বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান এর কাছে মিনার চৌধুরীর খোলা চিঠি
নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ:
শুক্রবার, অক্টোবর ১১, ২০২৪ ৯:১৫ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ:
শুক্রবার, অক্টোবর ১১, ২০২৪ ৯:১৫ অপরাহ্ণ

জনতার আওয়াজ ডেস্ক
বরাবর,
মাননীয় ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল,
জনাব,
আপনার সদয় অবগতি ও ব্যবস্হা গ্রহনের জন্য পেশ করছি যে, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির স্বঘোষিত সভাপতি আওয়ামী মেয়র আলাউদ্দীনের বিষয়ে আপনার নিকট অভিযোগ করার পর একশন হওয়াতে সে পদত্যাগ করেছে। তার সাথে মহাসচিব হয়েছে সাইফুল আলম। সে ঢাকা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতিরও সাধারন সম্পাদক। এই ব্যক্তি ১৯৯৬-২০০১ মেয়াদে বাতেন নামে এক ব্যক্তিকে সভাপতি বানিয়ে ঢাকা সড়কের দখল নিয়ে চাঁদাবাজী করতে থাকে। তার অত্যাচার এমন পর্যায়ে পৌছায় যে, তদকালীন প্রধানমন্ত্রী ও আমাদের শ্রদ্ধেয় দেশনেত্রী যে ক্লিন হার্ট অপারেশন চলান তখন আর্মির ভয়ে পালিয়ে যায়। তার কারনে আমাদের স্হায়ী কমিটির সনমানিত সদস্য জনাব মির্জা আব্বাস সাহেবও বদনামে পড়েছিলেন। তাই উনি এখন তাকে কোন যায়গা দেননা। সে ২০১৪ ইং সুবেদ আলী ভূঁয়ার হাত ধরে আওয়ামীলীগে যোগ দেয়। তাকে দল থেকে বহি:ষ্কার করা হয়। তবে তার বহি:ষ্কার আদেশ প্রত্যাহার হয়েছে কিনা তা নিশ্চিত হতে পারিনি।
গত দেড়মাস সে ঢাকা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির অফিস তালা ভেংগে দখল করে ভূয়া কমিটি বানিয়ে বিএনপির ক্ষমতার প্রচার করে চাঁদাবাজী শুরু করেছে। আমি যেহেতু এসোসিয়েশন অব বাস কোম্পানিজ এর প্রতিষ্ঠাতা ও পরিবহনের সাবেক
সহ- সভাপতি তাই সংগবদ্ধ মালিকগনের নেতৃত্ত্ব নিয়ে আজ প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করতে গেলে ২০০/৩০০ গুনডা পাঠিয়ে আমাকে ও মালিকদের আক্রমন করে। তারা আমাকে আওয়ামীলীগার বলে হৈচৈ করে। আমার গায়ে হাত উঠায়।
মাননীয় শীর্ষ নেতা আপনি কেন্দ্রে একটা নির্দেশ দিলে এই চাঁদানাজদের এক মিনিটে চাঁদাবাজ সাইফুল বাতেনকে একমিনিটে বের করে দেয়া সম্ভব। তারা এখনো সরকারী অনুমোদন পায়নি। আমি একরাম হত্যার মিথ্যা মামলায় ৪ বছর হাজত খেটেও আওয়ামীলীগার তাদের কাছে।
শ্রদ্ধান্তে
আপনার দলীয় অনুগত
মাহতাব উদ্দিন মিনার চৌধুরী।
জনতার আওয়াজ/আ আ