রংপুর সিটি ও গাইবান্ধা-৫ উপনির্বাচন সুষ্ঠু হলেই নির্বাচনে অংশ নেবে জাপা - জনতার আওয়াজ
  • আজ ভোর ৫:০৪, শুক্রবার, ১৫ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১লা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৮শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

রংপুর সিটি ও গাইবান্ধা-৫ উপনির্বাচন সুষ্ঠু হলেই নির্বাচনে অংশ নেবে জাপা

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: সোমবার, ডিসেম্বর ১৯, ২০২২ ৮:১৬ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: সোমবার, ডিসেম্বর ১৯, ২০২২ ৮:১৭ অপরাহ্ণ

 

আগামী ২৭ ডিসেম্বর রংপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচন এবং ৪ জানুয়ারি গাইবান্ধা-৫ আসনের অনুষ্ঠেয় নির্বাচন সুষ্ঠু হলে পরবর্তী সব উপনির্বাচনেই অংশ নেবে জাতীয় পার্টি। তবে এ দুটি আসনের নির্বাচন সুষ্ঠু না হলে পরবর্তী উপনির্বাচনে জাপা অংশ নেবে কি না তা পরবর্তীতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন দলটির কেন্দ্রীয় নেতারা।

আজ সোমবার জাপা চেয়ারম্যানের বনানীস্থ কার্যালয়ে পার্টির কো-চেয়ারম্যান, প্রেসিডিয়াম সদস্য এবং সংসদ সদস্যদের সমন্বয়ে এক সভায় এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার বনানীস্থ কার্যালয়ে পার্টির কো-চেয়ারম্যান, প্রেসিডিয়াম সদস্য এবং সংসদ সদস্যদের সমন্বয়ে সভা অনুষ্ঠিত হয়।
নির্বাচনের আগে সংসদ ভেঙে দিয়ে সরকারের পদত্যাগ করার দাবি সিপিবির
জাপার পক্ষ থেকে জানানো হয়, মহাসচিব মো. মুজিবুল হক চুন্নু এমপির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমন্বয় সভায় সিদ্ধান্তসমূহের মধ্যে রয়েছে, নির্বাচনে দলের প্রার্থীদের সহায়তা করতে কেন্দ্র থেকে টিম পাঠানোসহ সার্বিক সহায়তা দেওয়া। এ ছাড়া আগামী ১ জানুয়ারি দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপনে ব্যাপক কর্মসূচি হাতে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, বৈঠকে সরকারের সঙ্গে সম্পর্ক রেখে রওশনের পক্ষ নেওয়ায় তোপের মুখে পড়েন ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ। তার ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন অনেকেই। জবাবে আনিস বলেন, ‘আমি সব সময় জাপার মঙ্গল চাই। চাই জি এম কাদের দলের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করুক। কিন্তু আমাকে সবাই ভুল বোঝে। এটা খুবই দুঃখজনক। আমি জাপার শত্রু নই, মিত্র।’

এরপর একজন প্রেসিডিয়াম সদস্য বলেন, দলপ্রধানের বিরুদ্ধে মামলায় জাপা মহাসচিব চুন্নু, আনিসুল ইসলাম মাহমুদ, সালমা ইসলামসহ কাজী ফিরোজ রশীদ এক দিনও আদালতের বারান্দায় যাননি। অথচ তারা প্রত্যেকেই আইন পেশায় নিয়োজিত। তারা দলীয় পরিচয় দিয়ে চলেন। সংসদ সদস্য হন। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বৈঠকে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় হয়।

শীর্ষ নেতৃত্বে কোন্দল নিয়েও আলোচনা হয় বৈঠকে। অধিকাংশ নেতারা মনে করেন, রওশন ও জি এম কাদেরের মধ্যে আলোচনাসাপেক্ষে সব সংকট নিরসন সম্ভব। তবে কয়েকজন নেতা দ্রুত সমাধানের ইঙ্গিত দিয়েছেন। আগামী এক জানুয়ারি জাপার প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে কাকরাইলস্থ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে সমাবেশ করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। আগামী ২২ ডিসেম্বর এ ব্যাপারে আরেকটি বৈঠক ডাকা হয়েছে।

বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন- দলের সিনিয়র কো চেয়ারম্যান-আনিসুল ইসলাম মাহমুদ এমপি, এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার, কাজী ফিরোজ রশীদ, সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা, অ্যাডভোকেট সালমা ইসলাম, প্রেসিডিয়াম সদস্য মো. আবুল কাশেম, হাফিজ উদ্দিন আহমেদ, গোলাম কিবরিয়া টিপু, শেখ মুহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম, ফখরুল ইমাম, সৈয়দ মোহাম্মদ আব্দুল মান্নান, সুনীল শুভরায়, মীর আব্দুস সবুর আসুদ, হাজী সাইফুদ্দিন আহমেদ মিলন, এ.টি.ইউ. তাজ রহমান, নাসরিন জাহান রতনা, শফিকুল ইসলাম সেন্টু, লে. জানারেল মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী এমপি (অব.), নাজমা আখতার এমপি, আলমগীর সিকদার লোটন, মেজর (অব.) রানা মোহাম্মদ সোহেল, শেরীফা কাদের ও রওশন আরা মান্নান এমপি।

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ