শিল্পপ্রতিষ্ঠান হিসেবে দাবি করা গণমাধ্যমকে রাষ্ট্রের নীতিমালা মানতে হবে’ - জনতার আওয়াজ
  • আজ রাত ২:০৯, বুধবার, ১৭ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৩রা আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২রা মহর্‌রম, ১৪৪৮ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

শিল্পপ্রতিষ্ঠান হিসেবে দাবি করা গণমাধ্যমকে রাষ্ট্রের নীতিমালা মানতে হবে’

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: মঙ্গলবার, জুন ১৬, ২০২৬ ৫:০৯ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: মঙ্গলবার, জুন ১৬, ২০২৬ ৫:০৯ অপরাহ্ণ

 

জনতার আওয়াজ ডেস্ক
ছবিঃ সংগৃহীত
সাংবাদিকদের পেশাগত মর্যাদা রক্ষায় সরকার কাজ করছে জানিয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, “এই বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীও প্রতিনিয়ত কাজ করছেন। আগামী ১৮ জুন ন্যাশনাল অ্যাকশন কমিটির সঙ্গে মতবিনিময় সভা করবেন। আশা করি সাংবাদিকদের সংকট সমাধানের পথ বের হবে।” শিল্পপ্রতিষ্ঠান হিসেবে দাবি করা গণমাধ্যমকে রাষ্ট্রের নীতিমালা মানতে হবে বলে বলেও জানান মন্ত্রী।

মঙ্গলবার (১৬ জুন) জাতীয় প্রেসক্লাবে সংবাদপত্রের কালো দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন ও ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের যৌথ উদ্যোগে আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন (ডিইউজে) সভাপতি শহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বিএনপি মহাসচিব ও এলজিআরডি মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের মহাসচিব কাদের গনি চৌধুরী।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, “১৯৭৫ সালে তৎকালীন একদলীয় শাসন ছিল। তখন সংবাদপত্রের মূল চেতনাকে হত্যা করা হয়।” তিনি সংবাদপত্রের নিষিদ্ধের ইতিহাস তুলে ধরে বলেন, “তখন সংবাদপত্র ও গণতন্ত্র ছিল চ্যালেঞ্জ।”

তিনি বলেন, “এখন আবার সাংবাদিকতা ও সংবাদপত্রের কালো পরিবেশ একাকার হয়ে গেছে। কোনও কোনও ক্ষেত্রে এখনও প্রকৃত স্বাধীনতা নেই। এই প্রযুক্তির মাধ্যমে সামাজিকমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর সংবাদ ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। তাই ৫০ বছরের আগের ইতিহাসের পাশাপাশি এখনকার পরিস্থিতি নিয়েও এগিয়ে যেতে হবে।”

জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, “প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গণতন্ত্রকে মানদণ্ড হিসেবে প্রতিষ্ঠার কথা বলেছেন। তিনি ফ্যাসিবাদের নাভিশ্বাসের ওপর দাঁড়িয়ে ৩১ দফার ভিত্তিকে দেশ চালানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। ইতোমধ্যে গণমাধ্যমের বিভিন্ন পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করেছেন। তবে মালিক যদি সঠিক পরিবেশ ও বেতন না দেয়, সেখানে রাষ্ট্রের কিছু করার থাকে না।”

তিনি বলেন, “কেউ নতুন করে ফ্যাসিবাদ হতে হওয়ার আগে পালিয়ে যাওয়া ফ্যাসিবাদের শিখন্ডি পাঠ করতে হবে। সেখান থেকেও কিছু শেখা যাবে। তথ্য মন্ত্রণালয় হচ্ছে নীতিমূলক শাখা। গণমাধ্যমের ভূমিকা দেশের সব মানুষের জন্য। আর নাগরিক সাংবাদিকদের পাশ কাটানোরও কোনও সুযোগ নেই। এখনকার নতুন সংযোজন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা। তবে এর অপপ্রয়োগ যাতে না হয়, সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। যেই গণমাধ্যম নিজেদেরকে শিল্পপ্রতিষ্ঠান হিসেবে দাবি করবে, তাদেরকে অবশ্যই রাষ্ট্রের নীতিমালা মানতে হবে।”

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ