হারিছ চৌধুরীর লাশের ডিএনএ পরীক্ষার আবেদন মেয়ের - জনতার আওয়াজ
  • আজ সকাল ৯:৪৯, শুক্রবার, ২৪শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, ১০ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ, ১৬ই জিলকদ, ১৪৪৫ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

হারিছ চৌধুরীর লাশের ডিএনএ পরীক্ষার আবেদন মেয়ের

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: মঙ্গলবার, মার্চ ১৫, ২০২২ ৬:৩০ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: মঙ্গলবার, মার্চ ১৫, ২০২২ ৬:৩০ অপরাহ্ণ

 

ডেস্ক নিউজ

প্রয়াত পিতার পরিচয় সম্পর্কে দ্বিধা দূর করতে কবর থেকে মৃতদেহ তুলে ডিএনএ পরীক্ষার আবেদন জানিয়েছেন হারিছ চৌধুরীর মেয়ে ব্যারিস্টার সামিরা চৌধুরী। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বরাবর চিঠি পাঠিয়েছেন বিলেত প্রবাসী সামিরা। চিঠিতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক সচিব প্রয়াত হারিছ চৌধুরীর মেয়ে সামিরা বলেন, ২০২১-এর ৩রা সেপ্টেম্বর শুক্রবার এভারকেয়ার হাসপাতালে কোভিড ১৯-এ মারা যান তার বাবা। কিন্তু পরিচয় গোপন করার জন্য তিনি হাসপাতালে ভর্তি হন মাহমুদুর রহমান নামে।

এভারকেয়ার হাসপাতাল থেকে হারিছ চৌধুরীর নামে যে ডেথ সার্টিফিকেট জারি করা হয়েছিল তাতে তার প্রকৃত নামের পরিবর্তে লেখা ছিল মাহমুদুর রহমান। মৃত্যুর পর হারিছ চৌধুরীকে জামিয়া খাতামুন্নাবিয়্যান নামের একটি মাদ্রাসার কাছে দাফন করা হয়। ওই মাদ্রাসাটি জালালবাদ, কমলাপুর, বিরুলিয়া, সাভারে অবস্থিত। কিন্তু এটি সামিরা এবং তার পরিবারের স্বীকৃত কবরস্থান নয়। সামিরা জানিয়েছেন, তার প্রয়াত পিতা হারিছ চৌধুরীর আসল পরিচয়ের বিষয়টি পরিবারের পাশাপাশি বাংলাদেশের আইন প্রয়োগকারী কর্তৃপক্ষের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ।

অতএব, বাংলাদেশের আইন বিভাগ যদি ডিএনএ টেস্টের মাধ্যমে প্রয়াত পিতার পরিচয় নিশ্চিত করতে চায় তাহলে কোনো আপত্তি নেই। প্রয়োজনে কবর থেকে মৃতদেহ তুলেও ডিএনএ-র নমুনা সংগ্রহ করতে পারে কর্তৃপক্ষ।
(Therefore, I confirm that I do not have any objection should the Bangladesh law enforcement authority now wish to make arrangements to confirm the identity of my Late father Md A Harris Chowdhury)

সেই সঙ্গে প্রয়াত পিতার দেহাবশেষ তাদের দর্পণনগরের গ্রামে নির্দিষ্ট কবরস্থানে দাফনের ব্যবস্থা করার আবেদনও জানান সামিরা। একই আবেদন জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, স্বরাষ্ট্র সচিব এবং সিআইডি প্রধানের কাছে।
উল্লেখ্য, গত ৬ই মার্চ মানবজমিন হারিছ চৌধুরীর আত্মগোপনের দালিলিক প্রমাণ হাজির করে এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে। এই প্রতিবেদন থেকেই জানা যায়, ১১ বছরেরও বেশি সময় তিনি ঢাকার পান্থপথে মাহমুদুর রহমান নামে আত্মগোপন করে ছিলেন। এর পর থেকে এই খবরটি নিয়ে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয় দেশে-বিদেশে।
সূত্রঃ মানবজমিন

Print Friendly, PDF & Email
 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ

Social Media Auto Publish Powered By : XYZScripts.com
Social Media Auto Publish Powered By : XYZScripts.com