বিভিন্ন স্থানে ক্ষমতাসীনদের হামলায় খুলনায় বিএনপির ৩০০ নেতাকর্মী আহত - জনতার আওয়াজ
  • আজ সকাল ৯:৩৪, রবিবার, ১৭ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৩রা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ৩০শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

বিভিন্ন স্থানে ক্ষমতাসীনদের হামলায় খুলনায় বিএনপির ৩০০ নেতাকর্মী আহত

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: রবিবার, অক্টোবর ২৩, ২০২২ ৩:৫৬ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: রবিবার, অক্টোবর ২৩, ২০২২ ৩:৫৬ অপরাহ্ণ

 

খুলনায় বিএনপির বিভাগীয় গণসমাবেশ কর্মসূচি বানচালে বিভিন্ন স্থানে ক্ষমতাসীনদের হামলায় ৩০০ নেতাকর্মী আহত হয়েছেন বলে অভিযোগ করেছে বিএনপি। শনিবার (২২ অক্টোবর) রাতে মহানগর বিএনপির পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে অভিযোগ করে বলা হয়, কোথাও গুলি করে, কোথায় কুপিয়ে ও পিটিয়ে রক্তাক্ত করা হয়েছে নেতাকর্মীদের। ট্রলার ডুবিয়ে দিয়ে এবং ঘাটে ভিড়তে বাধাগ্রস্ত করে সমাবেশে আসা ঠেকানো হয়েছে। হকিস্টিক, রাম দা, লোহার রড, লাঠিসহ বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত ছিল ক্যাডাররা।

এছাড়া নগরীর বিভিন্ন থানা, ওয়ার্ড এবং সমাবেশে অংশ নেয়ার প্রবেশ পথে তাদের দিন-ভোর মহড়া করে আতঙ্ক ছড়িয়েছে জনমনে। প্রতিটি মোটরসাইকেলে কমপক্ষে তিনজন করে শত শত মোটরসাইকেলের বহরে বিএনপি ও এর নেতৃবৃন্দকে কটূক্তি করে দেয়া হয়েছে উস্কানিমূলক শ্লোগান।

ফুলতলা থেকে খুলনায় আসার প্রাক্কালে থানা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ও ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আবুল বাশারকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে সন্ত্রাসীরা। গুলিবিদ্ধ আবুল বাশারকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে নেয়া হয়। একইভাবে মোকামপুর এলাকায় গুলিবর্ষণের ঘটনায় আহত হন ১৫ নেতাকর্মী।

গাজীরহাট এলাকায় বিএনপি কর্মীদের ওপর হামলার সময় আব্দুল জলিল নামে একজন কর্মী নদীতে পড়ে যান। এখনও তার কোন সন্ধান মেলেনি। খালিশপুর থানার বৈকালীতে বিএনপি অফিস পুড়িয়ে দিয়েছে সন্ত্রাসীরা।

বাস এবং লঞ্চ ধর্মঘটের কারণে দূর-দূরান্ত থেকে নেতাকর্মীরা বিকল্প ব্যবস্থাপনায় খুলনায় আসতে থাকে। তবে পথে গাড়ি আটকে রাখা, ভয়ভীতি দেখিয়ে টাকা, মোবাইলসহ অন্যান্য মূল্যবান সামগ্রী কেড়ে নেয়ার অসংখ্য অভিযোগ পাওয়া গেছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

ক্ষমতাসীন দলের ক্যাডাররা নগরীর লবনচরায় অবস্থিত মহানগর বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক মো. তারিকুল ইসলাম জহীরের আছিয়া সী ফুডে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করে। অপর একটি সন্ত্রাসী বাহিনী ২৭ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর ও নগর বিএনপির সদস্য কে এম হুমায়ুন কবিরের বাসভবনেও হামলা চালায়।

এসব ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে মহানগর ও জেলা বিএনপির নেতারা বলেছেন, রাতের অবৈধ ভোটের সরকার তার মসনদ টিকিয়ে রাখতে দলীয় ক্যাডারদের লেলিয়ে দিলেও শেষ রক্ষা করতে পারবেনা। তাদের পতন ঘণ্টা বাজছে। সেদিন অন্যায়ভাবে বিএনপির নেতাকর্মীদের ওপর হামলা নির্যাতনের প্রতিটি ঘটনার বিচার করা হবে।

বিবৃতিদাতারা হলেন মহানগর আহ্বায়ক শফিকুল আলম মনা, জেলা আহ্বায়ক আমীর এজাজ খান, সদস্য সচিব শফিকুল আলম তুহিন, মনিরুল হাসান বাপ্পী, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মো. তারিকুল ইসলাম জহীর ও আবু হোসেন বাবু।

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ