অপহরণের পর চোখে মরিচের গুড়া ছিটিয়ে গলাটিপে হত্যা : গ্রেফতার ৪
নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ:
বৃহস্পতিবার, ডিসেম্বর ২৯, ২০২২ ৬:০৫ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ:
বৃহস্পতিবার, ডিসেম্বর ২৯, ২০২২ ৬:০৫ অপরাহ্ণ

অপহরণের পর ট্রলারে করে মেঘনা নদীর মাঝে গেলে জোরপূর্বক অর্থ ছিনিয়ে নেয়া হয়। এরপর পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী অপহৃতদের চোখে মরিচের গুড়া ছিটিয়ে গলাটিপে হত্যা করা হয়। পরে মৃত্যু নিশ্চিত হলে মরদেহগুলো নদীতে ফেলে দেয় অপহরণকারীরা। এমনই পিলে চমকে ওঠার মতো রোমহর্ষক তথ্য জানিয়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের যুগ্ম পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম) বিপ্লব বিজয় তালুকদার।
বৃহস্পতিবার (২৯ ডিসেম্বর) এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানান ডিএমপির এই কর্মকর্তা। এ সময় ঢাকার চকবাজারের এক প্লাস্টিকের কাঁচামাল ব্যবসায়ী ও কর্মচারীকে অপহরণ করে হত্যার ঘটনায় ৪ জনকে গ্রেফতার করার কথা জানানো হয়।
বিপ্লব তালুকদার জানান, ঢাকা ও বরিশালের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে চকবাজার থানা পুলিশ বুধবার (২৮ ডিসেম্বর) নুরুজ্জামান হাওলাদার, মো. আ. আজিজ শিকদার, হাফেজ চৌকিদার ও দেলোয়ার হোসেন মোল্লা ওরফে দেলুকে গ্রেফতার করেন। এ সময় তাদের কাছ থেকে ছয়টি মোবাইলও জব্দ করা হয়। গ্রেফতারকৃতরা সকলেই প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তাদের সংশ্লিষ্টতা এবং দুজনকে অপহরণ করে খুন করার বিষয়টি স্বীকার করেছে।
তিনি বলেন, প্রথমে অপহরণকারীরা পরস্পর যোগসাজশে জুয়েল শিকদার ও তার কর্মচারী মোর্শেদ আলমকে অপহরণ করে বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জে নিয়ে যায়। এরপর তাদেরকে একটি মাছ ধরার ট্রলারে উঠানো হয়। ট্রলারটি যখন মেঘনা নদীর মাঝখানে অবস্থান করছিল ঠিক তখনই দুইজনের কাছে থাকা টাকা জোরপূর্বক ছিনিয়ে নেয় অপহরণকারীরা। এরপর আগে থেকে আঁকা ছক অনুযায়ী জুয়েল ও মোর্শেদের দুইজনের চোখেই হঠাৎ মরিচের গুড়া ছিটিয়ে দেয় অপরাধীরা। দু’জনকে গলাটিপে হত্যার পর মরদেহগুলো নদীতে ফেলে দেয়।
তিনি আরও বলেন, গত ১৫ ডিসেম্বর রাতে জুয়েল শিকদারের বাবা থানায় হাজির হয়ে তার ছেলের নিখোঁজের বিষয়ে চকবাজার মডেল থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন। এরই ধারাবাহিকতায় চকবাজার মডেল থানা পুলিশ গোয়েন্দা তথ্যের ভিক্তিতে অপহৃত জুয়েল শিকদার ও তার কর্মচারী মোর্শেদ আলমের সর্বশেষ অবস্থান বরিশাল জেলার মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলায় নিশ্চিত করে।
জনতার আওয়াজ/আ আ