খাদ্য নিরাপত্তা জোরদারে বিনিয়োগ বাড়াচ্ছে সরকার: কৃষিমন্ত্রী - জনতার আওয়াজ
  • আজ রাত ৮:২৭, সোমবার, ১৫ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১লা আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৯শে জিলহজ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

খাদ্য নিরাপত্তা জোরদারে বিনিয়োগ বাড়াচ্ছে সরকার: কৃষিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: সোমবার, জুন ১৫, ২০২৬ ৭:০৬ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: সোমবার, জুন ১৫, ২০২৬ ৭:০৬ অপরাহ্ণ

 

জনতার আওয়াজ ডেস্ক
ছবিঃ সংগৃহীত
কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ সোমবার রাজধানীর একটি হোটেলে ‘রিপারপোজিং অ্যাগ্রিকালচারাল পাবলিক স্পেন্ডিং ফর কোয়ালিটি গ্রোথ অ্যান্ড জবস ইন বাংলাদেশ’স এগ্রিফুড সিস্টেম’ শীর্ষক পলিসি সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন। ছবি/খবরের কাগজ
খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে সরকার বিনিয়োগ বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে বলে জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ।

সোমবার (১৫ জুন) রাজধানীর একটি হোটেলে ‘রিপারপাসিং এগ্রিকালচারাল পাবলিক স্পেন্ডিং ফর কোয়ালিটি গ্রোথ অ্যান্ড জবস ইন বাংলাদেশস এগ্রিফুড সিস্টেম’ শীর্ষক প্রতিবেদন প্রকাশনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, ‘দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। এসব খাতে সরকারের উল্লেখযোগ্য বিনিয়োগ রয়েছে। এই বরাদ্দ কতটুকু কার্যকরভাবে প্রবৃদ্ধি, কর্মসংস্থান ও আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে অবদান রাখছে, তা যাচাইয়ে গবেষণা ও মূল্যায়নকে সরকার সবসময় গুরুত্ব দেয়। তথ্যভিত্তিক গবেষণা ও সুপারিশ নীতি নির্ধারণে কার্যকর সহায়তা করে।’


২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের বাজেট প্রণয়নে কৃষি খাতকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, কৃষিকে আরও উৎপাদনশীল, লাভজনক ও টেকসই করতে ফসল উৎপাদন বৃদ্ধি, পণ্য সংরক্ষণ ও বিপণন ব্যবস্থার আধুনিকায়ন করা হচ্ছে। পাশাপাশি পাটবীজ, পেঁয়াজ বীজ ও আদা উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন, মাটির অম্লতা হ্রাস এবং সারের সাশ্রয়ী ব্যবহারের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। এছাড়া ডিজেল ও বিদ্যুতের ওপর নির্ভরতা কমাতে সৌরশক্তিনির্ভর সেচ ব্যবস্থার সম্প্রসারণ করা হচ্ছে।

আমদানি-নির্ভরতা কমাতে নেওয়া নানা পদক্ষেপের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, পেঁয়াজ সংরক্ষণে এয়ার-ফ্লো প্রযুক্তি সরবরাহ, ফল ও সবজি সংরক্ষণে মিনি কোল্ড স্টোরেজ স্থাপন, বস্তায় আদা চাষ সম্প্রসারণ, চুক্তিভিত্তিক পাটবীজ উৎপাদন ও কৃষক কার্ড ব্যবস্থাপনা শক্তিশালী করা হচ্ছে।


কৃষিকে বাণিজ্যিক ও রপ্তানিমুখী খাতে রূপান্তরের ওপর জোর দিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘আম, কাঁঠালসহ বিভিন্ন ফল ও সবজি প্রক্রিয়াজাতকরণ এবং রপ্তানি বৃদ্ধির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আধুনিক প্যাকিং হাউস, ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট, কোয়ারেন্টাইন সুবিধা ও ওয়ান-স্টপ সার্ভিস চালুর মাধ্যমে আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশি কৃষিপণ্যের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বাড়ানো হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘কৃষক যাতে পণ্যের ন্যায্যমূল্য পায়, সরকার সে লক্ষ্যে কাজ করছে। চাহিদার সঠিক তথ্যের অভাবে অনেক সময় কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। আমরা আশা করছি, আগামী দেড় বছরের মধ্যে পেঁয়াজ আমদানি থেকে বেরিয়ে আসা সম্ভব হবে। এছাড়া আগামী তিন বছরের মধ্যে আদা ও রসুন উৎপাদনেও স্বয়ংসম্পূর্ণ হওয়ার লক্ষ্যে কাজ চলছে। পাট ও পেঁয়াজ বীজের আমদানি নির্ভরতা থেকেও পর্যায়ক্রমে বেরিয়ে আসা হবে।’

অনুষ্ঠানে বিশ্বব্যাংক, সানেম (SANEM), বিভিন্ন উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা এবং সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান শুরুর আগে কৃষিমন্ত্রী বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদনটির মোড়ক উন্মোচন করেন।

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ