নওগাঁয় ধান সিদ্ধ ও শুকানোতে ব্যস্ত কৃষক-কৃষাণী
নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ:
শনিবার, মে ১০, ২০২৫ ৫:০২ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ:
শনিবার, মে ১০, ২০২৫ ৫:০২ অপরাহ্ণ

জনতার আওয়াজ ডেস্ক
নওগাঁয় বোরো ধানের চাল তৈরির জন্য ধান সিদ্ধ ও শুকানোতে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষক-কৃষাণী। গ্রামে গ্রামে এখন চলছে ধান সিদ্ধ ও শুকানোর মহোৎসব। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় কৃষক পরিবারের নারী ও পুরুষ ধান সিদ্ধ ও শুকানো নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে।
এ জেলার অনেক উপজেলায় কৃষকদের বোরো ধান কাটা মাড়াই শেষ পর্যায়ে পৌঁছে গেছে। এ অঞ্চলের কৃষকরা তাদের জমিতে উৎপাদিত ধানের ভাত খেয়ে অভ্যস্ত। তাই যুগ যুগ ধরে ধান কাটা ও মাড়াইয়ের পর ধান সিদ্ধ ও শুকানো এ অঞ্চলের কৃষকদের রেওয়াজ।
ঘরে ভাতের চাল মজুদ থাকলে সারা বছর কৃষকের আর দুশ্চিন্তা নেই। এমনটি ধারণাই পোষণ করেন এলাকার কৃষকরা। তাই প্রতি বছর ধান কাটা ও মাড়াইয়ের সাথে সাথে ধান সিদ্ধ ও শুকানোতে ব্যস্ত হয়ে পড়েন তারা। গতকাল শুক্রবার এলাকার সরেজমিন ঘুরে ঘুরে দেখা গেছে এলাকার প্রায় কৃষকের খোলানে খোলানে চলছে ধান সিদ্ধ ও শুকানোর ধুম।
নারী পুরুষ এক যোগে ধান সিদ্ধ ও শুকানোর কাজ করছেন। কেই কড়াইয়ে ধান ঢালছেন, কেউ জাল দিচ্ছেন আবার কেউ খোলানে বিছিয়ে দেয়া ধানে বারবার পা দিচ্ছেন। এ ব্যবস্থার মাঝেও তাদের মাঝে বিরাজ করছে এক উৎফুল্লতা।
কৃষকেরা বলেন, ধান বিক্রি করে চাল কিনে ভাত খাওয়াকে আমরা অভিশাপ মনে করি।
ঘরের চালের ভাতের মজাই আলাদা। ধান সিদ্ধ শুকানো ও ভাঙ্গিয়ে চাল তৈরি করতে যদিও বা যথেষ্ট পরিশ্রম হয়। তারপরও সারা বছরের ভাতের চাল ঘরে তুলতে পারলে ওই পরিশ্রম আর মনে হয় না। এবারে আল্লাহ আমাদেরকে যে অনুকূল আবহাওয়া দিয়েছেন এটাকে কাজে লাগাতে আমরা নারী ও পুরুষ সেই কাক ডাকা ভোরে উঠেই ধান সিদ্ধ করার কাজ শুরু করি।
রৌদ্রের তাপ কিছুটা বাড়লেই সেই ধান শুকানোর জন্য নেড়ে দেয়া হয়। ধান শুকানোর পর চাল তৈরির জন্য রাইস মিলে যেতে হয় না। বাড়ি বাড়ি এসে ভ্রাম্যমাণ চালকল চাল তৈরি করে দেয়। এতে আমাদের অনেক সুবিধা হয়েছে।
জনতার আওয়াজ/আ আ