সিরাজদিখানে বাসাইল ইউপি সদস্যদের পাঁচ বছরের বকেয়া ভাতা বাকীঃ পাওনা চাইলেই গালিগালাজ ও মারধরের হুমকি – জনতার আওয়াজ
  • আজ বিকাল ৪:৫১, মঙ্গলবার, ৬ই ডিসেম্বর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, ২১শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৪ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

সিরাজদিখানে বাসাইল ইউপি সদস্যদের পাঁচ বছরের বকেয়া ভাতা বাকীঃ পাওনা চাইলেই গালিগালাজ ও মারধরের হুমকি

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: শনিবার, সেপ্টেম্বর ১০, ২০২২ ১১:৩১ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: শনিবার, সেপ্টেম্বর ১০, ২০২২ ১১:৩১ অপরাহ্ণ

 

ওয়াসীম আকরাম

বিগত ৫ বছরের ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যদের বকেয়া সম্মানী ভাতা ও ইউনিয়নের উন্নয়নমূলক প্রকল্পের কাজ করতে চাইলে গালিগালাজ ও মারধরের হুমকি দিচ্ছে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান। এমনকি মেম্বারদের বিভিন্ন প্রজেক্টের কাজ পেতে হলে চেয়ারম্যানকে কাজের পূর্বেই নির্দিষ্ট অংকের পারসেন্টেন্স (ঘুষ) প্রদান ও ক্ষমতার অপব্যবহার করাসহ বিভিন্ন ধরনের অভিযোগ উঠেছে। এ নিয়ে ইউনিয়নের চেয়ারম্যান, পরিষদের সদস্য ও এলাকাবাসীর মধ্যে চরম অসন্তোষ বিরাজ করছে। ঘটনাটি ঘটছে মুন্সীগঞ্জ জেলার সিরাজদিখান উপজেলার বাসাইল ইউনিয়ন পরিষদে। এ ব্যাপারে ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যগন সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বরাবর একাধিকবার লিখিত অভিযোগ করেছেন বলে জানা যায়।
বাসাইল ইউনিয়ন পরিষদ সূত্রে জানা যায় যে, পরিষদের মোট ১২ জন সদস্যের মধ্যে ৮ সদস্যর ৫ বছরের ও ৩ সদস্যর ৪ বছরের ও ১ সদস্যর ২ বছরের মাসিক সম্মানি ভাতার টাকা বকেয়া রয়েছে। প্রতি সদস্যর মাসিক সম্মানী ভাতা ৪ হাজার ৪ শত টাকা। এ টাকা ইউনিয়ন পরিষদের হোল্ডিং টেক্স এর ফান্ড হতে দেয়ার কথা। সদস্যদের অভিযোগ চেয়ারম্যান হোল্ডিং টেক্স আদায় করে মেম্বারদের সম্মানী ভাতা প্রদান না করে আত্মসাত করেছে।
এ ব্যাপারে বাসাইল ইউনিয়ন পরিষদের ৭ নং ওয়ার্ডের সদস্য মোঃ আইয়ুব খান জানান, বকেয়া ভাতা চাইলে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ সাইফুল ইসলাম মেম্বারদের গালিগালাজ ও মারধর করার হুমকি প্রদান করে। এমনকি মেম্বারগন বিভিন্ন প্রকল্পের কাজ করতে হলে চেয়ারম্যানকে অগ্রিম ১০% টাকা ঘুষ হিসাবে অগ্রিম প্রদান করতে হয়। যে মেম্বার টাকা প্রদান না করবে তাকে কাজ দেয়া হয়না। তিনি আরো বলেন, বিগত কয়েক বছর যাবত আমি ঘুষ প্রদান করিনা বলে আমার ওয়ার্ডে কোন উন্নয়নমূলক কাজ দেয়া হয় না। এ ছাড়াও চেয়ারম্যানের বিরুদ্বে ভূয়া ওয়ারিশ সার্টিফিকেট প্রদান, ওয়ারিশ সনদ প্রদানে অর্থ আদায়সহ বিভিন্ন ধরনের অভিযোগ রয়েছে। এ ব্যাপারে আমিসহ পরিষদের অন্যান্য সদস্যগন সংশ্লিষ্ট উধ্বর্তন কর্তৃপক্ষ বরাবর একাধিকবার লিখিত অভিযোগ করেও কোন প্রতিকার পাচ্ছিনা।
এব্যাপারে বাসাইল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, “সাংবাদিকরা আমার বিরুদ্বে লেখালেখি করলে কি হবে? এর সমাধান কি পত্রিকা অফিস দিতে পারবে? সরকারী টাকা আত্মসাৎ করলেতো সরকারই আমাকে ধরত”।

Print Friendly, PDF & Email
 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ

Social Media Auto Publish Powered By : XYZScripts.com
Social Media Auto Publish Powered By : XYZScripts.com