এক কলেজের ছাত্র অন্য কলেজের ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক
নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ:
শনিবার, এপ্রিল ১৯, ২০২৫ ৯:৩১ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ:
শনিবার, এপ্রিল ১৯, ২০২৫ ৯:৩১ অপরাহ্ণ

নোয়াখালী প্রতিনিধি
নোয়াখালী সরকারি কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র মুরাদ হোসেন রাব্বি। কিন্তু তিনি ছাত্রদলের রাজনীতি করেন ভুলুয়া ডিগ্রি কলেজে। সেখানে তিনি কলেজ ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক। রাব্বির বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে পদ বাগিয়ে নেয়ার। আর এতেই ক্ষুব্ধ ডিগ্রি কলেজের শিক্ষার্থী ও পদবঞ্চিতরা।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ভুলুয়া ডিগ্রি কলেজের একাধিক ছাত্রদল নেতা গণমাধ্যমকে বলেন, মুরাদ হোসেন রাব্বি জালিয়াতি করে সাধারণ সম্পাদকের পদ বাগিয়ে নিয়েছেন। তিনি ভুলুয়া কলেজ থেকে ২০২০ সালে এইচএসসি পাস করেছেন। তারপর নোয়াখালী কলেজে ডিগ্রিতে ভর্তি হয়েছেন। বর্তমানে তিনি নোয়াখালী কলেজের ছাত্র। তিনি ধোঁকা দিয়ে পদ নিয়েছেন। এতে দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে। তাই এই জালিয়াতির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে মুরাদ হোসেন রাব্বি গণমাধ্যমকে বলেন, আমি দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন সংগ্রাম করেছি। ছাত্রলীগ আমাকে হত্যাচেষ্টা করেছে। আমি এই কলেজের সাবেক কমিটিতে ছিলাম। আমাকে মূল্যায়ন করে বর্তমান কমিটিতে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে। আমার ছাত্রত্বের সকল প্রমাণ আছে।
এ বিষয়ে ভুলুয়া ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ আবু জাফর মোহাম্মদ হারুন গণমাধ্যমকে বলেন, মুরাদ হোসেন রাব্বি ২০২০ সালে (অটোপাস) এইচএসসি পাস করার পর ডিগ্রি বা অনার্সে এখানে ভর্তি হয়নি। সে আমাদের কলেজের ছাত্র নয়।
এ বিষয়ে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি মঞ্জুরুল আলম রিয়াদ গণমাধ্যমকে বলেন, প্রাথমিক সদস্যপদ ও ছাত্রত্ব দেখেই আমরা মুরাদ হোসেন রাব্বিকে কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করেছি। এছাড়াও স্থানীয়দের কাছ থেকে যাচাই-বাছাই করা হয়েছে। যদি সে কলেজের ছাত্র না হয়ে থাকে তাহলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
উল্লেখ্য যে, জানা যায়, গত ২৩ মার্চ দুপুরে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব এবং সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন নাসির ভুলুয়া ডিগ্রি কলেজসহ নোয়াখালীর ৩৬টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছাত্রদলের কমিটি অনুমোদন দেন। এতে মো. ইলিয়াছ সুজন সভাপতি এবং মুরাদ হোসেন রাব্বিকে সাধারণ সম্পাদক করে ২০ সদস্যের কমিটি ঘোষণা করা হয়। এরপর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ক্ষোভ প্রকাশ করেন পদবঞ্চিতরা।
জনতার আওয়াজ/আ আ