ফ্যামিলি কার্ড পেয়েছেন ৩৭৮১৪ পরিবার: সংসদে প্রধানমন্ত্রী - জনতার আওয়াজ
  • আজ রাত ৮:৪৭, বৃহস্পতিবার, ১৪ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৩১শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৭শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

ফ্যামিলি কার্ড পেয়েছেন ৩৭৮১৪ পরিবার: সংসদে প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: বুধবার, এপ্রিল ২৯, ২০২৬ ৪:২৪ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: বুধবার, এপ্রিল ২৯, ২০২৬ ৪:২৪ অপরাহ্ণ

 

জনতার আওয়াজ ডেস্ক
ছবি সংগৃহীত
নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর সুরক্ষায় সরকারের ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচির আওতায় ইতোমধ্যে ৩৭ হাজার ৮১৪টি পরিবারের নারী প্রধানকে দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তারা প্রতি মাসে ২ হাজার ৫০০ টাকা করে সহায়তা পাচ্ছেন।

বুধবার (২৯ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে সাংসদ মো. রবিউল আওয়ালের লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।

অধিবেশনের সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, একটি নিরাপদ, বৈষম্যহীন ও জলবায়ু সহিষ্ণু বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সরকার কাজ করছে, যেখানে নারী ও শিশুরা উন্নয়নের সমঅংশীদার হবে।

তিনি জানান, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে দরিদ্র ও ঝুঁকিপূর্ণ নারীদের সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে ভালনারেবল উইমেন বেনিফিট (ভিডব্লিউবি), মা ও শিশু সহায়তা কর্মসূচি, ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম এবং নারী উদ্যোক্তাদের পণ্য বিপণনে সহায়তা।

নারী নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের পাশাপাশি টোল-ফ্রি হেল্পলাইন, ওয়ানস্টপ ক্রাইসিস সেন্টার, ডিএনএ প্রোফাইলিং ল্যাব এবং ট্রমা কাউন্সেলিং সেন্টার চালু রয়েছে বলেও জানান তিনি।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, মা ও শিশু সহায়তা কর্মসূচি সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে, যেখানে প্রসবপূর্ব ও পরবর্তী সেবা, টিকাদান এবং প্রতিষ্ঠানিক ডেলিভারি অন্তর্ভুক্ত করা হবে। নারীদের জন্য প্রশিক্ষণ, জীবিকা সহায়তা এবং গ্রাজুয়েশনভিত্তিক মডেল সম্প্রসারণের উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে।

শিশুদের কল্যাণে বিভিন্ন কার্যক্রমের কথা উল্লেখ করে তিনি জানান, আবাসিক কেন্দ্রের মাধ্যমে পথশিশুদের পুনর্বাসন, আউটরিচ স্কুল এবং কর্মজীবী মায়েদের জন্য ৬৪টি দিবাযত্ন কেন্দ্র পরিচালিত হচ্ছে।

এছাড়া উপকূলীয় এলাকায় জলবায়ু অভিযোজন প্রকল্পের মাধ্যমে ৪৩ হাজার নারীকে সহায়তা এবং হাজারো পরিবারে বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ ব্যবস্থা স্থাপন করা হয়েছে। নদীভাঙন ঝুঁকি মোকাবিলায় খুলনা অঞ্চলে বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়নাধীন রয়েছে বলেও তিনি জানান।

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ