ঝিনাইদহ সরকারী অফিসারসহ ৭ জনকে বিবাদী করে মামলা, দুদককে তদন্তের নির্দেশ - জনতার আওয়াজ
  • আজ রাত ৪:০৬, শুক্রবার, ১৫ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১লা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৮শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

ঝিনাইদহ সরকারী অফিসারসহ ৭ জনকে বিবাদী করে মামলা, দুদককে তদন্তের নির্দেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: সোমবার, ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২৩ ৯:৫২ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: সোমবার, ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২৩ ৯:৫২ অপরাহ্ণ

 

ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ সরকারি মাহতাব উদ্দিন কলেজের অধ্যক্ষ ড. মোঃ মাহবুবুর রহমানের স্বাক্ষর ছাড়া বেআইনী ভাবে কলেজ ফান্ডের টাকা উত্তোলনের ঘটনায় মামলা হয়েছে। সোমবার দুপুরে ঝিনাইদহ বিজ্ঞ সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতে মামলাটি করেন কলেজের অধ্যক্ষ ড. মো: মাহবুবুর রহমান। মামলাটি আমলে নিয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক নাজিম উদ দৌলা। এ মামলায় আসামি করা হয়েছে কলেজটির প্রধান হিসাব রক্ষক মো: রজব আলী, সহকারী অধ্যাপক মনোজ কান্তি বিশ^াস, কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইসরাত জাহান, শাহজালাল ইসলামী ব্যাংকের কালীগঞ্জ শাখার ব্যবস্থাপক এ.বি.এম আহসানুল কবীর, ব্যাংকটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো: মোসলেম উদ্দিন, অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক আখতার হোসেন ও ব্যাংকটির খুলনা বিভাগীয় জোনাল হেড মো: সাইদুর রহমান। মামলার বিবরণে বাদী উল্লেখ করেন, কলেজটির অভ্যন্তরীন আনুসাঙ্গিক ব্যয় ও অবকাঠামোগত সংস্কার ব্যয় শাহজালাল ইসলামী ব্যাংকের চলতি হিসাব নম্বর ৫৮৫৮ এবং ৬১২৭ থেকে নির্বাহ করা হয়। হিসাব নম্বর দুটির একাউন্ট হোল্ডার মামলার বাদী অধ্যক্ষ ড. মো: মাহবুবুর রহমান ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইসরাত জাহান। গত ২৩ ফেব্রæয়ারি মামলার ১ নং আসামি কলেজটির প্রধান হিসাব রক্ষক রজব আলীর কাছে সংরক্ষিত ৫৮৫৮নং হিসাবের চেক বই থেকে নিজের হস্তাক্ষরে লিখিত ৬ লাখ ৮০ হাজার ২১ টাকা সম্বলিত চেকের পাতাটি বাদীর অনুমতি ও স্বাক্ষর ছাড়াই দুই নং আসামি কলেজের সহকারী অধ্যাপক মনোজ কান্তি বিশ^াস কর্তৃক স্বাক্ষর করে তিন নং আসামি উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইসরাত জাহান কর্তৃক প্রতিস্বাক্ষর স্থাপন পূর্বক ৪নং আসামি ব্যাংকের ম্যানেজার এ.বি.এম আহসানুল কবীর বরাবর প্রেরিত ১৫(৪) ২০২৩/১৭৫ স্মারকের একটি বিধি বহির্ভূত পত্রাদেশ দিয়ে পারস্পারিক যোগসাজসে ৬ লাখ ৮০ হাজার ২১ টাকা আত্মসাৎ করেন। তিনি আরো উল্লেখ করেন, আসামিরা পারস্পারিক যোগসাজসে শাহজালাল ইসলামী ব্যাংকের ৫৮৫৮ ও ৬১২৭ নং হিসাবে সংরক্ষিত বিপুল পরিমাণে সরকারি অর্থ তছরুপ করার চক্রান্ত অব্যাহত রেখেছে। তারা যেকোন মুহুর্তে বেআইনিভাবে শাহাজালাল ইসলামী ব্যাংকের উক্ত হিসাব দুটির অপারেটর পরিবর্তন করে বা অন্য কোন পন্থা অবলম্বন করে সমুদয় টাকা আত্মসাৎ করতে পারে। এ বিষয়ে কলেজটির অধ্যক্ষ ড. মো: মাহবুবুর রহমান জানান, ২০১৮ সালের ১২ আগস্ট কলেজটি সরকারি হওয়ার পর মাউশি অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের পত্রাদেশ ছাড়া যারা পারস্পারিক যোগসাজসে শাহজালাল ইসলামী ব্যাংকের ৫৮৫৮ ও ৬১২৭ হিসাব নম্বর থেকে টাকা উত্তোলন করা হচ্ছে। তিনি টাকা উত্তোলনের আদ্যপান্ত তদন্তপূর্বক দোষী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান। এ বিষয়ে জানতে কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইসরাত জাহানের সরকারি মুঠোফেনে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। ফলে তার বক্তব্য গ্রহন করা সম্ভব হয়নি। এদিকে ঝিনাইদহ দুর্নীতি দমন কমিশনের পিপি এ্যাডভোকেট মোকাররম হোসেন টুলু জানান, সোমবার দুপুরে স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল আদালতে মামলাটি করেন কলেজের অধ্যক্ষ ড. মো: মাহবুবুর রহমান। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) কে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ