ভারতের নতুন সরকার বাংলাদেশের জনগণের প্রত্যাশাকে মর্যাদা দিবেন আশা ফখরুলের - জনতার আওয়াজ
  • আজ রাত ৩:১০, শুক্রবার, ১৫ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১লা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৮শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

ভারতের নতুন সরকার বাংলাদেশের জনগণের প্রত্যাশাকে মর্যাদা দিবেন আশা ফখরুলের

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: সোমবার, জুন ১০, ২০২৪ ২:১৪ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: সোমবার, জুন ১০, ২০২৪ ২:১৪ অপরাহ্ণ

 

জনতার আওয়াজ ডেস্ক
ভারতের নতুন সরকার বাংলাদেশের জনগণের যে প্রত্যাশা সেই প্রত্যাশাকে মর্যাদা দিবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

ভারতের নতুন সরকার প্রসঙ্গে বিএনপি মহাসচিব বলেন,’ভারতের নতুন সরকার সম্পর্কে বলার আমার একটাই কথা ভারত আমাদের প্রতিবেশী দেশ। নিঃসন্দেহে আমাদের অনেক প্রভাবশালী প্রতিবেশী দেশ। আমরা ভারতের নতুন সরকারের কাছে একটাই আশা করবো তাদের দেশে যেভাবে জনগণ তাদের প্রতিনিধি নির্বাচন করতে পারে এখনও তাদের নির্বাচন কমিশন যেভাবে স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারে তাদের বিচার বিভাগ যেভাবে কাজ করতে পারে আমরা ১৯৭১ সালে সেই লক্ষ্য নিয়ে যুদ্ধ করেছিলাম আমরা দেশে গণতন্ত্রকে সেই ভাবেই প্রতিষ্ঠিত করতে চাই। আমাদের যেটা প্রত্যাশা ভারতের নতুন সরকার বাংলাদেশের জনগণের যে প্রত্যাশা সেই প্রত্যাশাকে তারা মর্যাদা দিবেন সেই ভাবেই তারা বাংলাদেশের সাথে সম্পর্ক গড়ে তুলবেন।

সোমবার (১০ জুন) দুপুরে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের উদ্যোগে বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাতা রহমানের ৪৩ তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে আধুনিক কৃষি, অভিন্ন নদীর পানি আগ্রাসন এবং জলবায়ুর ভারসাম্যহীনতা রোধে শহীদ জিয়ার ভূমিকা শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

আওয়ামী লীগ আর আওয়ামী লীগ নেই মন্তব্য করে মির্জা ফখরুল বলেন,’গতকালকে একটি সামাজিক অনুষ্ঠানে গেছিলাম সেখানে আমার পুরানো এক ইউনিভার্সিটির বন্ধুর সাথে দেখা হয়েছিল আমি নাম বলবো না তাকে আপনারা হয়তো অনেকেই চিনে ফেলবেন সে এখন রাজনীতি থেকে দূরে আছে। সে তখন ছাত্রলীগের নেতা ছিলেন পরবর্তীকালে সে আওয়ামী লীগ করেছে এমপিও হয়েছে কিন্তু এখন প্রায় ১০-১৫ বছর ধরে সে রাজনীতি থেকে দূরে সরে আছে আমি তাকে জিজ্ঞেস করলাম তুমি রাজনীতি করছ না কেন? সে বলে যে কোন রাজনীতি করবো আমি বললাম আওয়ামীলীগ করবা। সে বলল আওয়ামী লীগ কি আওয়ামী লীগ? এটা তো এখন আজিজ আর বেনজীরের আওয়ামী লীগ। এই যে দেখুন একজন আওয়ামী লীগের নেতার উপলব্ধি। এটাই বাস্তবতা। আজকে আওয়ামী লীগ সেই আওয়ামী লীগ নেই।

বাজেট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘বাজেট নিয়ে অনেক কথা হয়েছে এদের সম্পূর্ণ বাজেটটাই হচ্ছে তাদের লুটপাটের।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘এই সরকারের খিদের শেষ নেই। সব কিছু খেয়ে ফেলছে। সরকারের লোকজন যার যা খুশি তাই করছে। এই যে একটা ভয়াবহ পরিস্থিতি চলছে দেশে। গত ১৫ বছরে আওয়ামীলীগ দেশের ৫৩ বছরের সমস্ত অর্জনগুলো ধ্বংস করে ফেলেছে। কোথাও কোন বিচার নাই,ব্যবসা করতে গেলে সরকারের লোকজনকে চাঁদা দিতে হবে। এরা পরিল্পিতভাবে দেশকে একটা ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত করতে চায়। এমন উন্নয়ন করেছে সরকার জনগণ এখন ঢাকা শহর ছেড়ে গ্রামে চলে যাচ্ছে।

ফখরুল বলেন, ‘ভোটের অধিকার কেড়ে নিয়েছে। কারও কথা বলার স্বাধীনতা নেই। দেশে পুরোপুরিভাবে একটা ফ্যাসিবাদ কায়েম করেছে। এখন আমাদের একটাই লক্ষ যেমন ভাবেই হোক এই ভয়াবহ দানব সরকারকে আন্দোলনের মধ্য দিয়ে পরাজিত করে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠাতা করা।

তিনি বলেন, ‘দেশ গভীর চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হয়েছে। একদিকে রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিক, অন্যদিকে ভৌগোলিক দিক থেকে। তিস্তার পানি নিয়ে বহু খেলা হচ্ছে। ১৫ বছর ধরে ক্ষমতায় থেকেও এখন পর্যন্ত তিস্তার পানি চুক্তি করতে পারে নাই এই সরকার। অথচ জিয়াউর রহমান তিস্তার পানির জন্য জাতিসংঘ পর্যন্ত গিয়েছিলেন।

দলের প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের স্মৃতিচারণ করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘জিয়া শুধু ক্ষণজন্মা পুরুষ ছিলেন না তিনি ছিলেন দার্শনিক। আমরা কারও সংগ্রাম কারও অবদানকে ছোট করতে চাই না। জিয়াউর রহমানকে ছোট করা মানে দেশের স্বাধীনতাকে অস্বীকার করা। আমাদের দুর্ভাগ্য আমরা তাকে বেশিদিন ধরে রাখতে পারি নাই চক্রান্তকারীরা তাকে হত্যা করেছে।

জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের সভাপতি কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিনের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম বাবুলের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় বিএনপির ভাইস-চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু, কৃষকদলের যুগ্ম-সম্পাদক কৃষিবিদ মেহেদী হাসান পলাশ, শাহাদত হোসেন বিপ্লব, সাংগঠনিক সম্পাদক দিপু হায়দার খান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ