গোলাপগঞ্জে মোহনার মৃত্যুরউত্তাপ না কমতেই ঝুমকির মৃত্যু - জনতার আওয়াজ
  • আজ রাত ১:৫৪, মঙ্গলবার, ২৬শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১২ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ৯ই জিলহজ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

গোলাপগঞ্জে মোহনার মৃত্যুরউত্তাপ না কমতেই ঝুমকির মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: মঙ্গলবার, মে ২৬, ২০২৬ ১২:২২ পূর্বাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: মঙ্গলবার, মে ২৬, ২০২৬ ১২:২২ পূর্বাহ্ণ

 

গোলাপগঞ্জ প্রতিনিধি: সিলেটের গোলাপগঞ্জে গৃহবধু মোহনা হত্যার রেশ না কমতেই আর এক গৃহবধ‚র অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনায় জনমনে উদ্বেগ ও নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। গৃহবধু মোহনা হত্যার ঘটনায় স্বামী জাহিদুল ইসলাম এমরান গ্রেফতার হলেও অন্য ঘটনায় আত্মহত্যা নাকি হত্যাকান্ড নিয়ে তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা। একই সাথে দুই গৃহবধু হত্যার ঘটনায় পুরো গোলাপগঞ্জজুড়ে অস্বস্তি, উদ্বেগ ও নানা আলোচনা তৈরি হয়েছে
জানাযায়, গত রোববার উপজেলার ফুলবাড়ি ইউনিয়নের হেতিমগঞ্জ প‚র্বপাড়া এলাকার চঞ্চল দাসের স্ত্রী ঝুমকি দেব নামের এক গৃহবধ‚র ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে গোলাপগঞ্জ মডেল থানা পুলিশ। নিজ শয়নকক্ষের ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচানো অবস্থায় তার মরদেহ পাওয়া যায়। পরে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
ঘটনাটিকে ঝুমকির শ্বশুরবাড়ির লোকজন আত্মহত্যা বলে দাবি করলেও বাবার বাড়ির স্বজনরা বলছেন ভিন্ন কথা। তাদের দাবি তাকে পরিকল্পিত ভাবে হত্যা করা হয়েছে তারা অভিযোগ করেছেন। তাদের অভিযোগ, বিয়ের পর থেকে ঝুমকিকে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে মানসিকভাবে চাপ দেওয়া হতো। এমনকি বাবার বাড়ি নিয়েও তাকে কট‚ক্তি করা হতো বলে দাবি পরিবারের।
এর আগের দিন উপজেলার লক্ষীপাশা ইউনিয়নের উত্তর জাঙ্গালহাটা গ্রামে গৃহবধ‚ ফাহমিদা আক্তার মোহনার মৃত্যুর ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। এ ঘটনায় ফাহমিদা আক্তার মোহনার বাবার দায়ের হওয়া হত্যা মামলার প্রধান অভিযুক্ত স্বামী জাহিদুল ইসলামকে গ্রেফতার করেছে গোলাপগঞ্জ মডেল থানা পুলিশ।
পুলিশ জানায়, ঘটনার পর আত্মগোপনে থাকা সিএনজি চালক ছদরুল ইসলামের ছেলে জাহিদুল ইসলাম এমরানকে দক্ষিণ সুরমার ইন্নাতালীপুর মির্জাজাঙ্গাল এলাকা থেকে আটক করা হয়। হত্যাকাÐে ব্যবহৃত একটি লোহার শাবলও উদ্ধার করেছে পুলিশ।
মোহনার পরিবারের দাবি, যৌতুক ও পারিবারিক বিরোধের জেরে তাকে হত্যা করা হয়েছে। একই সঙ্গে ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে অভিযুক্তকে মানসিক ভারসাম্যহীন হিসেবে উপস্থাপনের চেষ্টা করা হচ্ছিল বলেও অভিযোগ তাদের।
গোলাপগঞ্জ মডেল থানার ওসি জানান, ঝুমকি দেবের ঘটনায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে এবং মোহনা হত্যা মামলার আসামিকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। পৃথক দুই ঘটনার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ