প্রেমের সম্পর্ক ছিন্ন করায় ডামুড্যায় কিশোরীকে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ - জনতার আওয়াজ
  • আজ রাত ১:৩৬, শুক্রবার, ১৫ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১লা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৮শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

প্রেমের সম্পর্ক ছিন্ন করায় ডামুড্যায় কিশোরীকে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: সোমবার, জুন ৩, ২০২৪ ২:১৮ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: সোমবার, জুন ৩, ২০২৪ ২:১৮ অপরাহ্ণ

 

শরীয়তপুর প্রতিনিধি
ডামুড্যায় প্রেমের সম্পর্ক ছিন্ন করায় এক কিশোরীকে তুলে নিয়ে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে সাবেক প্রেমিক ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে। ঘটনার একদিন পর ওই কিশোরীকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায় পুলিশ ও স্থানীয়রা। এ সংবাদ লেখা পর্যন্ত পুলিশ কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি।
ভুক্তভোগী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ওই কিশোরীর সঙ্গে প্রায় ২ বছর ৬ মাসের প্রেমের সম্পর্ক ছিল একই উপজেলার ছোট সিধলকুড়া এলাকার খোদাবক্স পেদার ছেলে ও গোসাইরহাট সরকারি শামসুর রহমান কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী সিয়াম পেদার (১৯)। সম্প্রতি তাদের প্রেমের সম্পর্কের টানাপোড়েন হলে অন্তত ২০ দিন আগে সম্পর্ক ছিন্ন করে ওই কিশোরী। এরপর থেকেই তার ওপর ক্ষিপ্ত হয় প্রেমিক সিয়াম। গত বৃহস্পতিবার ওই কিশোরী কলেজ থেকে বাড়ি ফিরছিল। সে ডামুড্যার ফরাজির টেক পৌঁছালে প্রেমিক সিয়াম ও তার চার সহযোগী পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে ওই কিশোরীর গতিরোধ করে এবং কিছু না বোঝার আগেই তার হাত-মুখ বেঁধে পরিত্যক্ত একটি ঘরে নিয়ে আটকে রেখে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। এদিকে ওই কিশোরী সময়মত বাড়ি না ফেরায় পরিবারের লোকজন বিভিন্ন স্থানে খোঁজ চালাতে থাকে। একপর্যায়ে খোঁজ না পেলে থানা পুলিশকে বিষয়টি অবহিত করেন। শুক্রবার রাতে সিধলকুড়া এলাকার একটি কাঠের ব্রিজে ওই কিশোরীর চোখ ও হাত-পা বাঁধা অবস্থায় দেখতে পায় স্থানীয়রা। স্থানীয়রা ডামুড্যা থানা পুলিশকে জানালে পুলিশ এসে তাকে উদ্ধার করে প্রথমে ডামুড্যা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও শনিবার উন্নত চিকিৎসার জন্য সদর হাসপাতালে প্রেরণ করে ।
ভুক্তভোগী ছাত্রির বাবা বলেন, মেয়ে নিখোঁজ হলে থানা পুলিশকে বিষয়টি জানাই। রাতে বাড়ি ফেরার পথে জানতে পারি মেয়ে হাত-পা ও চোখ বাঁধা অবস্থায় সিধলকুড়া ব্রিজে পড়ে আছে। পরে পুলিশসহ মেয়েকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাই। যারা আমার মেয়ের সঙ্গে এমন করেছে তাদের সকলের উপযুক্ত বিচার চাই। যাতে অন্য কোনো বাবার সন্তানের সঙ্গে এমন ঘটনা না ঘটে।
এ বিষয়ে সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) মিতু আক্তার বলেন, ধর্ষণের ঘটনা উল্লেখ করে এক কিশোরীকে হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে আসা হয়েছিল। এটি ধর্ষণ কি না সে বিষয়ে নিশ্চিত হওয়ার জন্য আলামত সংগ্রহ ও ডাক্তারি পরীক্ষা চলছে। ফলাফল আসলে নিশ্চিত হওয়া যাবে।
এ ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত প্রেমিক সিয়াম ও তার সহযোগী পলাতক । তার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ