হাসপাতালে পরীক্ষামূলকভাবে পাগলাঘণ্টা বসানোর পরিকল্পনা - জনতার আওয়াজ
  • আজ দুপুর ১:১৩, বুধবার, ২০শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৬ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ৩রা জিলহজ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

হাসপাতালে পরীক্ষামূলকভাবে পাগলাঘণ্টা বসানোর পরিকল্পনা

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: মঙ্গলবার, মে ১৯, ২০২৬ ৮:১১ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: মঙ্গলবার, মে ১৯, ২০২৬ ৮:১১ অপরাহ্ণ

 

জনতার আওয়াজ ডেস্ক
ছবি :সংগৃহীত

পাইলটিং প্রকল্প হিসেবে ঢাকার দুই হাসপাতালে পরীক্ষামূলকভাবে পাগলাঘণ্টা বসানোর পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। হাসপাতালের নিরাপত্তা নিশ্চিতে এই পরিকল্পনা নেওয়ার কথা জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন।

মঙ্গলবার (১৯ মে) বিকালে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে স্বাস্থ্য অধিদফতরের আওতাধীন কেন্দ্রীয় ঔষধাগার (সিএমএসডি)-তে ১১টি হাসপাতালে ভেন্টিলেটর ও অক্সিজেন কনসেনট্রেটর হস্তান্তর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

সরদার সাখাওয়াত হোসেন বলেন, “আমি নিশ্চয়তা দিচ্ছি না। আমরা পাইলটিং স্কিমে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল এবং সোহরাোয়ার্দী হাসপাতালে আমরা পাগলা ঘণ্টার ব্যবস্থা করার জন্য পরিকল্পনা গ্রহণ করেছি। কোনওরকমভাবে আমি গিয়েও যদি কোনও একটা আঘাত করি, যদি নিরাপত্তাহীনতায় আমার ডাক্তাররা বা রোগীরা ভোগে— পাগলাঘণ্টা বাজালে যাতে সব ডাক্তাররা একত্রিত হয়। ইমারজেন্সি এলার্ম— এটাকে আমি বাংলায় বললাম পাগলাঘণ্টা। ইমার্জেন্সি এলার্ম, সেন্ট্রাল এলার্ম সিস্টেমের আমরা আনার চেষ্টা করছি— টু এনসিওর দ্য সিকিউরিটি।”

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, “সরকারি কেনাকাটার বিষয়ে আমরা সব জায়গায় কঠোর নির্দেশনা দিয়েছি। আমাদের চিকিৎসকরা সেই অনুযায়ী কাজ করছেন। সেখানে কিছু কিছু জায়গায় সর্বনিম্ন মূল্যে কিনতে গেলে উচ্চমূল্যে সরবরাহ দেওয়ার জন্য সন্ত্রাসীদের মদদে প্রভাব খাটানো হয়। কাজ না দিলে ডাক্তারদের ওপর আক্রমণ করে। এই সুযোগ নিচ্ছে ফ্যাসিবাদের দোসররা, বিভিন্ন জায়গায় উসকে দিচ্ছে। যার ফলে আমাদের ডাক্তারদের ওপর আক্রমণ হচ্ছে। আমি দ্যর্থহীন ভাষায় বলি, আপনারা জানেন আমরা প্রত্যেকটা উপজেলা হাসপাতালে ইনক্লুডিং ঢাকা সিটি স্কেটারড হসপিটাল— আমরা ১০ জন করে আনসার একজন প্লাটুন কমান্ডারসহ, আর্মসসহ আমরা দিচ্ছি এবং এটার পুরোদমে কাজ চলছে।”

তিনি বলেন, “এত বড় একটা সেটআপ দিতে হচ্ছে— প্লাটুন ভাগ করতে, রিপোর্ট করতে একটু সময় লাগছে। কাল এটা নিয়ে কথা হয়েছে ইনশআল্লাহ, আমরা ঈদের পরে সবচেয়ে কম সময়ের ভেতরে প্রত্যেকটা উপজেলা লেভেলের ডাক্তারদের এবং আমাদের যন্ত্রপাতি ওষুধ সবকিছু নিরাপত্তার লক্ষ্যে দিয়ে দেবো। দ্বিতীয়ত, ঢাকা মহাখালী হাসপাতালে কীভাবে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায়— দ্রুততম সময়ের ভেতরে সেখানে একটা পুলিশ ক্যাম্প স্থাপনসহ অবৈধ স্থাপনাকারীদের সরিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছি।”

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ