বাংলাদেশ গণতন্ত্র মুক্তির প্রস্রাব বেদনায় ভুগছে: আলাল
নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ:
মঙ্গলবার, মে ২১, ২০২৪ ৪:১৫ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ:
মঙ্গলবার, মে ২১, ২০২৪ ৪:১৫ অপরাহ্ণ

জনতার আওয়াজ ডেস্ক
বাংলাদেশ গণতন্ত্র মুক্তির প্রস্রাব বেদনায় ভুগছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের গণতন্ত্র বাংলাদেশের মানুষের জীবনে একটা নব দিগন্ত, নব উন্মোচন এর অপেক্ষায় আছে। প্রভাত বেশি দূরে নয়। প্রভাতের আলো ক্রমশে দেখা যাচ্ছে। সে আলোর কাছাকাছি পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্ব বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি দল বিএনপির।
মঙ্গলবার (২১ মে) ঢাকা রিপোর্টাস ইউনিটিতে এক স্মরণ সভায় তিনি এসব কথা বলেন। জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি-জাগপা’র প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি শফিউল আলম প্রধানের ৭তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে স্মরণ সভার আয়োজন করে জাগপার একাংশ।
মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল বলেন, এই সরকারের রাজনীতি করার জন্য কোন মানুষের প্রয়োজন পড়ে না। কোন রাজনৈতিক দলের প্রয়োজন পড়ে না কোন বিরোধী দলের প্রয়োজন পড়ে না। গণতন্ত্র এবং ভোটের অধিকার সম্পূর্ণ ধ্বংস করে দিয়েছে। এই সরকার দেশের সকল সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান প্রশাসন আইন বিচার বিভাগ সহ সকল প্রতিষ্ঠান একদলীয়করণ এবং ধ্বংস করে দিয়েছে। সুষ্ঠু নির্বাচন বলতে ভোটগ্রহণ ও ফল প্রকাশ এটা বোঝায় না। সুষ্ঠু নির্বাচন মানে দেশের সমগ্র মানুষ স্বতঃফুত ভাবে তাদের ভোট দিবে এবং তাদের ফলাফল বুঝে নিবে এটাই বোঝায।
তিনি বলেন, এই আওয়ামী লীগ সরকার যার প্রয়োজন তাকে বুকে নেই এবং প্রয়োজন শেষ হওয়ার সাথে সাথে টিস্যু পেপারের মতো ছুঁড়ে ফেলে দেয়। যার প্রমাণ আনোয়ার হোসেন মঞ্জু, যার প্রমাণ দিলীপ বড়ুয়া যখন প্রয়োজন ছিল ব্যবহার করেছে প্রয়োজন শেষ তাদেরকে ছুড়ে ফেলে দিয়েছে। এটাই থেকে প্রমাণ পাওয়া যায় যাকে খুশি তাকে কাছে ডেকে নেয় প্রয়োজন শেষ হলে তাকে ফেলে দেয়, তেমনি শফিউল আলম প্রধান কে এই সরকার প্রয়োজনে কাছে নিয়েছিল এবং তার প্রয়োজন শেষ হওয়ার পর প্রধান কে ফেলে দিয়েছিল এবং তাকে কারাগারে অন্তরীণ করেছিল এই সরকার। তার আত্মার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও শান্তি কামনা করেন।
যুবদলের সাবেক এই সভাপতি বলেন, প্রাচীন গ্রিকে একটি প্রথা ছিল। যারা রাজনীতিবিদ ছিল তাদেরকে জনগণের ভোটের মাধ্যমে ১০ বছরের জন্য নির্বাসিত করা হতো। সেই নির্বাচনে ধারা জ্যোতি বাংলাদেশ আনা যেত। সেই নির্বাচন যদি বাংলাদেশে হতো তাহলে এক নাম্বার হতেন শেখ হাসিনা। ১০০ তে ১০০ পেতেন তিনি।
স্মরণ সভায় আরও বক্তব্য রাখেন বিএনপি’র মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, জাগপা একাংশের সভাপতি খন্দকার লুৎফর রহমান, এনপিপির চেয়ারম্যান ড: ফরিদুজ্জামান ফরহাদ প্রমুখ।
জনতার আওয়াজ/আ আ