এলএনজির দাম পাঁচ গুণ বেড়ে গেছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ:
বৃহস্পতিবার, নভেম্বর ১০, ২০২২ ২:৫২ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ:
বৃহস্পতিবার, নভেম্বর ১০, ২০২২ ২:৫২ অপরাহ্ণ

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, আমাদের সকলের আত্মীয় স্বজনেরা বিদেশে আছে। তাদের জিজ্ঞেস করলেই জানতে পারবেন। পৃথিবীর খাদ্যভান্ডার ইউক্রেন। সেখানে যুদ্ধ চলছে। এলএনজির দাম পাঁচ গুণ বেড়ে গেছে। আগে আমরা অন্য জায়গায় গ্যাস বন্ধ করে ইন্ডাস্ট্রিতে দিতাম। কিন্তু এখন তা কঠিন হয়ে পড়েছে। বাস্তব পরিস্থিতি তুলনা করুন। বাংলাদেশ অনেক ভালো আছে সেই তুলনায়। রাইট ম্যাসেজ রাইট সময়ে গেলে কোন ঝামেলা বাধে না।
ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশের এক যুগ পূর্তি উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (১০ নভেম্বর) রাজারবাগ পুলিশ লাইন্সে পুলিশের এই ইউনিট কর্তৃক আয়োজিত প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্টানে তিনি এ কথা বলেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশ তৈরি হয়েছে মালিক এবং শ্রমিকদের মধ্যে একটা সেতুবন্ধন তৈরি করার জন্য। শুধু শ্রমিক ও মালিকদের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করার জন্য নয়, ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশের পাশাপাশি কাজ করে শ্রমিকদের স্বার্থ রক্ষা করতেও। আমাদের ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশ দুই পক্ষের অসুবিধাই অনুধাবন এবং বের করে সেগুলো সমাধানে উদ্যোগ নেন। শ্রমঘন ইন্ডাস্ট্রিগুলোকে ঢাকার বাইরে নিয়ে যাবেন।
ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশ প্রধান (এআইজি) মাহাবুবর রহমান বলেন, পুলিশের এই ইউনিটটি দীর্ঘ এক যুগের পথ চলায় সময়ের আর্বতনে বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে শিল্প সেক্টরে বর্তমানে আস্থার প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়েছে। একটি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন মূলত সেই দেশের শিল্প ও শিল্পায়নের ওপর নির্ভর করে। বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে শিল্প খাতের ভূমিকা অপরিসীম।
তিনি বলেন, বিশ্বব্যাপী মহামারি করোনাকালে ও সাম্প্রতিক চলমান রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে বিশ্বজুড়ে টালমাটাল অর্থনৈতিক অবস্থায় ছোট বড় অনেক প্রতিষ্ঠান টিকে থাকার নতুন চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হচ্ছে। অনেক কারখানা শ্রমিক ছাঁটাই করতে বাধ্য হচ্ছে। এ বাস্তবতায় কর্মী ছাঁটাই সহনশীল পর্যায়ে রাখা, বেতন-ভাতা পরিশোধ, সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে মালিকপক্ষ ও শ্রমিক সংগঠনের নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে শিল্প এলাকাকে শান্ত রাখতে ভূমিকা পালন করছে ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশ।
তিনি আরও বলেন, শিল্প সংশ্লিষ্ট মহলের চাহিদার পরিপ্রেক্ষিতে ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশ শিল্প অধিক্ষেত্রে অবস্থিত ৬টি ইউনিটের মাধ্যমে ২০১৭ সাল থেকে শুরু করে আজ পর্যন্ত শিল্প সংশ্লিষ্ট মোট ৩শ ৪০টি মামলার তদন্তভার গ্রহণ করে দ্রুত প্রয়োজনীয় আইনগত তদন্ত কার্যক্রম গ্রহণের মাধ্যমে সুষ্ঠুভাবে নিস্পত্তি করে আসছে।
পুলিশ প্রধান চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, ইন্ডাস্ট্রিগুলোতে কর্মপরিবেশ বজায় রাখার লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠা লগ্ন থেকে ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশের প্রতিটি সদস্য নিরোলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। উন্নয়ন-সমৃদ্ধির অগ্রযাত্রায় বাংলাদেশের সর্বস্তরের জনগণের অন্তর্ভুক্তিমূলক অংশগ্রহণের মাধ্যমে আইন শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ করে উৎপাদনমুখী কর্মপরিবেশ বজায় রাখতে সৃষ্টি হয়েছিল ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশ। বিভিন্ন শিল্প প্রতিষ্ঠান কর্মরত বিদেশি নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের পাশাপাশি বিভিন্ন বিরোধ আলাপ আলোচনার মাধ্যমে শান্তিপূর্ণভাবে সমাধানে দায়িত্বশীল এক অনন্য ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছে কাজ করে যাচ্ছে পুলিশের এই ইউনিট।
জনতার আওয়াজ/আ আ