নারীদের স্নাতকোত্তর পর্যন্ত শিক্ষা অবৈতনিক হবে: ডা. জুবাইদা
নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ:
রবিবার, মার্চ ১৫, ২০২৬ ৬:৪৩ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ:
রবিবার, মার্চ ১৫, ২০২৬ ৬:৪৩ অপরাহ্ণ

জনতার আওয়াজ ডেস্ক
ছবি সংগৃহীত
নারীদের জন্য স্নাতকোত্তর পর্যায় পর্যন্ত শিক্ষা অবৈতনিক করার উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানে সহধর্মিণী জুবাইদা রহমান। নারীদের ক্ষমতায়ন ও কন্যাশিশুর ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে সরকার এমন উদ্যোগ নেবে বলে জানান তিনি।
রবিবার (১৫ মার্চ) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে অবস্থিত মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর মিলনায়তনে আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা জানান। জাতীয় কন্যাশিশু অ্যাডভোকেসি ফোরাম এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে ডা. জুবাইদা রহমান বলেন, দেশের প্রতিটি শিশুর জন্য নিরাপদ ও সম্ভাবনাময় ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। তিনি উল্লেখ করেন, বর্তমান সরকারের লক্ষ্য এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তোলা যেখানে নারী ও কন্যাশিশুরা নিরাপদ পরিবেশে বেড়ে উঠবে, সম্মান পাবে এবং নিজেদের সক্ষমতা দিয়ে সমাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবে।
তিনি বলেন, কন্যাশিশুদের স্বপ্ন বাস্তবায়ন এবং তাদের শিক্ষা ও ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করতে সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়ে কাজ করছে। সেই পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই নারীদের জন্য স্নাতকোত্তর পর্যায় পর্যন্ত শিক্ষা অবৈতনিক করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।
ডা. জুবাইদা রহমান আরও বলেন, শিক্ষা একটি কন্যাশিশুর জীবনে সবচেয়ে বড় শক্তি। এটি তাকে অন্ধকার থেকে আলোর পথে নিয়ে যায় এবং একজন দক্ষ ও সচেতন নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠতে সহায়তা করে। একই সঙ্গে শিক্ষা বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
অনুষ্ঠানে বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদান রাখা ব্যক্তিদের সম্মাননা প্রদান করা হয়। এ প্রসঙ্গে জুবাইদা রহমান বলেন, সমাজের নিপীড়িত, বঞ্চিত ও পিছিয়ে থাকা মানুষের কল্যাণে যেসব ব্যক্তি কাজ করছেন, তাদের অবদান অত্যন্ত প্রশংসনীয়। কন্যাশিশুদের অধিকার রক্ষায় এবং তাদের নিয়ে সমাজে সচেতনতা বাড়াতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী কন্যাশিশুরাও নিজেদের অভিজ্ঞতা ও প্রত্যাশার কথা তুলে ধরে। তারা জানায়, অনেক নারী বিচার পাওয়ার আশায় আদালতের দ্বারস্থ হলেও সব সময় প্রয়োজনীয় সহায়তা পান না।
তাদের প্রত্যাশা, নারীরা যেন আদালতে গিয়ে ন্যায়বিচার পেয়ে সম্মানের সঙ্গে মাথা উঁচু করে বের হতে পারেন। এ লক্ষ্য অর্জনে সরকার, সমাজ এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার প্রয়োজন রয়েছে বলেও তারা মত প্রকাশ করে।
জনতার আওয়াজ/আ আ