গণতন্ত্র হরণকারীদের মুখে গণতন্ত্রের কথা মানায় না : মির্জা আজম - জনতার আওয়াজ
  • আজ রাত ১০:০৪, বৃহস্পতিবার, ১৪ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৩১শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৭শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

গণতন্ত্র হরণকারীদের মুখে গণতন্ত্রের কথা মানায় না : মির্জা আজম

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: শুক্রবার, মে ১৯, ২০২৩ ৬:৫৫ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: শুক্রবার, মে ১৯, ২০২৩ ৬:৫৫ অপরাহ্ণ

 

গণতন্ত্র হরণকারীদের মুখে গণতন্ত্রের কথা মানায় না বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম। তিনি বলেছেন, রাজনৈতিক কর্মসূচির নামে বিএনপি আবারো অগ্নিসন্ত্রাস করতে চায়। দেশের শান্তিপ্রিয় মানুষের জানমালের নিরাপত্তার জন্য আওয়ামী লীগ মাঠে ছিল এবং আগামী দিনেও থাকবে। বিএনপিকে নৈরাজ্য ও আগুন সন্ত্রাস পরিহার করে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেওয়ার জন্য আহ্বান জানান তিনি।

শুক্রবার (১৯ মে) যাত্রাবাড়ির কাজলা ব্রীজ মসজিদ সংলগ্ন সড়কে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে ও স্মার্ট বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে শান্তি সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

মির্জা আজম বলেন, ১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে নির্মমভাবে হত্যা করার ষড়যন্ত্র করেছিল জিয়াউর রহমান। সপরিবারে হত্যার পর বিচারপতি সায়েমকে তার বঙ্গভবনে গিয়ে গভীর রাতে ঘুম থেকে ডেকে তুলে বুকের মধ্যে পিস্তল ঠেকিয়ে রাষ্ট্রপতি পদ থেকে অসুস্থতার দায়ে পদত্যাগ করিয়ে অবৈধভাবে রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করেন তিনি। সেই জিয়াউর রহমানের অবৈধভাবে গঠিত বিএনপি আজ গণতন্ত্রের কথা বলে, গণতন্ত্র উদ্ধারের কথা বলে। গণতন্ত্র হরণকারীদের মুখে গণতন্ত্রের কথা মানায় না।

তিনি বলেন, ১৯৮১ সালের ৩০ মে আগ পর্যন্ত জিয়াউর রমান যতদিন বেঁচে ছিল ততদিন এদেশে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীসহ সাধারণ মানুষের ওপর অত্যাচার-নির্যাতন চালিয়েছিল। ১৯৯১-৯৬ এবং ২০০১-০৬ সালে বিএনপি ক্ষমতায় থেকে অত্যাচার-নির্যাতন, গুম, খুনের মাত্রা আরও বাড়িয়ে দিয়েছিল। আওয়ামী লীগের হাজার হাজার নেতাকর্মীকে হত্যা করেছে। ২০০৪ সালের ২১ আগস্টে ২৩, বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে গ্রেনেড হামলা চালিয়ে আইভী রহমানসহ ২৪ জন নেতাকর্মীকে হত্যা করেছিল। তাদের সেই সময়ে দুর্বিসহ দিন কাটিয়েছে আওয়ামী লীগ, যুবলীগের নেতাকর্মীরা। ঘরে ঘুমাতে পারেনি, ব্যবসা-বাণিজ্য করতে পারতো না, প্রতিটি নেতাকর্মীর নামে ডজন ডজন মামলা। আমার নামেও প্রায় তিন ডজন মিথ্যা মামলা দায়ের করেছিল। আর আজ বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায়। বিএনপি-জামাতের নেতাকর্মীরা বহাল তবিয়াতে রয়েছে। ব্যবসা-বাণিজ্য করছে, আন্দোলন করছে আওয়ামী লীগ তাদেরকে বাধা দেয় না। এটাই গণতন্ত্র।

তিনি আরও বলেন, টানা ১৫ বছর শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় থাকার কারণে সর্বক্ষেত্রে উন্নয়নের ছোঁয়া লেগেছে, আজ মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি পেয়েছে, মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হয়েছে, ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছে গিয়েছে, শিক্ষার মান বৃদ্ধি পেয়েছে, নারীর ক্ষমতায়ন বৃদ্ধি পেয়েছে, সাধারণ মানুষ ভালো আছে। ডিজিটাল বাংলাদেশ এখন বাস্তবতা, আমাদের লক্ষ্য স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণ।

যুবলীগের নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে মির্জা আজম বলেন, অতীতে যেভাবে রাজপথে থেকে ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করেছেন, সামনের দিনগুলোতেও একইভাবে রাজপথে থেকে বিএনপি-জামাতের সকল ষড়যন্ত্র প্রতিহত করে রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনাকে আবারও প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত করতে হবে।

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের আয়োজিত সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মো. মাইনুল হোসেন খান নিখিল ও ঢাকা-৫ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মনিরুল ইসলাম মনু, মহানগর দক্ষিণের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাইন উদ্দিন রানা, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক এইচ এম রেজাউল করিম রেজা, যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ডা. হেলাল উদ্দিন, প্রচার সম্পাদক জয়দেব নন্দী, দপ্তর সম্পাদক মো. মোস্তাফিজুর রহমান মাসুদ প্রমুখ।

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ