সংবাদকর্মীদের স্বার্থ রক্ষায় কাজ করবে জামায়াত: গোলাম পরওয়ার - জনতার আওয়াজ
  • আজ রাত ১১:৪৪, মঙ্গলবার, ১৬ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২রা আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১লা মহর্‌রম, ১৪৪৮ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

সংবাদকর্মীদের স্বার্থ রক্ষায় কাজ করবে জামায়াত: গোলাম পরওয়ার

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: মঙ্গলবার, জুন ১৬, ২০২৬ ৫:০৫ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: মঙ্গলবার, জুন ১৬, ২০২৬ ৫:০৫ অপরাহ্ণ

 

জনতার আওয়াজ ডেস্ক
ছবিঃ সংগৃহীত
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, সংবাদপত্রের উৎকর্ষ ও সংবাদকর্মীদের স্বার্থরক্ষায় কাজ করবে তার দল।

মঙ্গলবার (১৬ জুন) সংবাদপত্রের কালো দিবস উপলক্ষে গণমাধ্যমে পাঠানো বিবৃতিতে তিনি এসব কথা বলেন।

জামায়াত সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, জনগণ ভোট দিয়ে জামায়াতকে সরকার গঠনের সুযোগ দিলে দেশে বাক-স্বাধীনতা রক্ষা, সংবাদপত্রের উৎকর্ষ সাধন এবং সংবাদকর্মীদের স্বার্থরক্ষায় নিরলসভাবে কাজ করে যাবে।

তিনি বলেন, ১৯৭৫ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি তৎকালীন সরকার দেশে একদলীয় শাসন কায়েমের লক্ষ্যে বাকশাল গঠন করে গণতন্ত্রকে নির্বাসনে পাঠিয়েছিল। এরই ধারাবাহিকতায় ওই বছরের ১৬ জুন মাত্র চারটি সংবাদপত্র (দৈনিক বাংলা, বাংলাদেশ টাইমস, ইত্তেফাক ও বাংলাদেশ অবজারভার) সরকারি নিয়ন্ত্রণে রেখে বাকি সব সংবাদপত্রের প্রকাশনা বাতিল করা হয়। এর মাধ্যমে সংবাদপত্র ও মানুষের মত প্রকাশের স্বাধীনতা হরণ করা হয়েছিল, যা বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি কালো দিন হিসেবে চিহ্নিত।

তিনি বলেন, সে সময় হাজার হাজার সাংবাদিক ও সংবাদকর্মী বেকার হয়ে পড়েছিলেন। বেকারত্বের অভিশাপ মাথায় নিয়ে তাদের পরিবার-পরিজনকে চরম অনাহার ও অমানবিক কষ্টের মুখোমুখি হতে হয়েছিল।

আওয়ামী লীগের সমালোচনা করে তিনি বলেন, ২০০৯ সালে ক্ষমতায় আসার পর শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন ফ্যাসিস্ট সরকারও গণমাধ্যমের ওপর দমন-নিপীড়ন অব্যাহত রাখে। তাদের ১৫ বছরের শাসনামলে দৈনিক আমার দেশ, চ্যানেল ওয়ান, দিগন্ত টেলিভিশন, সিএসবি টিভি, ইসলামিক টিভির সম্প্রচার এবং বহু অনলাইন নিউজ পোর্টাল অন্যায়ভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়। এতে আবারও হাজার হাজার সংবাদকর্মী কর্মহীন হয়ে পড়েন।

বিবৃতিতে পরওয়ার বলেন, সাংবাদিকদের কণ্ঠরোধ করতে ২০১৮ সালের অক্টোবরে নিবর্তনমূলক ‘ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন’ প্রণয়ন করা হয়েছিল। দেশি-বিদেশি ও আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোর চাপের মুখে সরকার ২০২৩ সালে আইওয়াশ হিসেবে নাম পরিবর্তন করে ‘সাইবার নিরাপত্তা আইন-২০২৩’ নামে আরেকটি কালাকানুন তৈরি করে। এই আইনের মাধ্যমে বহু সাংবাদিক ও মুক্তচিন্তার মানুষকে বছরের পর বছর বিনাবিচারে জেলে আটকে রেখে হয়রানি করা হয়েছে।

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, গত অন্তর্বর্তী সরকার এই কালো আইনের বিতর্কিত ধারাগুলো বাতিল করেছে এবং বন্ধ হওয়া দৈনিক আমার দেশ, দিগন্ত টিভি, চ্যানেল ওয়ান, সিএসবি ও ইসলামিক টিভি চালুর অনুমতি দিয়েছে, যা একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ।

আধুনিক বিশ্বে সংবাদপত্রকে রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ উল্লেখ করে তিনি বলেন, দেশবাসীর প্রত্যাশা সংবাদপত্র ও গণমাধ্যমের সাথে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা দেশের গণতন্ত্র রক্ষায় গঠনমূলক ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করবেন।

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ