ডিজিটাল সিকিউরিটি আইন অনতিবিলম্বে বাতিল করতে হবে : ড মোশাররফ - জনতার আওয়াজ
  • আজ ভোর ৫:১১, শুক্রবার, ১৫ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১লা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৮শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

ডিজিটাল সিকিউরিটি আইন অনতিবিলম্বে বাতিল করতে হবে : ড মোশাররফ

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: রবিবার, এপ্রিল ২, ২০২৩ ৪:১১ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: রবিবার, এপ্রিল ২, ২০২৩ ৪:১১ অপরাহ্ণ

 

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিল করার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেছেন, ডিজিটাল সিকিউরিটি আইন অনতিবিলম্বে বাতিল করতে হবে। তা না হলে জনগণ গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে এই সরকারকে বিদায় করবে।

আজ রোববার দুপুরে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) মিলনায়তনে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। নারী ও শিশু অধিকার ফোরামের উদ্যোগে নওগাঁয় সুলতানা জেসমিনকে হত্যা ও সাংবাদিক শামসুজ্জামানকে গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে ‘বিনা বিচারে হত্যা-গুম ও নির্যাতন, আর কতকাল সইবে বাংলাদেশ’ শীর্ষক আলোচনা সভার আয়োজন করে।

নওগাঁয় সরকারি কর্মকর্তা সুলতানা জেসমিনের মৃত্যুর ঘটনা তুলে ধরে ড. মোশাররফ বলেন, এ সরকার স্বেচ্ছাচার ও স্বৈরাচার। স্বেচ্ছাচারী ও স্বৈরাচারী আচরণ সব পর্যায়ে পৌঁছে গেছে। না হলে এ ধরনের ঘটনা ঘটতে পারে না। সাংবাদিক শামসুজ্জামানের কী দোষ? এ দেশে তো দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি।

তিনি বলেন, সরকার সকল দিক থেকে ব্যর্থ। বুঝতে পারছে না কখন কী করতে হবে। এ সরকারের অধীন কর্মকর্তারাও হতাশ ও দিশেহারা। এ অবৈধ সরকারের হুকুমে তারা যে অন্যায় করেছে, ভবিষ্যতে তাদেরকে তো জবাবদিহি করতে হবে। এ জন্য তারা নার্ভাস। এ সরকারের নির্দেশে র্যাব গুম করেছে ৬০০ বেশি নেতাকর্মীকে। হত্যা করেছে হাজারের বেশি। মিথ্যা ও বানোয়াট মামলার কোনো অভাব নেই।

বিএনপির এই সিনিয়র নেতা বলেন, আমাদের দেশে এমন কিছু হয়েছে, যার কারণে আমেরিকা স্যাংশন দিতে বাধ্য হয়েছে। র্যাবের ওপর স্যাংশন দেওয়া হয়েছে। তবুও র্যাব কী পরিমাণ বেপরোয়া হয়ে জেসমিনকে রিমান্ডে নিয়ে নির্যাতন করে হত্যা করেছে।

এ সরকার গণতন্ত্র হত্যা করেছে, মানুষের ভোট অধিকার কেড়ে নিয়েছে। মানুষ আজ বঞ্চিত। এ দেশে শুধু সংসদ নির্বাচন নয়, স্থানীয় নির্বাচনগুলোতেও জনগণ ভোট দিতে পারেনি।

তিনি বলেন, রক্ত দিয়ে আমরা এ দেশকে স্বাধীন করেছি। কী প্রত্যাশা ছিল? প্রত্যাশা ছিল স্বাধীনভাবে বসবাস করা, গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠা করা। সাম্যের প্রত্যাশা, অর্থনৈতিক বৈষম্য থাকবে না। কিন্তু আজকের বাংলাদেশ এমন অবস্থা, পৃথিবীর মধ্যে সবচেয়ে বেশি বৈষম্য। ধনী সবচেয়ে ধনী আর গরিব সবচেয়ে গরিব।

আয়োজক সংগঠনের আহ্বায়ক ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সেলিমা রহমানের সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব এবং ঢাকা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নিপুন রায় চৌধুরীর সঞ্চালনায় এ সময় বক্তব্য দেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আহমেদ আযম খান, সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ, জলবায়ুবিষয়ক সহসম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল, জাতীয় কমিটির নির্বাহী সদস্য নাসের মুহাম্মদ রহমাতুল্লাহ প্রমুখ।

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ