মির্জা ফখরুলকে ক্ষমা চাইতে বললেন হানিফ - জনতার আওয়াজ
  • আজ রাত ১:৫৩, শুক্রবার, ১৫ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১লা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৮শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

মির্জা ফখরুলকে ক্ষমা চাইতে বললেন হানিফ

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: সোমবার, সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২২ ৯:০৯ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: সোমবার, সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২২ ৯:০৯ অপরাহ্ণ

 

‘বর্তমান বাংলাদেশের চেয়ে পাকিস্তান অনেক ভালো ছিল’ এমন বক্তব্যের জন্য বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে জাতির কাছে নিঃশর্ত ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ।

তিনি বলেছেন, মির্জা ফখরুল এই কথা বলার মধ্য দিয়ে প্রমাণ করেছেন, তিনি পাকিস্তানের আদর্শে বিশ্বাসী। এ কথার মধ্য দিয়ে তিনি ৩০ লাখ শহীদকে অপমানিত করেছেন, মুক্তিযোদ্ধাদের অপমানিত করেছেন। বাংলাদেশে পাকিস্তানের আদর্শের রাজনীতি করা যাবে না। নিঃশর্ত ক্ষমা চান, আর না হলে দেশের জনগণ আপনার পাকিস্তানপ্রীতির জবাব রাজপথে দেবে।

সোমবার (১৯ সেপ্টেম্বর) ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সূত্রাপুর থানা ও ৪২, ৪৩ ও ৪৪ নম্বর ওয়ার্ডের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে হানিফ এ কথা বলেন।

বিএনপিকে মিথ্যাচার ও অভিযোগের রাজনীতি বন্ধ করার আহ্বান জানিয়ে আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক বলেন, তাদের দলের নেতাকর্মীরা নিজেরা মারামারি করে আওয়ামী লীগের দোষ দেয়। গত কয়েকদিনে চট্টগ্রাম, বরিশাল, গাজীপুর এবং আজও পল্টনে বিএনপির নেতাকর্মীরা মারামারি করেছে। মিথ্যাচার-অভিযোগের রাজনীতি বন্ধ করুন।

আওয়ামী লীগ কোনো রাজনৈতিক দলের কর্মসূচিতে বাধা দেয় না উল্লেখ করে মাহবুবউল আলম হানিফ বলেন, বিএনপি বলে আওয়ামী লীগ তাদের কর্মসূচিতে নাকি বাধা দেয়। আমরা কাউকে বাধা দেই না। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, কোনো দলের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে বাধা না দেওয়ার জন্য। কেউ আন্দোলনের নামে রাজপথে জ্বালাও-পোড়াও করলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ব্যবস্থা নেবে। কিন্তু আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের দিকে কেউ চড়াও হলে আমাদের দায়িত্ব আছে। আপনি আক্রমণ করবেন আর আমাদের চুপচাপ বসে থাকা সমীচীন হবে না।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ হত্যা, খুনের রাজনীতি করে না। এসব অভ্যাস আপনাদের আছে। ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত বিএনপি ক্ষমতায় ছিল। তাদের শাসনামলে আওয়ামী লীগের ২৬ হাজার নেতাকর্মীকে প্রাণ দিতে হয়েছিল।

ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনের উদ্বোধন করেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু আহমেদ মন্নাফি। এতে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম, আইন সম্পাদক অ্যাডভোকেট কাজী নজিবুল্লাহ হিরু ও দফতর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ