মধ্য রাতে কার্যালয়ে গোয়েন্দা পুলিশের অভিযান ‘সরকারের নোংরা নাটক: রিজভী - জনতার আওয়াজ
  • আজ রাত ২:১৯, শুক্রবার, ১৫ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১লা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৮শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

মধ্য রাতে কার্যালয়ে গোয়েন্দা পুলিশের অভিযান ‘সরকারের নোংরা নাটক: রিজভী

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: বুধবার, জুলাই ১৭, ২০২৪ ১:২৩ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: বুধবার, জুলাই ১৭, ২০২৪ ১:২৩ অপরাহ্ণ

 

জনতার আওয়াজ ডেস্ক
মধ্য রাতে নয়া পল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে গোয়েন্দা পুলিশের অভিযান ‘সরকারের নোংরা নাটক’ বলে অভিহিত করে এর নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী।

বুধবার (১৭ জুন) রাত একটায় ভার্চুয়ালি এক জরুরী সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

রিজভী বলেন, ‘‘এটা( পুলিশের অভিযান) সরকারের একটি নোংরা তামাশা, নোংরা নাটক। উদ্দেশ্য হচ্ছে, কোমলমতি শিক্ষার্থীদের এক ধরনের বার্তা দেয়া তারা যেন ভয় পেয়ে যায়।”

‘‘কাপুরষের মতো বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে মধ্যরাতে অভিযান চালানোর। তারা একাকী ঢুকে নাটক করেছে যে, বিএনপির কার্যালয়ের ভেতরে বিস্ফোরক আছে, লাঠিসোটা আছে ইত্যাদি। আমি সরকার ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এই ঘৃণ্য চক্রান্তের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি, আমি ঘৃণা জানাচ্ছি।”

বিএনপির এই মুখপাত্র প্রশ্ন রেখে বলেন, ‘‘বিএনপি গণমানুষের দল তারা বার বার সরকার গঠন করেছে কেনো সেই দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বিস্ফোরক থাকবে, লাঠিসোটা থাকবে? এটা আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর নোংরা চাতুর্য, মানুষের কাছে বিএনপিকে নোংরাভাবে সন্ত্রাসী দল হিসেবে চিহ্নিত করার জন্যই এই মধ্য রাতে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এই নাটকটি মঞ্চস্থ করা হয়েছে।”

‘‘আমি একটা কথাই বলতে চাই, যখন বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সকল নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলো, সকল গণমাধ্যমের সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলো তখন কেনো আপনারা এই কার্যালয়ে আসেননি। এই মধ্য রাতে কেনো আসলেন? তার মানে শূণ্য কার্যালয়ের ভেতরে যেকোনো ধরণের চক্রান্ত আটা যায়। এর আগেও আপনারা এসব নাটক করেছেন। একেবারে ভিডিওতে দেখা গেছে যে, একটা বেগের মধ্যে করে কিছু নিয়ে ঢুকছে পুলিশের লোকজন। এটা তো তারই আরেকটি ‍দৃষ্টান্ত তৈরি হয়েছে আজকে।”

অভিযানের আগে ককটেল বিস্ফোরণের কথা উল্লেখ করে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব বলেন, ‘‘অভিযান শুরুর আগে প্রথমে কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরণ হলো রাতে। আমরা তখন বেরিয়ে গেছি। তারপর কিছুক্ষণ গুলি হলো। বিএনপির কার্যালয়ে তো কেউই নেই।”

‘‘তাহলে ককটেল বিস্ফোরণটা কে করল? হয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর লোকজন করেছে না হলে আশেপাশের যুবলীগ-ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদেরকে নিয়ে করানো হয়েছে পুলিশের প্রোটেকশনে। অফিস রেট করতেই এটা (ককটেল বিস্ফোরণ, গুলি) ঘটানো হয়েছে। ওই সময়ে সেখানে অনেক আনরোলিং পারসনকে দেখা গেছে বিএনপি অফিসের আশেপাশে বিচরণ করছে। তারা কারা? হয় গোয়েন্দা বাহিনীর লোক না হয় পুলিশের ছত্রছায়ায় যুবলীগ-ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীরা।”

তিনি বলেন, ‘‘আমি সেখান থেকে জানতে পেরেছি, আমাদের যেসব অফিসের পিয়নরা ভয়ে পালিয়ে গিয়ে আশেপাশে অবস্থান করেছেন তারা যতটুকু আমাকে জানিয়েছেন সেটা এটাই যে, তারা (আইনশৃঙ্খলা বাহিনী) পূর্বের মতো একটা নাটক মঞ্চস্থ করার জন্যই বিএনপির প্রধান কার্যালয়ে তারা হানা দিয়েছে, রেট করেছে।”

‘‘আমি দৃঢ়তার সাথে বলতে চাই, এই ধরনের নোংরা চাতুর্যের আশ্রয় নিয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করা যাবে না। আজকে আওয়ামী লীগের ডামি সরকার যে অনাচার, দুঃশাসন তৈরি করেছে সেটাকে এই ধরনের নাটক দিয়ে আড়াল করতে পারবেন না। আপনাদের পতন অত্যাসন্ন। আজকে সাংবাদিকরা এত রাতে কার্যালয়ের সামনে ছুটে এসেছেন তারা এই নোংরা নাটক মঞ্চস্থ করার যে প্রচেষ্টা সরকারের পক্ষ থেকে, তার আইনশৃঙ্খলা বাহিনী করেছেন তা তারা (সাংবাদিকরা) স্বচক্ষে দেখেছেন।”

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ