তফসিল বাতিলের দাবি ১৪১ সাবেক সরকারি কর্মকর্তার
নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ:
বৃহস্পতিবার, নভেম্বর ২৩, ২০২৩ ১২:৪২ পূর্বাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ:
বৃহস্পতিবার, নভেম্বর ২৩, ২০২৩ ১২:৪২ পূর্বাহ্ণ

নিউজ ডেস্ক
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল বাতিলের দাবি জানিয়ে ১৪১ জন অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা বিবৃতি দিয়েছেন। বুধবার সংবাদমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এ দাবি জানানো হয়।
এতে বলা হয়, দেশের জনগণ ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনের দাবি উপেক্ষা করে আওয়ামী লীগের ইচ্ছানুযায়ী একতরফা তফসিল ঘোষণা করে দেশকে সংঘাতের দিকে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে। বিবৃতিতে কর্মকর্তারা বিরোধী নেতাকর্মীদের মুক্তির আহ্বান জানান।
কর্মকর্তারা বলেন, নির্বাচন কমিশন সরকারের একতরফা নির্বাচন আয়োজনে সহায়ক ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছে বলে আমরা মনে করি। সরকার জনআকাঙ্খা, অধিকাংশ রাজনৈতিক দলের দাবি, সংবিধান বিশেষজ্ঞ, অ্যামিক্যাস কিউরিদের বিশেষজ্ঞ মতামত, এমনকি নিজ দলের সংসদীয় কমিটির মূল সুপারিশ উপেক্ষা করে তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থা বাতিল করে ২০১১ সালে দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন অনুষ্ঠানের সুযোগ সৃষ্টি করে। ২০১৪ সালের একতরফা নির্বাচনে নজিরবিহীনভাবে ১৫৩ জন সংসদ সদস্যকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত করিয়ে নেওয়া হয়। আলোচনার মাধ্যমে সরকার সুষ্ঠু নির্বাচনের প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করলেও ২০১৮ সনের নির্বাচনটি প্রহসনে পরিণত হয়।
তারা বলেন, দেখা যায় বাংলাদেশে দলীয় সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত সব নির্বাচনে ক্ষমতাসীনরাই বিজয়ী হয়েছে এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে সরকার পরিবর্তিত হয়েছে। সরকার ক্ষমতা হারানোর ভয়েই আদালতের রায়ের অজুহাত দেখিয়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করে বর্তমান সংকটের সৃষ্টি করেছে।
বিবৃতিতে বলা আরও হয়, বর্তমানে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে অর্থবহ সংলাপের মাধ্যমে একটি দলনিরপেক্ষ নির্বাচনকালীন সরকারের অধীনে একটি অবাধ, সুষ্ঠু, অংশগ্রহণমূলক এবং গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের পথ খুঁজে বের করার জন্য আমরা ঘোষিত তপশিল বাতিলের আহ্বান জানাচ্ছি।
বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেছেন—সাবেক মন্ত্রিপরিষদ সচিব এ এস এম আব্দুল হালিম, সাবেক সচিব, আইজিপি মো. আবদুল কাউয়ুম, সাবেক সচিব মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ, সাবেক সচিব সৈয়দ সুজাউদ্দিন আহমেদ, সাবেক সচিব আবু মো. মনিরুজ্জামান খান, সাবেক সচিব এ. এম. এম. নাছির উদ্দিন, সাবেক সচিব মো. মনিরুল ইসলামসহ মোট ১৪১ অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা।
জনতার আওয়াজ/আ আ