যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের সাথে ভারসাম্যমূলক সম্পর্ক রাখা চ্যালেঞ্জিং : পররাষ্ট্রমন্ত্রী - জনতার আওয়াজ
  • আজ রাত ৪:৪৪, শুক্রবার, ১৫ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১লা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৮শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের সাথে ভারসাম্যমূলক সম্পর্ক রাখা চ্যালেঞ্জিং : পররাষ্ট্রমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: রবিবার, জানুয়ারি ২৯, ২০২৩ ৬:৫৩ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: রবিবার, জানুয়ারি ২৯, ২০২৩ ৭:৩৩ অপরাহ্ণ

 

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, দেশের ভূ-কৌশলগত অবস্থানের গুরুত্ব বিবেচনা করে বাংলাদেশ একটি ভারসাম্যপূর্ণ পররাষ্ট্রনীতি বজায় রাখবে।

তিনি বলেন, আমার চ্যালেঞ্জ হল- তিনটি দেশ, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ভারত ও চীন। এগুলো শক্তিশালী দেশ। আমাকে এই তিনটি দেশের সাথে এমনভাবে সম্পর্ক বজায় রাখতে হবে, যাতে প্রতিটি দেশের সাথে আমাদের সম্পর্ক উন্নত হতে পারে।

মোমেন বলেন, বাংলাদেশ কোনো দেশকে উপেক্ষা করতে পারে না এবং ভারত ও চীনের সাথে সম্পর্কের ক্ষেত্রে ভারসাম্যপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। তাদের সাথে ভারসাম্য বজায় রেখেই আমাদের এগিয়ে যেতে হবে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, গুরুত্বপূর্ণ ভূ-কৌশলগত অবস্থানের কারণে বাংলাদেশ আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।

এছাড়া তিনি মনে করেন, ভবিষ্যত বিশ্ব হবে এশিয়ার নেতৃত্বাধীন বিশ্ব।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরো বলেন, যুক্তরাষ্ট্র একটি ‘প্রধান শক্তি’ এবং বাংলাদেশকে যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সুসম্পর্ক বজায় রাখতে হবে।

তাছাড়া আপনারা জেনে খুশি হবেন যে আমরা ভারতের সাথে খুব ভালো সম্পর্ক গড়ে তুলেছি।

তিনি বলেন, ভারতের সাথে সম্পর্কের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ একটি ‘সোনালী অধ্যায়’ অতিক্রম করছে এবং দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য সম্পর্কও বৃদ্ধি পাচ্ছে।

মোমেন জি-২০-এর সকল বৈঠক ও শীর্ষ সম্মেলনে আমন্ত্রণের মাধ্যমে বাংলাদেশের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের জন্য ভারত সরকারকে ধন্যবাদ জানান।

পররাষ্ট্রমন্ত্রীর জি-২০ পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকে যোগ দেয়ার কথা রয়েছে, যা ১ ও ২ মার্চ ভারতের নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত হবে।

মোমেন বলেন, সব বৃহৎ শক্তির সাথে সমানভাবে সুসম্পর্ক রাখা এত সহজ নয়। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মতো একজন ‘মহান ও বাস্তববাদী নেতা’ থাকায় বাংলাদেশ এটিকে স্বাচ্ছন্দ্যে পরিচালনা করতে সৌভাগ্যবান।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী রাশিয়া, ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সাথে বাংলাদেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথাও তুলে ধরেন।

মোমেন বলেন, বাংলাদেশের তিনটি প্রধান সম্পদ রয়েছে: মানবসম্পদ, উর্বর জমি ও পানি।

তিনি বলেন, এই তিনটি সম্পদকে সঠিকভাবে কাজে লাগাতে পারলে আমরা সোনার বাংলার লক্ষ্য অর্জন করতে পারব।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বের প্রশংসা করে মোমেন বলেন, তার উন্নয়ন প্রচেষ্টার মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী বাংলাদেশের মর্যাদা বৃদ্ধি পেয়েছে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ এখন অর্থনৈতিক উন্নয়নের মডেল হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বের প্রশংসা করে মোমেন বলেন, তার উন্নয়ন প্রচেষ্টার মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী বাংলাদেশের মর্যাদা বৃদ্ধি পেয়েছে। এছাড়া বাংলাদেশ এখন অর্থনৈতিক উন্নয়নের মডেল হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

সূত্র : ইউএনবি

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ