ভারতে বসে শেখ হাসিনার বিবৃতি, এবার দিল্লিকে যে বার্তা দিলেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা - জনতার আওয়াজ
  • আজ রাত ১০:০৩, বৃহস্পতিবার, ১৪ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৩১শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৭শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

ভারতে বসে শেখ হাসিনার বিবৃতি, এবার দিল্লিকে যে বার্তা দিলেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: বৃহস্পতিবার, জানুয়ারি ২২, ২০২৬ ১১:০০ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: বৃহস্পতিবার, জানুয়ারি ২২, ২০২৬ ১১:০০ অপরাহ্ণ

 

জনতার আওয়াজ ডেস্ক
ছবি: সংগৃহীত
ভারতে অবস্থান করে শেখ হাসিনার কোনো ধরনের রাজনৈতিক বিবৃতি দেওয়ার বিষয়টি প্রত্যাশা করে না বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার—এমন স্পষ্ট বার্তা আবারও দিল্লিকে দিয়েছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন।

সম্প্রতি বিবিসি ইন্ডিয়াকে দেওয়া এক সাক্ষাতকারে তিনি বলেন, বর্তমান প্রেক্ষাপটে এ ধরনের তৎপরতা বাংলাদেশ–ভারত সম্পর্কের জন্য ইতিবাচক কোনো দৃষ্টান্ত তৈরি করবে না।

দীর্ঘ এ সাক্ষাতকারে বাংলাদেশ–ভারত সম্পর্ক, সাম্প্রতিক টানাপোড়েন, জাতীয় নির্বাচন এবং দিল্লিতে শেখ হাসিনার অবস্থানসহ বিভিন্ন বিষয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের অবস্থান তুলে ধরেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা।

তৌহিদ হোসেন বলেন, কিছু ভুল বোঝাবুঝি ও অস্বস্তি থাকলেও ভৌগোলিক অবস্থান ও অর্থনৈতিক বাস্তবতার কারণে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সুসম্পর্ক বজায় রাখা দুই দেশের জন্যই গুরুত্বপূর্ণ।

২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর বাংলাদেশ–ভারত সম্পর্কে বড় ধরনের টানাপোড়েন শুরু হয়। ওই সময় সংখ্যালঘু নির্যাতনের অভিযোগ, সীমান্ত উত্তেজনা এবং পাল্টাপাল্টি কূটনীতিক তলবের মতো ঘটনাও ঘটে। সর্বশেষ বাংলাদেশে ভারতের হাইকমিশন ও সহকারী হাইকমিশনগুলোতে কর্মরত কূটনীতিক ও কর্মকর্তাদের পরিবারের সদস্যদের ফিরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় নয়াদিল্লি।

এমন প্রেক্ষাপটেই বিবিসি ইন্ডিয়াকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, ভারতে বসে শেখ হাসিনার বিবৃতি দেওয়া বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার প্রত্যাশা করে না। তার মতে, বর্তমান পরিস্থিতিতে এ ধরনের বক্তব্য বা তৎপরতা দুই দেশের সম্পর্ককে আরও জটিল করে তুলতে পারে।

সংখ্যালঘু নির্যাতনের অভিযোগ প্রসঙ্গে তৌহিদ হোসেন বলেন, বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার প্রতিটি ঘটনায় দ্রুত পদক্ষেপ নিয়েছে এবং জড়িতদের গ্রেফতার নিশ্চিত করেছে। তিনি বলেন, ভারতের অভ্যন্তরে সংখ্যালঘু নির্যাতনের বিষয় নিয়ে বাংলাদেশ কখনো প্রকাশ্যে কথা বলে না। একই নীতি বাংলাদেশ প্রসঙ্গেও ভারত সরকারের অনুসরণ করা উচিত।

পররাষ্ট্র উপদেষ্টা আরও বলেন, পারস্পরিক সংযম ও কূটনৈতিক শিষ্টাচার বজায় রেখেই দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান ভুল বোঝাবুঝি কাটিয়ে ওঠা সম্ভব।

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ