দেশের সবচেয়ে বড় ভারতীয় পণ্য হচ্ছে আওয়ামীলীগ : নুর
নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ:
শুক্রবার, জানুয়ারি ২৬, ২০২৪ ৯:১৮ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ:
শুক্রবার, জানুয়ারি ২৬, ২০২৪ ৯:১৮ অপরাহ্ণ

নিউজ ডেস্ক
গণঅধিকার পরিষদের একাংশের সভাপতি নুরুল হক বলেছেন, দেলোয়ার হোসেন সাইদী সাহেব একবার ওয়াজের মাঠে বলেছিলেন বাংলাদেশের উত্তর গগণে কালো মেঘ ছেয়ে যাচ্ছে। যদি আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে লড়াই করতে না পারি তাহলে সুবেহ সাদিক হবে না। আজকে তা-ই হচ্ছে। কাজেই আজকে দল মত নির্বিশেষে ভারতীয় পণ্য বর্জন করতে হবে। আর এদেশে সবচেয়ে বড় ভারতীয় পণ্য হচ্ছে আওয়ামী লীগ। তাই আওয়ামী লীগকে বয়কট করুন, বর্জন করুন এবং রাজপথে নামুন।
শুক্রবার (২৬ জানুয়ারি) বিকেলে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে যুব অধিকার পরিষদ কর্তৃক আয়োজিত দ্রব্য-মূল্যের লাগামহীন ঊর্ধ্বগতি, জনবিচ্ছিন্ন অবৈধ সরকারের নতজানু পররাষ্ট্রনীতি ও সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বিজিবি হত্যার প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
নুরুল হক নুর বলেন, এখন বর্তমানে দুইটা সংসদ চলছে। আন্দোলন আমরা বন্ধ করি নাই। গণতন্ত্র অর্জন না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে। যেদিন প্রথম ভুয়া, ডামি পার্লামেন্ট বসবে সেদিন গণঅধিকার পরিষদের নেতৃত্বে আমরা সংসদ ঘেরাও কর্মসূচি দিব। তাই আমরা এখন সারা বাংলাদেশ থেকে ঢাকায় এসে অবস্থান নেয়ার আহ্ববান জানাচ্ছি। সংসদ ডাকার সাথে সাথে সংসদ ঘেরাও যেনো আমরা করতে পারি। ২৮ জুলাই, ১০ ডিসেম্বর, ২৮ অক্টোবরের ব্যর্থতা থেকে শিক্ষা নিয়ে আমরা আগামীতে সফলতা আনবোই। ব্যর্থতাই সফলতার সোপান। সুতরাং ঐ ব্যর্থতার অভিজ্ঞতা নিয়েই বিএনপি জামায়াত বামপন্থী ডানপন্থী সকল বাংলাদেশপন্থীদের উক্ত কর্মসূচিতে এখন থেকে অংশগ্রহণ করার আহ্ববান জানাচ্ছি।
তিনি বলেন, শুধুমাত্র দ্রব্যমূল্য না সমস্ত জায়গায় মানুষ একটা সিন্ডিকেটের কাছে জিম্মি হয়ে আছে। সিন্ডিকেটের মূল হোতা হচ্ছে এই সরকার। কাজেই এই সরকারকে হটাতে না পারলে সিন্ডিকেট ভাঙা যাবে না। এই সরকারের শক্তির মূল হচ্ছে মোদির হিন্দুত্ববাদী ভারত। তাই আজকে আমরা বলছি যে বাংলাদেশের মার্কেট থেকে ভারত খেদাও, প্রশাসন থেকে ভারত খেদাও, সাংবাদিক কমিউনিটি থেকে ভারত খেদাও। বাংলাদেশ থেকে অবৈধ ভারতীয়দের খেদাও ভারতীয়দের আধিপত্য ঠেকাও। আমরা আজকে পরিস্কারভাবে বলতে চাই যারা (ভারতীয়রা) এই দেশে ব্যবসা করছেন তারা ব্যবসা গুটিয়ে নেন। আর কোন দোকানে ভারতীয় পণ্য রাখবেন না।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাছান মাহমুদকে ভারতীয় এজেন্ট উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, আমাদের সাধারণ সম্পাদক বলেছেন আওয়ামী লীগে যে কয়েকজন ভারতীয় এজেন্ট আছে তারমধ্যে পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাছান মাহমুদ অন্যতম। চট্টগ্রামে ভারতীয় অফিস আছে যারা লিয়াজো মেন্টেন করে। তো হাছান মাহমুদতো ভারতের পক্ষেই কথা বলবে।
ডাকসুর সাবেক এই ভিপি বলেন, যারা এত কষ্ট করে রাষ্ট্রকে পাহারা দিচ্ছে তাদেরকে রক্ষা করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। কিন্তু সরকার এব্যাপারে কিছুই করেনি। এরকারণ হলো তারা (সরকার) ভারতের গোলাম, তারা ভারতের দাস। একটা ব্যর্থ কার্যকর রাষ্ট্রে বাংলাদেশকে পরিণত করা হচ্ছে। একটা জাতিকে নৈতিকভাবে ধ্বংস করে, তাদের চারিত্রিক অধঃপতন ঘটিয়ে দেশকে ধ্বংস করা হচ্ছে।
যুব অধিকার পরিষদের সভাপতি মঞ্জুর মোরশেদ মামুনের সভাপতিত্বে বিক্ষোভ সমাবেশে গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খানসহ দলের অন্যান্য নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
জনতার আওয়াজ/আ আ