আগামী শিক্ষাক্রমে খেলাধুলা বাধ্যতামূলক হচ্ছে: যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ:
শনিবার, জুন ২৭, ২০২৬ ২:৩২ পূর্বাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ:
শনিবার, জুন ২৭, ২০২৬ ২:৩২ পূর্বাহ্ণ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি
ছবিঃ প্রতিনিধি
আগামী জাতীয় শিক্ষাক্রম থেকে সরকার খেলাধুলাকে বাধ্যতামূলক করতে যাচ্ছে, বলে মন্তব্য করেছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক।
তিনি বলেন, ‘আগামী জাতীয় শিক্ষাক্রমে খেলাধুলাকে বাধ্যতামূলক করতে যাচ্ছে। বর্তমান সমাজে ডিভাইসের অতিরিক্ত ব্যবহারের কারণে সন্তানরা ঘরে বন্দি হয়ে পড়েছে। তাদের মাঠে ফিরিয়ে আনতে এবং একটি সুস্থ জাতি গঠনে এই কঠোর অথচ ইতিবাচক পদক্ষেপ গ্রহণ করছে সরকার। এখন থেকে চতুর্থ শ্রেণী থেকে শুরু করে প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে পরীক্ষায় পাস করার জন্যই মাঠে আসতে হবে এবং নির্দিষ্ট শিক্ষকের অধীনে ট্রেনিং সেশনে অংশ নিতে হবে।’
শুক্রবার (২৬ জুন) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় সাঁতার ও ওয়াটারপোলো প্রতিযোগিতার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
তৃণমূল পর্যায়ে খেলাধুলাকে ছড়িয়ে দিতে আগামী জুলাই থেকে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ এর দ্বিতীয় মৌসুমের রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম শুরু হবে এবং সেপ্টেম্বর থেকে ইউনিয়ন পর্যায় থেকে এই প্রতিযোগিতার মূল আসর শুরুর কথা জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘১২ থেকে ১৪ বছর বয়সী কিশোর-কিশোরীদের নিয়ে ইউনিয়ন পর্যায়ে ফুটবল, ক্রিকেট, কাবাডি, সাঁতার, ব্যাডমিন্টন, দাবা ও মার্শাল আর্টের হাজার হাজার দল গঠন করা হবে, যা দেশের পারিবারিক ও সামাজিক কাঠামোতে এক আমূল পরিবর্তন আনবে।’
৫০০ খেলোয়াড়কে নিয়মিত ক্রীড়া ভাতা ও ক্রীড়াকাঠ প্রদান কার্যক্রম প্রসঙ্গে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক বলেন, ‘আগামী জুলাইয়ের পর আরও ২০০ জন খেলোয়াড়কে পেশাদারিত্বের আওতায় আনা হবে। এর ফলে সব মিলিয়ে প্রায় ৫০০ জন খেলোয়াড়কে নিয়মিত ক্রীড়া ভাতা ও ক্রীড়াকাঠ প্রদান কার্যক্রম চলমান থাকবে, যাতে দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলাকে একটি স্থায়ী পেশা হিসেবে বেছে নিয়ে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করতে পারে।’
এসময় বিশ্ববিদ্যালয় সাঁতার ও ওয়াটারপোলো কমিটির সভাপতি অধ্যাপক কাজী মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমানের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপাচার্যের রুটিন দায়িত্বে নিয়োজিত উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম, শারীরিক শিক্ষা কেন্দ্রের উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. এস এম মোস্তফা আল মামুন, শারীরিক শিক্ষা কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক এস এম জাকারিয়া-সহ শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, বিশ্ববিদ্যালয় ক্রীড়াঙ্গনে বন্ধুত্ব’ স্লোগান সামনে রেখে ২দিনব্যাপী এই প্রতিযোগিতায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এবং পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় অংশগ্রহণ করছে।
জনতার আওয়াজ/আ আ