দেশের সংখ্যালঘু নিরাপত্তা ঝুঁকি মার্কিন কংগ্রেসওম্যানকে জানাল ঐক্য পরিষদ - জনতার আওয়াজ
  • আজ রাত ৩:১৮, শুক্রবার, ১৫ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১লা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৮শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

দেশের সংখ্যালঘু নিরাপত্তা ঝুঁকি মার্কিন কংগ্রেসওম্যানকে জানাল ঐক্য পরিষদ

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: রবিবার, ডিসেম্বর ১০, ২০২৩ ১১:২০ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: রবিবার, ডিসেম্বর ১০, ২০২৩ ১১:২০ অপরাহ্ণ

 

নিউজ ডেস্ক
যুক্তরাষ্ট্র হাইজ অফ রেপ্রেজেন্টেটিভের বাংলাদেশ ককাস সদস্য কংগ্রেসওম্যান গ্রেইস মেং-কে আসন্ন দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে সংখ্যালঘু নাগরিকদের নিরাপত্তা ঝুঁকির কথা জানিয়েছেন সেখানকার হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ।

তারা বলেছেন, উগ্র সাম্প্রদায়িক মৌলবাদী শক্তিকে ঠেকাতে আগে থেকেই সরকারের প্রস্তুতি থাকতে হবে। যেন নির্বাচন ইস্যুকে সামনে রেখে দেশ থেকে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে বিতারণের মনোবাসনা পূরণের জায়গা থেকে কোন অশুভ তৎপরতা চালাতে না পারে। কোথাও যেন সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাসের ঘটনা না ঘটে।

জবাবে গ্রেইস মেং বলেন, সংখ্যালঘু নাগরিকদের সুরক্ষা নিশ্চত করা প্রতিটি সরকারের দায়িত্ব ও কর্তব্য এবং যুক্তরাষ্ট্র এই বিষয়টিকে ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বলে বিবেচনা করে। নির্বাচনকালে তো বটেই, সংখ্যালঘু নির্যাতন সমস্যার একটি স্থায়ী সমাধান খুঁজে বের করতে তিনি মার্কিন কংগ্রেসে বাংলাদেশে ককাসের অন্যান্য সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা করবেন বলেও আশ্বাস দেন।

গত শুক্রবার সন্ধ্যায় নিউইয়র্কের ফ্রেস মিডোজে ঘণ্টাব্যাপী আয়োজিত বৈঠকে এসব বিষয় ওঠে আসে। পরে সংগঠনটির যুক্তরাষ্ট্র শাখার সাধারণ সম্পাদক ড. দ্বিজেন ভট্টাচার্য স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

দেশের সংখ্যালঘু নিরাপত্তা ঝুঁকি মার্কিন কংগ্রেসওম্যানকে জানাল ঐক্য পরিষদ
সংখ্যালঘু নির্যাতন রোধে প্রতিশ্রুতি আদায় জরুরি
যুক্তরাষ্ট্র ঐক্য পরিষদের উপদেষ্টা ড. দিলীপ নাথের বাড়িতে আয়োজিত সভায় অধ্যাপক নবেন্দু দত্ত, রূপকুমার ভৌমিক, ডক্টর দিলীপ নাথ, ভজন সরকার, ভবতোষ মিত্র, প্রণবেন্দু চক্রবর্তি, সুশীল সিনহা ও ডক্টর দ্বিজেন ভট্টাচার্য মার্কিন কংগ্রেসওম্যানের কাছে বাংলাদেশে ধারাবাহিক চলা সংখ্যালঘু নির্যাতনে ঘটনা তুলে ধরেন।

তারা বলেন, এই নির্যাতন কারা করছে, তাদের উদ্দেশ্য কী, এই সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাস বন্ধ করতে এ পর্যন্ত কোন সরকারের কী ভূমিকা ছিল, সেসব বিষয়েও কংগ্রেসওম্যানকে বলা হয়।

বক্তারা কংগ্রেসওম্যানকে বলেন, তাদের মতে প্রধানত দুই কারণে বাংলাদেশের ধর্মনিরপেক্ষ চরিত্র ও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের অস্তিত্ব বিপন্ন হচ্ছে। প্রথমটি হচ্ছে সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাসীদের সঙ্গে প্রধান দুটি রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ ও বিএনপির রাজনৈতিক আঁতাত ও মোর্চা গঠন; আর দ্বিতীয়টি হল সংখ্যালঘু নির্যাতক ঐসব ধর্মীয় উগ্রপন্থী ও মৌলবাদীদের তোষণ করার জন্য তাদের কখনও বিচারের আওতায় না আনা।

২০০১ -২০০৬ সালের ঘটনা উল্লেখ করে তারা বলেন, সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর বিএনপি-জামায়াত সরকার যে বর্বর অত্যাচার চালিয়েছিল, সেসব ঘটনার তদন্তের ভিত্তিতে তৈরি রিপোর্টে সরাসরি বিচারযোগ্য ২ হাজার ৬০০ অপরাধীর নাম রয়েছে। যা ২০১১ সালে সাহাবুদ্দীন কমিশন সরকার প্রধানের কছে হস্তান্তর করা হয়, তাদেরও কারও বিচার সরকার করেনি, যা সন্ত্রাসীদের সহিংসতার মাধ্যমে দেশ থেকে সংখ্যালঘু বিতাড়নে উৎসাহ যোগাচ্ছে বলেও তারা দাবি করেন।

কংগ্রেসওম্যান গ্রেইস মেং বলেন, তিনি অন্তরিকভাবে চান যে বাংলাদেশে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে একটি অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন হোক। যাতে সংখ্যালঘু নাগরিকসহ দেশের সব নাগরিক নিরাপদে অংশগ্রহণ করতে পারে।

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ