ঢাকা মেডিকেল কলেজে সফল কিডনী প্রতিস্থাপন: পরিদর্শনে ডাঃ রফিক - জনতার আওয়াজ
  • আজ রাত ৮:৩৩, বুধবার, ১০ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৪শে জিলহজ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

ঢাকা মেডিকেল কলেজে সফল কিডনী প্রতিস্থাপন: পরিদর্শনে ডাঃ রফিক

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: শুক্রবার, জুন ৫, ২০২৬ ৩:২১ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: শুক্রবার, জুন ৫, ২০২৬ ৩:২১ অপরাহ্ণ

 

জনতার আওয়াজ ডেস্ক
ছবিঃ সংগৃহীত
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সম্প্রতি সফলভাবে কিডনী প্রতিস্থাপন সম্পন্ন হওয়ায় বিএনপির স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক এবং বিশিষ্ট ইউরোলজিস্ট অধ্যাপক ডাঃ মোঃ রফিকূল ইসলাম স্যার হাসপাতাল পরিদর্শন করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন হাসপাতালের পরিচালক, অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষসহ বিভিন্ন বিভাগের প্রধান, চিকিৎসক, নার্স, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা।

পরিদর্শনের সময় সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন ডাঃ রফিকূল ইসলাম। তিনি জানান, ক্যাডাভারিক ট্রান্সপ্ল্যান্ট হলো এমন অঙ্গ প্রতিস্থাপন যেখানে brain-dead বা মৃত ব্যক্তির শরীর থেকে অঙ্গ সংগ্রহ করে অন্য রোগীর শরীরে প্রতিস্থাপন করা হয়। হার্ট, লিভার, কিডনি, ফুসফুস, কর্নিয়া ইত্যাদি এইভাবে প্রতিস্থাপন করা সম্ভব। এটি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ, কারণ অনেক অঙ্গ জীবিত দাতার কাছ থেকে নেওয়া যায় না।

বাংলাদেশে আইনগতভাবে ক্যাডাভারিক ট্রান্সপ্ল্যান্ট সম্ভব হলেও বাস্তবে সীমিত। ২০২৩ সালে প্রথম ক্যাডাভারিক কিডনী প্রতিস্থাপন বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে সফলভাবে সম্পন্ন হয়, যেখানে brain-dead রোগীর শরীর থেকে দুইজন রোগীর কিডনী নেওয়া হয়েছিল। তবে নিয়মিত বা প্রতিষ্ঠিত প্রোগ্রাম এখনও গড়ে ওঠেনি।

ডাঃ রফিকূল ইসলাম আরও বলেন, ক্যাডাভারিক ট্রান্সপ্ল্যান্ট কম হওয়ার প্রধান কারণ হলো সামাজিক ও ধর্মীয় ভুল ধারণা, সচেতনতার অভাব, হাসপাতালের সীমিত অবকাঠামো, আইনগত ও প্রশাসনিক জটিলতা এবং জাতীয় স্তরের সমন্বিত ব্যবস্থা নেই।

তবে নতুন মানব অঙ্গ ও টিস্যু প্রতিস্থাপন অধ্যাদেশ, ২০২৫ দীর্ঘমেয়াদি পরিবর্তন আনার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে।

ডাঃ রফিকূল ইসলাম আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, “ইমোশনাল ডোনার এবং জাতীয় সোয়াপ রেজিস্ট্রি চালু হলে প্রতি বছর হাজার হাজার মানুষের জীবন রক্ষা হবে। নতুন আইন কঠোর নৈতিক সুরক্ষা বজায় রেখে অঙ্গদানের প্রচলিত বাধাগুলো দূর করবে।”

এভাবে বাংলাদেশের অঙ্গ প্রতিস্থাপন প্রোগ্রাম বৈশ্বিক মানদণ্ডের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ হওয়া শুরু করবে এবং শেষ পর্যায়ের অঙ্গ বিকলতায় ভোগা রোগীদের জন্য নতুন সম্ভাবনার দরজা খুলবে।

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ