মহান জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস ওমর হউক
নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ:
বৃহস্পতিবার, নভেম্বর ৬, ২০২৫ ১১:৩৬ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ:
বৃহস্পতিবার, নভেম্বর ৬, ২০২৫ ১১:৩৭ অপরাহ্ণ

পর্ব ১.
WHILE YOU LIVE , TELL THE TRUTH AND SHAME THE DOVIL”- যতদিন তুমি বাঁচো , সত্য বলে বাঁচো এবং শয়তানকে লজ্জা দাও।
নজরুল ইসলাম চৌধুরী
আজ মহান ৭ই নভেম্বর , জাতীয় জীবনে এটি একটি ঐতিহাসিক দিন ” মহান জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস”। জাতীয় জীবনে এই দিনটি খুবেই তাৎপর্য্যপুর্ন ও বৈশিষ্ট্য মন্ডিত । এই দিন মহান স্বাধীতা পরবর্তি নানাহ প্রেক্ষাপটের প্রেক্ষিতে ১৯৭৫ এর এই দিনে দেশের ” চীর উন্নত মমশীর ” জাতীর গর্ব ও অহংকার সেনাবাহীনি ও সর্বস্তরের জনতা ঐক্যবদ্ধ হয়ে তাবেদারী ও পরাশক্তিকে পরাস্থ করার দিন। দেশের এক শ্রেনীর তাবেদারী ও ভৃতাত্ববাদীতে বিশ্বাসী সড়যন্ত্রকারীদের হাত থেকে দেশের গৌরবময় সেনাবাহিনী কে নিশ্চিত ধ্বংশের হাত থেকে রক্ষা করার দিন হলো মহান ৭ই নভেম্বর । ঐ সময়ে যদি সড়যন্ত্রকারীদের ন্যাক্কারজনক উদ্দেশ্য সফল হত, তা হত নিশ্চিত মহান স্বাধীতা বিপন্ন হয়ে যেতো।বিগত ১/১১ পরবর্তি দিনে তথাকথিত মইন – ফখরুলের সেনা সমর্থিত তত্বাবধায়ক সরকার পরা শক্তির এজেন্ডা বাস্তবায়ন করে সর্বপ্রথম এই মহান জাতীয় দিবসটিকে অবমাননা করেছে। যারা মহান সংবিধানকে পদদলিত করে অবৈধ ভাবে দেশী ও বিদেশীর শৃষ্ঠ নিল নকশায় দেশের গনতন্ত্র ও জাতী সত্বাকে দীর্ঘ ১৮ মাস ক্লিনিক্যাল ডেথ করে রেখে দিয়েছিল। জাতীয় জীবনে এই মহান দিনটিকে সেই মইন – ফখরু কেন ফ্রিজাআপ করে রেখেছিল তা ২০০৮ এর পরের প্রেক্ষাপট নিরব সাক্ষী । স্বৈরাচারী কৌশলের কারনে দেশের জনগন গনতন্ত্রিক অধীকার থেকে বঞ্চিত হওয়ার পথকে সুগম করেছিল। যাহা সেই ২০০৮ সাল থেকে আজকে দিন পর্যন্ত প্রতিয়মান । বড়ই পরিতাপর বিষয় যে সেই ২০০৮ পরবর্তী সময় থেকে আজ অবধী স্বৈরাচারতা দিনে দিনে ফ্যাসিস্ট ও ডন মাফিয়ার সরকারে পরিনত হয়ে দেশ চলেছিল এক ভয়াবহ শ্বাস রুদ্ধকর অবস্থা। ছিলনা কথা বলার অধীকার , নুঃনতম বাক শক্তি , ছিল না রাজনৈতিক চর্চা। হাঁ সেই ১৯৭০সালে থেকে রাজনৈতিক পরিমন্ডলে পদার্পন করার পর এই নাতী দীর্ঘ অভিজ্ঞতার আলোকে বলছি – দেশের এমন ক্লান্তি কালের জন্য একমাত্র দায়ী হল প্রজ্ঞা , মেধা , যোগ্যবান সংগঠক – অসংগঠক ভেদ বিছার না থাকর কারনেই দেশের রাজনৈকি প্রেক্ষাপটে দেশপ্রেম হীন রাজনৈতিক আগাছা উথ্বান এবং দীর্ঘ দুই যুগেরো বেশি সসয় ধরে আওয়ামী ফ্যাসিস্টবাদ দেশ জাতী ও দেশের রাজনীতি নির্বাসনে পতিত হয়ে পড়েছিল।
সম্মানিত পাঠক বৃন্দ সেই ছোটবেলা থেকে অপ্রিয় সত্যকে তুলে ধরাকে নিজের নীতি নৈতিকতা সৎ সাহস হিসাবে রপ্ত করেছি আর তাই সৎ সাহস নিয়ে সত্যকে তুলে ধরার চেষ্টা আজো অব্যাহত।
আসা যাক মূল লক্ষ্যে — পাঠক বৃন্দ আপানদের একটি প্রশ্ন আমার দিকে আসতে পারে যে , ৭৫ পরবর্তী সময় থেকে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ কোন দিনেই পালন করেনি । হাঁ আমি আপনাদের সাথে শতভাগ একমত পোষন করছি । কিন্তু না বললেই নয় – এই দিনকে যদি আওয়ামীলীগ স্বীকৃতি দিয়ে থাকতো তা হলে স্বাধীনতার পরবর্তিত পটভূমির বাস্তবতার কারনে তারাই তাদের দলকে এবং নিজেদেরকে রাস্ট্রদ্রোহী হিসাবে চিহ্নিত করতে হতো।
১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধ কালিন সময়ে জীরন বাজি রেখে মুক্তিযোদ্ধাদের একজন সাহায্যকারী ও ইনফর্মার কিশোর গ্যারিলা হিসাবে প্রকৃত স্বাধীনতা যুদ্ধ বিরোধীদের সাথে আমার কোন আপোষ ছিলনা , আজো নেই এবং আমরন থাকবে না। এটি হলো আমার স্বাধীকার।
মহান ৭ই নভেম্বর কেন? কাদের কারনে সৃষ্টি তা বিচার বিশ্লেষ থেকে দুনিয়ার কোন অপ শক্তি আমাকে দাবিয়ে রাখতে পারবেনা। দেশের কোন প্রেক্ষাপট এবং কাদের কারনে সেই সময়ে দেশের গর্বিত সেনা কর্মকর্তা ও জোয়ানদের খুন হতে হয়েছে? যাদের দাসত্বে, সড়যন্ত্রে ও ব্যর্থতায় এ দেশের স্বাধীনতা বিপন্ন হয়ে একটি তাবেদারী রাস্ট্রে পরিনত হওয়ার পথ তৈরী হয়েছিল ? আমার রাজনৈতিক ও দেশপ্রেমের চেতনার অবস্থান থেকে আমি ঐ সকল পরা শক্তির পুজারী ও দাস দাসীদের সাথে সেই মহান মুক্তিযুদ্ধের বিরোধী চক্রের চাইতে আরো কঠিন এবং কঠোর ভাবে আপোষহীন । গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করছি সেই মহান ৭ই নভেম্বরে যারা আত্বহোতি দিয়ে পরা শক্তির কবল থেকে বিপন্নের হাত থেকে দেশের মহান স্বাধীতা স্বার্বভৌমত্বকে রক্ষা করেছেন তাদের বিদেহী আত্বার প্রতি । মহান রাব্বুল আল্ আমিনের দরবারে তাদের আত্বার মাগফেরাত কামনা করছি । ———————- চলবে।
নজরুল ইসলাম চৌধুরী
সাবেক সভাপতি ফেনী জেলা জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল
( ১৯৮২ – ৮৪)
( দৃষ্টি রাখুন আগামীকালের ২ পর্বে)
জনতার আওয়াজ/আ আ