সরকার একটি ত্রাসের সংস্কৃতি চালু করেছে : মির্জা ফখরুল - জনতার আওয়াজ
  • আজ রাত ১২:৩৪, শুক্রবার, ১৫ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১লা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৮শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

সরকার একটি ত্রাসের সংস্কৃতি চালু করেছে : মির্জা ফখরুল

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: সোমবার, মার্চ ২৭, ২০২৩ ৮:২৮ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: সোমবার, মার্চ ২৭, ২০২৩ ৮:২৮ অপরাহ্ণ

 

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, বর্তমান সরকার শুধুমাত্র নিজেদেরকে ক্ষমতায় টিকিয়ে রাখার জন্য হত্যা, গুম, খুন, মিথ্যা মামলা দিয়ে একটি ভয়ের সংস্কৃতি চালু করেছে, একটি ত্রাসের সংস্কৃতি চালু করেছে। এভাবেই তারা আজকে দেশকে শাসন করতে চায়।

সোমবার (২৭ মার্চ) রাজধানীর লেডিস ক্লাবে বিশিষ্ট নাগরিক ও পেশাজীবি নেতাদের সম্মানে আয়োজিত ইফতার মাহফিলে তিনি এসব কথা বলেন।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, নওগাঁ এক নারীকে র‌্যাব তুলে নিয়ে গেছে।‌ তুলে নেয়ার ৩৬ ঘণ্টায় পরে মারা গেছে। তার ডাক্তারি রিপোর্টে এসেছে মস্তিষ্কে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের ফলে তার মৃত্যু হয়েছে এবং তার মাথায় আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে। ৩৬ ঘণ্টার মধ্যে যে এফআইআর করা হয়নি, সেটা পরে করা হয়েছে। অর্থাৎ আবার র‌্যাব হাতে সাধারণ একজন মানুষ, যিনি সরকারি চাকরি করেন তার মৃত্যু হলো।

তিনি বলেন, দেশের মারাত্মক অশান্তি বিরাজ করছে, মানুষ নিরাপদ বোধ করছে না। আমাদের গণতান্ত্রিক অধিকারগুলো এই ফ্যাসবাদী সরকার কেড়ে নিয়েছে।

দেশে এমন একটি অবস্থা বিরাজ করছে মন্তব্য করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, দেশের মানুষ ভালোভাবে ইবাদত পর্যন্ত করবে পারছে না, মানুষ নিরাপদ বোধ করছে না। জিনিস দাম বাড়ছে বৃদ্ধি, সব জিনিসের দাম বেড়ে গেছে।

তিনি সবাইকে এ সরকারের অন্যায়ে বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ায় আহ্বান জানিয়ে বলেন, আজকের এই শাসক অত্যাচার-নির্যাতনকারী, তাদের অবসরণের জন্য আল্লাহতালার কাছে অবশ্যই দোয়া চাইতে হবে।

বিএনপির প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানির পরিচালনায় বক্তব্য দেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। দোয়া পরিচালনা করেন ওলামা দলের আহ্বায়ক মাওলানা শাহ মোহাম্মদ নেছারুল হক।

মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন পেশাজীবীদের মধ্যে অধ্যাপক ড. মাহবুব উল্লাহ, অধ্যাপক দিলারা চৌধুরী, কবি আবদুল হাই শিকদার, রুহুল আমিন গাজী, এম এ আজিজ, সৈয়দ আবদাল আহমদ, ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, ডা. সিরাজ উদ্দিন আহমেদ, ডা. মো: আবদুল কুদ্দুস, কাদের গণি চৌধুরী, অধ্যাপক ডা. হারুন আল রশিদ, ডা. মোসাদ্দেক হোসেন বিশ্বাস ডাম্বেল, ডা. মো: আবদুস সালাম, ডা. জহিরুল ইসলাম শাকিল, ডা. রফিকুল ইসলাম, অধ্যাপক শহীদুর রহমান, অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম, অধ্যাপক লুৎফর রহমান, অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ছিদ্দিকুর রহমান খান, অধ্যাপক সেলিম ভুঁইয়া, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মো: নুরুল ইসলাম, অধ্যাপক শামসুল আলম, অধ্যাপক এনামুল পারভেজ, অধ্যাপক আব্দুল হালিম, অধ্যাপক আমির হোসেন ভূঁইয়া, ড. বোরহান উদ্দিন, ড. আব্দুর রহমান, সাংবাদিক ইলিয়াস খান, শফিকুল ইসলাম, তৌহিদুল ইসলাম মিন্টু, ফরিদ আহমেদ, আমিরুল ইসলাম কাগজী, সাহাবুদ্দিন চৌধুরী, সাংবাদিক নেতা এম আবদুল্লাহ, নুরুল আমিন রোকন, মুরসালিন নুমানী, খুরশিদ আলম।

বিএনপি নেতাদের মধ্যে বেগম সেলিমা রহমান, অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন, মো: আবদুস সালাম, অধ্যাপক ড. শাহিদা রফিক, প্রকৌশলী রিয়াজুল ইসলাম রিজু, প্রকৌশলী আশরাফ উদ্দিন বকুল, ফরহাদ হোসেন আজাদ, ডা. পারভেজ রেজা কাকন, আবু নাসের মুহাম্মদ রহমাতুল্লাহ, প্রকৌশলী ইশরাক হোসেন, প্রকৌশলী এ কে এম আসাদুজ্জামান চুন্নু, শামসুদ্দিন দিদার ও শায়রুল কবির খান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ