জিনিসপত্রের দাম কে বাড়ায় তা জনগণ জানে : মান্না - জনতার আওয়াজ
  • আজ বিকাল ৩:৫৫, শুক্রবার, ১৫ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১লা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৮শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

জিনিসপত্রের দাম কে বাড়ায় তা জনগণ জানে : মান্না

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: শনিবার, ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২৪ ৮:৫৩ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: শনিবার, ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২৪ ৮:৫৩ অপরাহ্ণ

 

জনতার আওয়াজ ডেস্ক
জিনিসপত্রের দাম কে বাড়ায় তা জনগণ জানে বলে মন্তব্য করেছেন নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না।

শনিবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে প্রেস ক্লাবের সামনে গণতন্ত্র মঞ্চের ডাকা সমাবেশ বিক্ষোভ মিছিল প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

মজুদদারদের উদ্দেশ করে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য ইঙ্গিত করে মান্না বলেন, এভাবে চলতে পারবেন না। দেশের জনগণ জানে কে লুটপাট করে সিন্ডিকেট করে জিনিসপত্রের দাম বাড়ায়।

গত নির্বাচনে সরকার নয় বিরোধী দল জিতেছে এমন মন্তব্য করে তিনি বলেন, ‘ডামি নির্বাচনে শতকরা ৯৫ ভাগ লোক আমাদের কথা শুনে ভোট দিতে যায়নি। তাহলে দেশের ৯৫ শতাংশ মানুষ আমাদের সাথে আছেন।’

তিনি বলেন, ‘সরকার গায়ের জোরে টিকে আছে, তাদেরকে গায়ের শক্তি দিয়ে ফেলে দিতে পারিনি। কিন্তু জোর কমে যাবে। সেদিন চলে যেতে বাধ্য হবে সরকার।’

বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি সাইফুল হক বলেন, ‘সরকারকে অজানা ভয়-আতংক তাড়া করে বেড়াচ্ছে। এই সরকার দেড় মাসের ভয় কাটাতে পারেনি। গাছের পাতা পড়লে তারা ভয় পায়। সরকারের যে অবৈধ মধুচন্দ্রিমা এখন নাকি শেষ হয়নি।’

‘বিএনপি আর বিরোধীদল যদি এতই ক্ষমতাবান হয়। যদি তারাই বাজারমূল্য নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষমতা রাখে। তাহলে সরকার কেন ক্ষমতায় আছে,’ প্রশ্ন রাখেন তিনি।

তিনি বলেন, ‘সরকার আর ব্যবসায়ীরা আজ একাকার। যদি গণধোলাই দেয়া শুরু করে জনগণ তবে কার পিঠে মার পড়বে এটাই টের পাবেন। মুনাফাখোর, সিন্ডিকেট আর ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির মতো এ সরকার জমিদারি প্রথা চালু করেছে।’

গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি বলেন, ‘আইন-আদালত আর কোনোকিছু কাজ করেছে না। সরকারের সিন্ডিকেট দেশের সবকিছু লুটপাট করেছে। এটি সরকারের ব্যর্থতা। সেই সাথে নিজ দলের নেতাকর্মীদের লুটপাট করার অধিকার দিয়েছেন। আইন হাতে তুলে নেয়ার কাজটুকু করতে নির্দেশ দিয়েছেন।’

এ সময় আরো বক্তব্য রাখেন ভাসানী অনুসারী পরিষদ ও রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের নেতা হাসনাত কাইয়ুম, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জেএসডি) সাধারণ সম্পাদক শহীদ উদ্দিন মাহমুদ স্বপন, নাগরিক ঐক্যের সাধারণ সম্পাদক শহীদুল্লাহ কায়সার প্রমুখ।

সমাবেশ শেষে গণতন্ত্রের বিক্ষোভ মিছিলটি প্রেস ক্লাবের সামনে থেকে অপর সড়কের ১৫০ গজ দূরে মেট্রোলাঞ্চ হোটেলের সামনের সমাপ্তি ঘটে।

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ