সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মাহমুদুল হাসানের জানাজা সম্পন্ন
নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ:
বৃহস্পতিবার, জানুয়ারি ১, ২০২৬ ৫:২১ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ:
বৃহস্পতিবার, জানুয়ারি ১, ২০২৬ ৫:২১ অপরাহ্ণ

জনতার আওয়াজ ডেস্ক
ছবি: সংগৃহীত
সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) মাহমুদুল হাসানের জানাজা নামাজ সম্পন্ন হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) দুপুরে টাঙ্গাইল শহরের বিন্দুবাসীনি বালক উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।
জানাজায় বিএনপির শীর্ষ নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা, জনপ্রতিনিধি ও সর্বস্তরের মানুষ অংশ নেন।
এর আগে বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে ঢাকার গুলশানে নিজ বাসভবনে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে তিনি ইন্তেকাল করেন। মৃত্যুকালে তিনি এক ছেলে ও এক মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
মেজর জেনারেল (অব.) মাহমুদুল হাসান ছিলেন সাবেক মন্ত্রী ও সংসদ সদস্য। তিনি একজন শিক্ষানুরাগী এবং টাঙ্গাইলের উন্নয়নের অন্যতম রূপকার হিসেবে পরিচিত ছিলেন। ‘আধুনিক টাঙ্গাইলের স্থপতি’ হিসেবে খ্যাত এই নেতা ঢাকার সৌন্দর্য বিনির্মাণেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। জনগণের অকৃত্রিম বন্ধু হিসেবে তার পরিচিতি ছিল সর্বত্র। অসাধারণ মেধা, নেতৃত্বগুণ ও দেশপ্রেমের কারণে তিনি টাঙ্গাইলসহ সারা দেশে সম্মানিত ব্যক্তিত্বে পরিণত হন।
তিনি ১ মার্চ ১৯৩৬ টাঙ্গাইল সদর উপজেলার মাকোরকোল গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পূর্বপুরুষদের আদি নিবাস ছিল দেলদুয়ার উপজেলার মুশুরিয়া গ্রামে। পরবর্তীতে তার দাদা জয়েন উদ্দিন শিকদার ব্রিটিশ জাহাজে চাকরির সুবাদে প্রাপ্ত জমিতে মাকোরকোলে বসতি স্থাপন করেন এবং সেখানেই পরিবারটির স্থায়ী আবাস গড়ে ওঠে। তার বাবা আসিম উদ্দিন ছিলেন এলাকার একজন অত্যন্ত সম্মানিত ব্যক্তি।
শিক্ষাজীবনে তিনি (১৯৫৬) সালে বিজ্ঞানে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। পরবর্তীতে তিনি ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ডিগ্রি লাভ করেন। কর্মজীবনের শুরুতে (১৩ জুন ১৯৫৯) তিনি পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে কমিশনপ্রাপ্ত হয়ে ইঞ্জিনিয়ারিং কোরে যোগ দেন। সামরিক জীবনে তিনি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া ১৯৬৫ সালের পাক ভারত যুদ্ধে কাশ্মীরের আখনুর সেক্টরে তিনি সক্রিয় ভূমিকা রাখেন।
জনতার আওয়াজ/আ আ