজনৈতিক নেতৃত্বের ওপর তাদের আস্থা কম।
এই জটিল অবস্থায় বিএনপি ও বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোকে সন্তর্পণে পা ফেলতে হয়। তাদের আশংকা জাতীয় সরকার শেখ হাসিনার স্থলাভিসিক্ত হলে প্রচলিত রাজনীতি ও দলগুলো গুরুত্ব হারাবে। দীর্ঘমেয়াদী কর্মসূচি নিয়ে জাতীয় সরকার দীর্ঘায়িতও হতে পারে। তাই বিএনপির কৌশলী প্রস্তাব হচ্ছে, আগে নির্বাচন পরে জাতীয় সরকার। এতে বিএনপির নেতৃত্ব অটুট থাকবে।
তারেক রহমান এই প্রস্তাব উত্থাপনের পাশাপাশি বিএনপির জনপ্রিয়তা ও শক্তিও দেখাতে পেরেছেন। এতে নিজেকে তিনি দেশের ভেতরে ও বাইরে দরকষাকষির একটা শক্ত অবস্থানে স্থাপন করতে পেরেছেন। এটাই ১০ ডিসেম্বরের সাফল্য।
আমি যতটুকু বুঝি, তারেক রহমানের বিএনপি শেখ হাসিনার উৎখাত চায় না। তারা আন্দোলনের চাপে এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে চায়, যাতে শেখ হাসিনা তাদের সঙ্গে একটা সমঝোতায় আসতে বাধ্য হন। এবং কেয়ারটেকার সরকার ফিরিয়ে এনে সুষ্ঠু নির্বাচনের পথ খুলে দেন। কারণ, বিএনপির ক্ষমতায় আসার একটা মাত্রই পথ, সেটা নির্বাচন। শেখ হাসিনা অন্য পথে উৎখাত হলে বিএনপির ক্ষমতার সম্ভাবনাও অনিশ্চিত হয়ে যায়।
শেষ পর্যন্ত পরিস্থিতি কী দাঁড়াবে বা শেখ হাসিনা কোন পথ বেছে নেবেন, কোন পরিণতি বরণ করবেন তা নিশ্চিত করে বলার মতন জ্ঞান-গম্যি আমার নেই।
মারুফ কামাল খান এর ফেইসবুক থেকে

Print Friendly, PDF & Email
 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ

WP2Social Auto Publish Powered By : XYZScripts.com
WP2Social Auto Publish Powered By : XYZScripts.com