সুস্থ ধারার রাজনীতি বাংলাদেশে চলমান নেই, বিদ্যমান নেই : শামা ওবায়েদ
নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ:
রবিবার, এপ্রিল ২, ২০২৩ ৭:৩৬ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ:
রবিবার, এপ্রিল ২, ২০২৩ ৭:৩৬ অপরাহ্ণ

ডেস্ক নিউজ
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে বেশ জোরেশোরে চলছে কূটনৈতিক তৎপরতা। দেশের প্রধান দুই রাজনৈতিক দলের নেতারাই কূটনীতিকদের নিয়মিত বৈঠক, সৌজন্য সাক্ষাৎ, নৈশভোজে অংশ নিচ্ছেন। বিএনপি রমজানের মধ্যেও তাদের কূটনৈতিক তৎপরতা অব্যাহত রেখেছে। এটা নিয়ে বিভিন্ন গুঞ্জনও ছড়াচ্ছে। তাহলে দেশের রাজনীতি কি এখন কূটনীতিক পাড়ামুখী? বিএনপিই বা কোন পথে হাঁটছে?
সার্বিক বিষয়ে কথা বলেছেন বিএনপির বিদেশ বিষয়ক কমিটির সদস্য শামা ওবায়েদ। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন খালিদ হোসেন।
রাজনৈতিক দলগুলোর নেতারা যেভাবে বিদেশি কূটনীতিকদের সঙ্গে বৈঠক করছেন তাতে বলা যায় কি না দেশের রাজনীতি এখন কূটনীতিক পাড়ামুখী?
শামা ওবায়েদ: আওয়ামী লীগই তো বাংলাদেশে পলিটিক্স রাখেনি। আমি মনে করি সুস্থ ধারার রাজনীতি বাংলাদেশে চলমান নেই, বিদ্যমান নেই। যেহেতু গণতন্ত্র নেই মানুষ কথা বলতে পারে না। মেপে মেপে কথা বলতে হয়। সেক্ষেত্রে বিরোধীদলীয় মতের স্পেসটা সংকুচিত হয়ে আসছে। রাজনীতি কূটনীতি পাড়ামুখী- এটা আমি মনে করি না। কারণ রাজনীতি চলমান প্রক্রিয়া। বিএনপির মতো একটা বড় দল, যে দল এতবার রাষ্ট্রের দায়িত্বে ছিল, সরকারের দায়িত্বে ছিল, যারা ডেভেলপমেন্ট পার্টনার আছেন, যারা আমাদের প্রতিবেশী আছেন তারা তো কথা বলবেন।
বিএনপি সম্পর্কে জানতে চাইবেন, বিএনপির পরিকল্পনা, রাজনৈতিক ভাবনা, আগামী দিনে বিএনপি কী করতে চায় এটা তারা জানতে চায়। সুতরাং, বিএনপির সঙ্গে তারা কথা বলবে এটাই স্বাভাবিক। যেভাবে তারা সরকারের সঙ্গে কথা বলে, আওয়ামী লীগের সঙ্গে কথা বলে। জাতীয় পার্টিসহ অন্য দলগুলোর সঙ্গেও কিন্তু কথা বলে। বিএনপির সঙ্গে কথা বলার আরেকটি প্রধান কারণ চারবারের প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া কারাগারে। তারা জানতে চায়, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে এখন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল সুসংগঠিতভাবে এগোচ্ছে কি না।
একটি শান্তিপূর্ণ আন্দোলন কিন্তু আমরা করে আসছি। সাকসেসফুলি সাধারণ জনগণকে আমরা সম্পৃক্ত করতে পেরেছি। যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, ভারত, রাশিয়া, চীন- আপনি যে দেশই বলেন না কেন তারা বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের ভাবনা জানতে চায়। আমাদের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে ২৭ দফা দিয়েছি। তারা জানতে চায় এটা কীভাবে বাস্তবায়ন হবে। বিভিন্ন কারণে তারা বিএনপির সঙ্গে কথা বলছে।
২০১৮ সালে যে তথাকথিত নির্বাচন হয়েছিল, সে ধরনের প্রজেক্ট টাইপের একটা নির্বাচন তারা করার পরিকল্পনা করছে। এরই মধ্যে আমরা সেটার আলামত দেখতে পাচ্ছি। আমাদের দলের সব পর্যায়ের নেতাকর্মীদের হাজিরা দিতে গেলেও গ্রেফতার করা হচ্ছে নতুন নতুন মামলা দেওয়া হচ্ছে। শোনা যাচ্ছে, রোজার পর মিথ্যা মামলা দিয়ে আরও বেশি ধরপাকড় শুরু করবে। এই জিনিসগুলো ভালো আলামত নয়, এগুলো গণতান্ত্রিক পরিবেশের আলামত নয়।
সুতরাং, অবশ্যই বিএনপি মাঠে আছে, আন্দোলন আরও বেগবান হবে। একই সঙ্গে বিএনপি কূটনীতিকদের কাছে যায় না, কূটনৈতিকভাবে তারা বিএনপির কাছে আসে। বিএনপির কথা জানতে চায়। যেভাবে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আওয়ামী লীগের প্রতিনিধি দল কথা বলছে, এটাকে আমি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া মনে করি।
বিদেশি কূটনীতিকদের সঙ্গে প্রধান দুই রাজনৈতিক দলের নেতাদের তৎপরতা নিয়ে মানুষের মধ্যে ধারণা হতে পারে কি না যে আওয়ামী লীগ এবং বিএনপি সুপার পাওয়ারদের আস্থা অর্জনের চেষ্টা করছে? সে হিসেবে জানতে চাই বিদেশিরা আপনাদের আস্থা অর্জন করতে পেরেছে কি না বা আপনারা তাদের মন জয় করতে পেরেছেন কি না?
শামা ওবায়েদ: এখানে মন জয়ের কোনো ব্যাপার নেই। মার্কিন প্রতিবেদন যদি আপনি পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে দেখেন, সেখানে বাংলাদেশের মানবাধিকার, গণতান্ত্রিক অবস্থা সব পরিষ্কারভাবে দেওয়া আছে। বাংলাদেশের গণতন্ত্রের কী অবস্থা? মানবাধিকারের কী অবস্থা? এটা বোঝার জন্য রিপোর্ট দেখার প্রয়োজন হয় না। গত ১৬ বছর আওয়ামী লীগের শাসনামলে গুম হচ্ছে, খুন হচ্ছে, মিথ্যা মামলা হচ্ছে, একটা ভয়ের সংস্কৃতি তৈরি করা হয়েছে বাংলাদেশে। এগুলো দেখার জন্য রিপোর্টের প্রয়োজন হয় না।
আওয়ামী লীগ বলছে বিএনপি লবিস্ট নিয়োগ করছে। কিন্তু একই সময় যুক্তরাষ্ট্রের কাছে গিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের কথা বলেছেন। আমি বিএনপির ফরেন কমিটির একজন মেম্বার, আমরা ওদের সঙ্গে কথা বলবো, ওরা আমাদের সঙ্গে কথা বলবে এবং আমি আবারও বলছি যেহেতু নির্বাচনের বছর তারা জানতে চায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের পরিকল্পনাটা কী? দ্বিতীয়ত তারা জানতে চায়, বিএনপি যদি আগামীতে সরকার গঠন করে তাহলে কী কী সংস্কার করবে? এখন যেগুলো চলছে এগুলো থেকে পরিত্রাণ পেতে বিএনপি কী করবে?
দুর্নীতির কথা তো সবাই জানে, বিশেষ করে দুর্নীতির ব্যাপারে আমাদের যারা উন্নয়ন অংশীদার আছেন তারা বেশি সজাগ। বিশ্বব্যাংক, আইএমএফ বাংলাদেশের রাজনীতি নিয়ে বিচলিত। কারণ তারা নিজেদের স্বার্থে একটি গণতান্ত্রিক সরকার দেখতে চায়। যেটা এখন বিদ্যমান নয়। সেজন্য তারা বিএনপির সঙ্গে কথা বলে, অন্য দলের সঙ্গে কথা বলে। আমাদের অবস্থান পরিষ্কার, আওয়ামী লীগ বা কোনো রাজনৈতিক দলের অধীনে নির্বাচন সুষ্ঠু হয় না এটা প্রমাণিত। সুতরাং, আমরা এমন একটা নির্দলীয় সরকার ব্যবস্থা চাচ্ছি যেখানে সব দল, স্টেকহোল্ডাররা নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পারবে।
ভারতসহ বিদেশিদের সঙ্গে আপনারা কথা বলছেন। তারা কোনো পরামর্শ দিচ্ছে কি না আপনাদের?
শামা ওবায়েদ: ভারতসহ বিদেশিরা অফিসিয়ালি যেটা বলছে, সেটাই আমাদের বলছে, তারা অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন দেখতে চায়। কিন্তু আমরা বলছি, অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন তো ২০১৮ সালে হয়েছে। সবাই অংশগ্রহণ করেছে, তারপর আবার দিনের ভোট রাতে হয়েছে। আমরা বলি, এমন একটা নির্বাচন ব্যবস্থা প্রয়োজন যেখানে সব দল ক্যাম্পেইন করতে পারবে, লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি হবে।
মানুষের মধ্যে ধারণা বিএনপির সঙ্গে ভারতের দূরত্ব রয়েছে। ভারত-বিএনপির সম্পর্কের বর্তমান পরিস্থিতি কেমন?
শামা ওবায়েদ: বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের ফরেন পলিসি খুব পরিষ্কার। রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময় থেকে যে বিদেশনীতি আমাদের ছিল সেটা এখনো বিরাজমান। কোনো দেশের সঙ্গে বৈরিতায় যাওয়ার প্রশ্নই ওঠে না। বিএনপি শতভাগ পিপল টু পিপল রিলেশনশিপে বিশ্বাস করে, কান্ট্রি টু কান্ট্রি রিলেশনশিপে বিশ্বাস করে। বলতে গেলে ভারত ঘিরে আছে বাংলাদেশকে। ভারত-বাংলাদেশ প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ যাতায়াত করছে। আমাদের পিপল টু পিপল রিলেশনশিপে কোনো সমস্যা নেই। এখান থেকে চিকিৎসার জন্য যায়, ভারত থেকে ব্যবসা করতে আসে। সেটা তো কোনো সমস্যা নয়। ভারত সরকারের পলিসি নিয়ে অনেক সময় কথা বলা যেতে পারে, সেটা দ্বিপাক্ষিক একটা সম্পর্কের ব্যাপার।
২০১৩ সালের নির্বাচন নিয়ে ভারতের বিরুদ্ধে আপনাদের অবস্থান ছিল…
শামা ওবায়েদ: এখনো বলছি, এখনো করছি। তৎকালীন সময়ে কংগ্রেস সরকার ছিল। তৎকালীন ফরেন সেক্রেটারি সুজাতা সিং এসে যেটা করেন সেটা অবশ্যই একটা আন-ডিপ্লোম্যাটিক কাজ। আমি বলতে চাই আওয়ামী লীগ এই ধারণা সৃষ্টি করেছে। আওয়ামী লীগের জনগণের সাপোর্ট নেই। সুতরাং, কারও না কারও সাপোর্ট দরকার। এখন তো অনেকে বলছে আওয়ামী লীগ চায়নামুখী হয়ে গেছে, চায়নার পেটের মধ্যে ঢুকে যাচ্ছে। এরকম কথাও কিন্তু বিভিন্ন জায়গায় শোনা যায়।
বাস্তবতা হচ্ছে আওয়ামী লীগ এ ধারণা তৈরি করতে চায়, মানুষকে বোঝাতে চায় ভারতের সঙ্গে বিএনপির সম্পর্ক খারাপ। সম্পর্ক খারাপের কোনো কারণ নেই। জিয়াউর রহমান যখন রাষ্ট্রপতি হন উনি ভারত সফর করেছেন, ওনার সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক ভালো ছিল। ভারতের বিরুদ্ধে একটি কথাও বলেননি তিনি। যখন দেশের স্বার্থবিরোধী কোনো কাজ হয়েছে তখন খালেদা জিয়া কথা বলেছেন।
:ভারতের তৎকালীন রাষ্ট্রপতির সঙ্গে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া কথা বলেননি।
শামা ওবায়েদ: সেটা পরিষ্কার ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে, কেন তিনি দেখা করতে পারেননি। খালেদা জিয়া বিরোধীদলীয় নেতা থাকা অবস্থায় ভারত সফর করেছেন, ওনাকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় গ্রহণ করা হয়েছে। নির্দিষ্ট একটি দলের সঙ্গে কোনো দেশের সম্পর্ক হয় না। সম্পর্ক হয় দেশের সঙ্গে দেশের। আর দেশের সঙ্গে সম্পর্ক বোঝাতে গেলে সরকারসহ অন্য রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সম্পর্ক বোঝায়। আওয়ামী লীগ এ ধারণা তৈরি করতে চায়। তারা ভাবে এ ধারণা তৈরি করতে পারলে তারা বেনিফিটেড হবে। কিন্তু বাস্তবতা সেটা নয়। বিএনপির সব দেশের সঙ্গে সম্পর্ক চায় নিজের দেশের মানুষের স্বার্থ বজায় রেখে।
তাহলে ভারতের সঙ্গে বিএনপির সম্পর্ক কি আগের চেয়ে ভালো?
শামা ওবায়েদ: সম্পর্ক কখনো খারাপ ছিল না। বিএনপি ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রেখেছে, ভবিষ্যতেও রাখবে। ভারতে যে সরকারই আসুক না কেন। ভারত প্রতিবেশী পারস্পরিক যোগাযোগ থাকা স্বাভাবিক। আমরা এটা চালিয়ে যাচ্ছি। ভারতও বুঝতে পারে, আমরাও বুঝতে পারি। এটা চলমান থাকবে। ভবিষ্যতে সম্পর্ক আরও উন্নত হবে আশা করি।
যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বৈঠকের পর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন তত্ত্বাবধায়ক সরকারে ফেরা হবে না, তাহলে কী হবে?
শামা ওবায়েদ: আন্দোলন হবে, দেখা যাক। জনগণ অতিষ্ঠ কথা বলতে পারছি না। কথা বললে ধরে নিয়ে গুম করে মেরে ফেলছে বা একজন কথা বললে পরিবারের অন্যদের নামে মামলা হচ্ছে, হয়রানি করা হচ্ছে। সরকারের বিরুদ্ধে গেলেই হয়রানি। মানুষ কতদিন সহ্য করবে। তারা গো ধরে বসে থাকলে মানুষ তত্ত্বাবধায়ক সরকার আনবে। অপেক্ষা করতে হবে।
যুক্তরাষ্ট্র গণতন্ত্র, মানবাধিকার ইস্যুতে বিভিন্ন দেশে নিষেধাজ্ঞা দেয়…
শামা ওবায়েদ: না, এটা নিয়ে আমাদের সঙ্গে কোনো কথা হয় না। আমরা দেখেছি র্যাবের ওপর নিষেধাজ্ঞা এসেছে। কিছুদিনের জন্য বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড বাংলাদেশে বন্ধ হয়েছিল। এটা ওদের ব্যাপার, বিএনপির কথায় তারা নিষেধাজ্ঞা দেবে না। আমাদের সঙ্গে তাদের দ্বিপক্ষীয় স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে কথা হয়।
ভারতের নৈশভোজ…
শামা ওবায়েদ: আমরা যখন ভারতের সঙ্গে কথা বলি, আমরা ভারতকে আস্থায় নিয়ে কথা বলি। আস্থায় নেওয়া ছাড়া পারস্পরিক সম্পর্ক হয় না।
নিকট অতীতে ভারত-বিএনপি সম্পর্ক এমন দেখা যায়নি?
শামা ওবায়েদ: আমি বুঝি না ভারতকে কেন আলাদাভাবে চিহ্নিত করা হয়।
ভারতকে এজন্য আলাদা করা হচ্ছে কারণ বিএনপির অনেক নেতাকর্মী মনে করেন ভারতের কারণে গত ১৬ বছর আওয়ামী লীগ বাংলাদেশের ক্ষমতায় রয়েছে!
শামা ওবায়েদ: হোল কনসেপ্ট ইজ রং। ভারতকে আলাদাভাবে দেখার কিছু নেই। এ ধারণাটা অনেকটা আওয়ামী লীগ সৃষ্টি করেছে। এটা করে তারা বেনিফিটেড হতে চায়। যেমন তারা যুক্তরাষ্ট্রের মন্ত্রীদের দেড় আনার মন্ত্রী বলে কটাক্ষ করে যুক্তরাষ্ট্রবিরোধী ধারণা তৈরি করে, আবার আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে লাঞ্চ করেন।
আমি বলি, বাংলাদেশ কোনো বিচ্ছিন্ন দেশ নয়, বিএনপি কোনো বিচ্ছিন্ন রাজনৈতিক দল নয়। এই বিশ্বায়নের যুগে সবার সঙ্গে সবার যোগাযোগ থাকবে। কূটনীতি কূটনীতির নিয়মে চলবে, আমরা মাঠের রাজনীতিতে আছি। আমরা বিশ্বাস করি, কোনো দেশের সঙ্গে আমাদের ভালো সম্পর্ক, তারা এসে আমাদের ভোট করে দিয়ে যাবে না। সংবিধান সংশোধনের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ ভোটের ব্যবস্থা নষ্ট করেছে। আমরা সেই কথা বলছি।
জনতার আওয়াজ/আ আ