আ'লীগের নিবন্ধনের বিষয়ে ‘জনগণই সিদ্ধান্ত নেবে’: মির্জা ফখরুল - জনতার আওয়াজ
  • আজ সন্ধ্যা ৭:৩৫, বৃহস্পতিবার, ১৪ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৩১শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৭শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

আ’লীগের নিবন্ধনের বিষয়ে ‘জনগণই সিদ্ধান্ত নেবে’: মির্জা ফখরুল

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: বৃহস্পতিবার, ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৫ ৮:১১ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: বৃহস্পতিবার, ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৫ ৮:১১ অপরাহ্ণ

 

জনতার আওয়াজ ডেস্ক

আওয়ামী লীগের নিবন্ধন থাকা না থাকা বিষয়ে ‘জনগণই সিদ্ধান্ত নেবে’ বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

বৃহস্পতিবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গুলশানে চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে দলটির মহাসচিব দলের এই অবস্থানের কথা জানান।

তিনি বলেন, ‘‘আমি বলেছি যে, জনগণ সিদ্ধান্ত নেবে। আমরা এই বিষয়টা বার বার করে বলে আসছি যে, আমরা একটা লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি… আমরা গণতন্ত্রে বিশ্বাস করি, গণতন্ত্রের সমস্ত নর্মস এন্ড কন্ডিশন যেগুলো আছে সেগুলোর ওপর আমরা আস্থা রাখি এবং সেটা আমরা চর্চা করি… অতীতেও চর্চা করেছি।”

‘‘সেইভাবেই আমরা মনে করি যে, আমরা এই কথা বলে আসছি যে, ইট ইজ নট আস টু উইল ডিসাইড যে, কোন পার্টি নিষিদ্ধ হবে, কোন পার্টি কাজ করবে, কোন পার্টি কাজ করবে না… পিপলস্ উইল ডিসাইড… মানুষ বা জনগণ নির্ধারণ করবে কোন পার্টি থাকবে কি থাকবে না, কোন পার্টি নির্বাচন করবে কি করবে না।”

আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের পক্ষে আপনারা কিনা প্রশ্ন করলে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘‘এটাতো আমরা পরিস্কার করে বলেছি যে, জনগণ উইল ডিসাইডেড। আমরা পক্ষ বিপক্ষ থাকা ইমমেটেরিয়াল… পিপলস্ উইল ডিসাইডেড।”

‘সংসদের আগে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের বিপক্ষে বিএনপি’

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘‘এটা (সংখ্যানুপাতিক ভোট) আমরা পুরোপুরি বিরোধী, একেবারে জোরালোভাবে বিরোধী। আনুপাতিকভাবে নির্বাচনের কোনো ব্যবস্থাকে আমরা সমর্থন করব না। কারণ, এখানকার মানুষ এটাতে অভ্যস্ত না। এরকম (ভোটের) প্রশ্নই উঠতে পারে না।”

‘‘আর জাতীয় নির্বাচনের আগে স্থানীয় সরকার নির্বাচন অনুষ্ঠান.. এটাতেও আমরা একেবারেই একমত নই। এটা তো সমস্ত রাজনৈতিক বিবেচনায় দেশকে আরও ভঙ্গুর অবস্থায় নিয়ে যাওয়ার একটা পরিকল্পনা ছাড়া আর কিছু না। যত দ্রুত নির্বাচন হবে ততই রাজনীতি সহজ হবে, বাংলাদেশ মানুষ স্থিতিশীল অবস্থার মধ্যে আসবে।”

জাতীয় নির্বাচন কেন এখন জরুরি তার ব্যাখ্যাও দেন বিএনপি মহাসচিব।

তিনি বলেন, ‘‘নির্বাচনটা হওয়ার প্রধানত: দুইটা কারণ। একটি হচ্ছে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে নিয়ে আসা, আরেকটা হলো গভার্নেন্স (সুশাসন) চালু করা।”

‘‘এখন তো গভার্নেন্সের খুব প্রোবলেম হচ্ছে… গভর্নেন্স চালু করলেই তখন দেখবেন অর্থনীতি বেটার হয়ে আসছে, সমাজ এবং রাষ্ট্রে… ইউনির্ভাসিটি-কলেজগুলোতে লেখাপড়াই হচ্ছে না… সেই ব্যবস্থাটা ঠিক হবে। একটা নির্বাচিত সরকার না হলে এটাকে নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন তো।’’

‘নির্বাচন প্রসঙ্গে’

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘‘১৫ ফেব্রুয়ারি কি হবে সেটা আমি বলতে পারবো না। তবে উনাদের আমাদের সঙ্গে আলোচনায় যেটা বলেছেন সেটা তো আমি আপনাদেরকে আগেই বলেছি যে, ডিসেম্বরের মধ্যেই তারা নির্বাচনটা করার চেষ্টা করছেন।”

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ