ভারত থেকে বাংলাদেশ বিরোধী ষড়যন্ত্র করছে কারা?
নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ:
শুক্রবার, ফেব্রুয়ারি ৭, ২০২৫ ২:০৯ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ:
শুক্রবার, ফেব্রুয়ারি ৭, ২০২৫ ২:০৯ অপরাহ্ণ

জনতার আওয়াজ ডেস্ক
ভারত থেকে বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করার লক্ষ্যে ষড়যন্ত্র হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। কলকাতার একটি হোটেলে আয়োজিত এক গোপন বৈঠকে বাংলাদেশ ও ভারতের বেশ কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি জড়িত ছিলেন বলে একটি বিশেষ গোয়েন্দা সংস্থার তথ্য থেকে জানা যায়।
গত ১৫ জানুয়ারি কলকাতার হোটেল পার্ক-এ একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এই বৈঠকে বাংলাদেশ-ভারত চেম্বার অব কমার্সের সেক্রেটারি জেনারেল ও স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়ার কান্ট্রি হেড অমিত কুমার সভাপতিত্ব করেন। এছাড়া, ভারতের চিত্রপরিচালক পিযুষ কান্তি ভট্টাচার্য্যের মাধ্যমে এ বৈঠকের আয়োজন করা হয়।
সূত্র জানায়, বৈঠকে বাংলাদেশ থেকে আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের একাধিক বর্তমান ও সাবেক নেতাকর্মী, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও ব্যবসায়ী উপস্থিত ছিলেন। কিছু অংশগ্রহণকারী ভার্চুয়াল মাধ্যমেও যুক্ত ছিলেন। মিটিংয়ে স্ব-শরীরে এবং ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন আসাদুজ্জামান খান কামাল, অসীম কুমার উকিল, অধ্যাপিকা অপু উকিল, ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাট, নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন (সাবেক এমপি, ভোলা-৩), ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী, সিদ্দিকী নাজমুল আলম;
ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি আল নাহিয়ান জয়, সাদ্দাম হোসেন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য, শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান, লেদার লিটন (হাজারীবাগ আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি মৃত তোরাব আলীর ছেলে), বাংলাদেশ ভারত চেম্বার অ্যান্ড কমার্সের সুব্রত সুমন, শেখ হাসিনার ড্রাইভারের ছেলে রুবেল, চিত্রনায়িকা ও আলো আসবে গ্রুপের অ্যাডমিন সোহানা সাবা, মেহের আফরোজ শাওন (সাবেক আওয়ামী লীগের সাংসদ তহুরা আলীর কন্যা)।
অভিযোগ অনুযায়ী, এ বৈঠকে বাংলাদেশকে অকার্যকর রাষ্ট্রে পরিণত করে সরকার পতনের ষড়যন্ত্র করা হয়। পরিকল্পনার অংশ হিসেবে ঢাকাসহ সারাদেশে বিভিন্ন ইস্যুতে সহিংস আন্দোলন গড়ে তোলা, অর্থায়ন ও সাংগঠনিক কাঠামো গড়ে তোলার বিষয়ে আলোচনা হয়।
তথ্যসূত্রে জানা গেছে, পরিকল্পনা বাস্তবায়নে আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের বেশ কয়েকজন শীর্ষ নেতা দায়িত্ব পেয়েছেন।
জাহাঙ্গীর কবির নানক ও বাহাউদ্দিন নাসিম– তারা আন্দোলন ও নাশকতার সমন্বয়ক হিসেবে কাজ করবেন।
মো. রুবেল (প্রধানমন্ত্রীর ড্রাইভারের ছেলে)– প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, পুলিশ ও সেনাবাহিনীর কিছু সদস্যের সঙ্গে যোগাযোগ রাখবেন।
লেদার লিটন– ঢাকার হাজারীবাগ ও ধানমন্ডি এলাকায় নাশকতার দায়িত্ব পেয়েছেন।
তারেকুজ্জামান রাজিব ও আসিফ আহমেদ– মোহাম্মদপুর ও আশপাশের এলাকায় দায়িত্বে থাকবেন।
ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাট– মগবাজার, গুলিস্তান, বনশ্রীসহ বিভিন্ন এলাকায় সহিংসতা পরিচালনার দায়িত্ব পেয়েছেন।
চিত্রনায়িকা সোহানা সাবা ও মেহের আফরোজ শাওন– ভারতীয় কূটনৈতিকদের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা ও সাংগঠনিক সমন্বয়ের দায়িত্বে রয়েছেন।
জনতার আওয়াজ/আ আ