জনগণ পরিবারকেন্দ্রিক রাজনীতি আর দেখতে চায় না: ডা. শফিকুর রহমান - জনতার আওয়াজ
  • আজ সন্ধ্যা ৭:৩৫, বৃহস্পতিবার, ১৪ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৩১শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৭শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

জনগণ পরিবারকেন্দ্রিক রাজনীতি আর দেখতে চায় না: ডা. শফিকুর রহমান

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: মঙ্গলবার, ফেব্রুয়ারি ৩, ২০২৬ ১০:২৩ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: মঙ্গলবার, ফেব্রুয়ারি ৩, ২০২৬ ১০:২৩ অপরাহ্ণ

 

বিভাগীয় প্রতিনিধি, ময়মনসিংহ
ছবি: প্রতিনিধি
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, দেশের মানুষ পুরোনো, পচে যাওয়া এবং পরিবার–ব্যক্তি–গোষ্ঠীকেন্দ্রিক রাজনীতি আর দেখতে চায় না। তারা দলীয় স্বার্থনির্ভর সরকার নয়, কল্যাণমূলক ও ইনসাফভিত্তিক সরকার দেখতে চায়।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও ১১ দলীয় ঐক্যজোট আয়োজিত নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ৫ আগস্টের পর যারা চাঁদাবাজি, মামলা বাণিজ্য ও দুর্নীতির মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে হয়রানি করছে, জনগণ তাদের ভোট দেবে না। যুবসমাজ ইতোমধ্যে স্পষ্ট করে জানিয়েছে, তারা ধান্দাবাজ ও প্রতারণামূলক রাজনীতির সঙ্গে নেই। তারা বেকার ভাতা বা নানা কার্ড নয়, কাজ ও মর্যাদাপূর্ণ জীবনের সুযোগ চায়। তিনি বলেন, নতুন বাংলাদেশ হবে ২০২৪ সালের আকাঙ্ক্ষার বাংলাদেশ।

তিনি দাবি করেন, গত ৭৭ বছরে পুরোনো রাজনৈতিক ধারায় দেশ কাঙ্ক্ষিত জায়গায় পৌঁছাতে পারেনি। এবারের নির্বাচন কোনো সাধারণ নির্বাচন নয়, এটি জাতির ভবিষ্যৎ নির্ধারণের নির্বাচন। জনগণ এখন পরিবর্তনের পক্ষে ঐক্যবদ্ধ।

অর্থপাচারের বিষয়ে তিনি বলেন, দেশের টাকা লুট করে বিদেশে পাচারকারীদের দেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের মুখোমুখি করা হবে। কোনো আত্মীয়তা বা প্রভাব বিবেচনায় নেওয়া হবে না।

বেকার ভাতা প্রসঙ্গে জামায়াত আমির বলেন, যুবসমাজ ভিক্ষার মতো ভাতা চায় না, তারা কাজ করতে চায়। তাদের দক্ষ করে গড়ে তুলে উপযুক্ত কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হবে।

নারীদের নিরাপত্তা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, নতুন বাংলাদেশে মা-বোনেরা ঘর, কর্মস্থল ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সম্মানের সঙ্গে চলাফেরা করতে পারবেন। কেউ চাঁদাবাজি বা নির্যাতনের সাহস পাবে না।

তিনি আরও বলেন, ইনসাফভিত্তিক রাষ্ট্র গঠনের মাধ্যমে শিক্ষা, কৃষি ও উন্নয়নে বাস্তব পরিবর্তন আনা হবে।

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ