রাষ্ট্র ও দল পরিচালনায় বাবার পথেই এগোচ্ছেন তারেক রহমান - জনতার আওয়াজ
  • আজ বিকাল ৪:১৮, সোমবার, ১৮ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৪ঠা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১লা জিলহজ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

রাষ্ট্র ও দল পরিচালনায় বাবার পথেই এগোচ্ছেন তারেক রহমান

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: সোমবার, মে ১৮, ২০২৬ ১২:৩৪ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: সোমবার, মে ১৮, ২০২৬ ১২:৩৪ অপরাহ্ণ

 

জনতার আওয়াজ ডেস্ক
ছবি : সংগৃহীত
দীর্ঘদিন পর ক্ষমতায় এসে সরকার ও বিএনপি যেন অনেকটাই একাকার। বেশিরভাগ গুরুত্বপূর্ণ নেতা ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে এমপি ও মন্ত্রী হয়েছেন। এমন পরিস্থিতিতে দল ও সরকারের মধ্যে কাজের ভারসাম্য বজায় রাখার লক্ষ্যে ব্যতিক্রম ছাড়া (কেন্দ্রীয় পদ) মন্ত্রী-এমপিদের দলের জেলা, থানা কিংবা মহানগরীর শীর্ষ ও গুরুত্বপূর্ণ সাংগঠনিক পদ থেকে সরিয়ে দিতে চায় বিএনপি। মূলত রাজনীতিতে নেতৃত্বের বিকাশ ঘটাতেই এমন পদক্ষেপ নিতে চায় বিএনপির হাইকমান্ড। এতে সরকারের অনেক মন্ত্রী-এমপি দলীয় পদ হারাতে পারেন বলে দলটির নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছে। এর মধ্য দিয়ে ‘এক নেতার এক পদ’ নীতি কার্যকর করা হতে পারে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, আসন্ন সপ্তম জাতীয় কাউন্সিলে জেলা-মহানগর কমিটি এবং অঙ্গসহযোগী সংগঠনের কমিটিগুলো ঢেলে সাজাতে চায় বিএনপির হাইকমান্ড। প্রথম ধাপে সংগঠনের শীর্ষ পদ থেকে মন্ত্রী ও এমপিদের সরিয়ে দেওয়া হতে পারে। এরপর ধাপে ধাপে জেলা কমিটি থেকেও বাকিদের সরিয়ে দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আবার কেউ কেউ দলের সাংগঠনিক পদ ছেড়ে দিয়ে মন্ত্রী ও এমপির প্রশাসনিক কাজে সক্রিয় থাকতে চান। দলের একাধিক পদে না থেকে একটি পদে থেকে মন্ত্রী ও এমপিরা প্রশাসনিক কাজে মনোযোগ দিলে সরকারের গতি বৃদ্ধি পাবে বলেও মনে করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

জানা গেছে, দলের সংস্কারের এ অংশ হিসেবে গত মার্চ মাসে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি পদ ছেড়ে দিয়েছেন। তিনি এখন পুরোদমে মন্ত্রণালয়ের দাপ্তরিক কাজে নিয়োজিত। এ ছাড়া দলীয় পদ ছেড়েছেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ এবং ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সরকার ও দলের পৃথক অনেক গুরুত্বপূর্ণ কাজ থাকে। দলের গুরুত্বপূর্ণ পদে এমপি-মন্ত্রীরা যদি আঁকড়ে থাকেন, তাহলে দল ও সরকারের কার্যক্রম পরিচালনা ব্যাহত হয়। অনেকে আবার দলের কাজেও ঠিকমতো সময় দিতে পারছেন না। তাই কেউ কেউ সাংগঠনিক একাধিক পদ ছেড়ে দিয়ে একটি পদে থেকে দায়িত্ব পালনের চিন্তাভাবনা করছেন। এক্ষেত্রে হাইকমান্ডের চিন্তা দল ও সরকার পরিচালনার জন্য বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের নীতি অনুসরণ করা।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, সরকার পরিচালনায় সফল হতে হলে দল ও সরকারের মধ্যে একটি সুস্পষ্ট প্রাতিষ্ঠানিক ভারসাম্য থাকা অপরিহার্য। মন্ত্রীরা প্রশাসনিক কাজে এবং অন্য নেতারা দল গোছানোর কাজে ব্যস্ত থাকলে ক্ষমতার অপব্যবহার রোধ করা সম্ভব হবে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সরকার ও রাজনীতি বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক দিলারা চৌধুরী কালবেলাকে বলেন, সরকার ও দল এক থাকা যৌক্তিক নয়। দলের প্রধান ও সরকার প্রধান একই ব্যক্তি হতে পারবেন না, এটা জুলাই সনদের সংলাপে আলোচনা হয়েছে। কিন্তু এখন দেখছি সরকার ও দল একা হয়ে যাচ্ছে। বিএনপি সবকিছুতে এত দলীয়করণ করছে যে, দল ও সরকারের মধ্যে পার্থক্য খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। সরকার ও দল আগামীদিনে একাকার হয়ে গেলে এটা দলের জন্য অশনিসংকেত হতে পারে।

তিনি আরও বলেন, বিএনপি চেয়ারপারসন মরহুমা বেগম খালেদা জিয়া গণতন্ত্রের জন্য লড়াই করেছেন। কিন্তু বর্তমানে বিএনপির কাজে দেখা যাচ্ছে অন্যরকম। আইন-কানুন মোতাবেক সরকার সরকারের কাজ করবে, দল দলের কাজ করবে—এটাই হওয়া উচিত।

বিএনপির একাধিক সিনিয়র নেতা কালবেলাকে জানান, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দল ও সরকার আলাদা রাখার একটি নীতি অনুসরণ করতেন। তার সময়ে যারা সরকারের গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী বা সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন, তারা একই সঙ্গে দলের শীর্ষ সাংগঠনিক পদে থাকতে পারতেন না। সেই সময়ে দল গোছানোর কাজে মনোযোগ দেওয়ার জন্য বিএনপির প্রথম মহাসচিব মরহুম অধ্যাপক ডা. এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরীকে দপ্তর থেকে সরিয়ে দপ্তরবিহীন করা হয়। পরে তিনি সারা দেশ ঘুরে ঘুরে দলকে সংগঠিত করেছিলেন। আর জিয়াউর রহমান রাতে ছাত্র ও যুব নেতাদের বাসায় ডেকে কথা বলতেন।

আলাপকালে বিএনপির নেতারা আরও জানান, জিয়াউর রহমানের সময়ে অনেক মন্ত্রী-এমপি নিজ থেকে একাধিক পদ ছেড়ে দিয়ে সরকার পরিচালনার কাজে মনোযোগী ছিলেন। এ ছাড়া দলের এমপি-মন্ত্রী ও নেতাকর্মীদের জন্য নিয়মিত রাজনৈতিক প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা ছিল। প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ‘বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী’ ও ‘১৯ দফা’ কেন্দ্রিক রাজনীতির সুনির্দিষ্ট সময়ের জন্য একটা ক্লাস হতো। মন্ত্রী-এমপি ও নেতাকর্মীদের কোনো কোনো ক্ষেত্রে পরীক্ষাও দিতে হতো। সেই সময়ে যারা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতেন, তাদের সার্টিফিকেট দিতেন জিয়াউর রহমান। তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শাহ আজিজুর রহমান পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন। এখন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানও একই ধরনের প্রশিক্ষণ বা মতবিনিময় সভার উদ্যোগ নিচ্ছেন।

সিনিয়র নেতাদের সঙ্গে আলাপকালে আরও জানা যায়, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বিভিন্ন সমাবেশে মন্ত্রী ও এমপিদের নেতাকর্মীদের পাশাপাশি জনগণের মুখোমুখি দাঁড় করতেন। বিশেষ করে বিভিন্ন সমাবেশে সাধারণ মানুষ ও নেতাকর্মীদের আহ্বান করতেন, ‘বলুন আপনারা মন্ত্রী ও এমপিদের কাছে কী চান? তাদের কাছ থেকে প্রতিশ্রুতির কতটুকু পেয়েছেন? আর কী পাননি?’ এর মধ্য দিয়ে মন্ত্রী-এমপিদের জবাবদিহি নিশ্চিত করতেন তিনি। এরই অংশ হিসেবে গত ৯ মে রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে মতবিনিময় সভায় মন্ত্রীরা তাদের ৮০ দিনের কাজের হিসাব দিয়েছেন নেতাকর্মীদের কাছে। যেখানে সারা দেশের প্রতিটি জেলা ও মহানগরী এবং অঙ্গসংগঠনের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন। অনেকের মতে, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ছেলে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানও সেই পথেই হাঁটছেন। আগামীদিনে কয়েক মাস পরপর বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে মন্ত্রী-এমপিদের কাজের জবাবদিহি নিশ্চিত করবেন তিনি।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের বিভিন্ন পদক্ষেপের কারণে ধানমন্ডি-৩২ নম্বরের একটি বাড়ির নির্দিষ্ট গণ্ডি থেকে বের করে রাজনীতিকে জনগণের দোরগোড়ায় নিয়ে গিয়েছিলেন। যারা মন্ত্রী-এমপি থাকবেন, তারা দলীয় কোনো পদে থাকবেন না—জিয়াউর রহমানের এ মডেল অনুসরণ করে ‘এক নেতা এক পদ’ নীতি চালু করেছিল বিএনপি। ২০১৬ সালে দলের ষষ্ঠ জাতীয় কাউন্সিলে এ বিষয়ে গঠনতন্ত্রে যুক্ত করা হয়েছে।

জানা গেছে, ঢাকা মহাগর বিএনপি, যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দল—এ তিন সংগঠনের অন্তত ছয়জন নেতা এমপি-মন্ত্রী হয়েছেন। এদের মধ্যে দুজন প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করছেন। এরা হলেন ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক, ঢাকা-১৮ আসনে উত্তর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক এসএম জাহাঙ্গীর হোসেন, ফেনী-১ আসনে দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক রফিকুল আলম মজনু, ভোলা-৪ আসনে যুবদলের সাধারণ সম্পাদক নরুল ইসলাম নয়ন, গোপালগঞ্জ-৩ আসনে স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এসএম জিলানী এবং বরিশাল-৪ আসনে সংসদ সদস্য ও প্রতিমন্ত্রী রাজীব আহসান। এদের সরিয়ে দিয়ে এ তিন ইউনিটের নতুন কমিটি গঠনের কাজ চলমান।

সংসদ সদস্যের পাশাপাশি জেলা ও মহানগরীর গুরুত্বপূর্ণ শীর্ষ পদেও আছেন অনেকে। এদের মধ্যে আছেন লক্ষ্মীপুর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও পানিসম্পদ শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, লালমনিরহাট-৩ আসনে জেলা বিএনপির সভাপতি ও রংপুর বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক এবং ত্রাণ ও দুর্যোগমন্ত্রী আসাদুল হাবীব দুলু, পঞ্চগড়-২ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির সদস্য সচিব পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, কক্সবাজার-৪ আসনে জেলা বিএনপির সভাপতি শাহজাহান চৌধুরী, মাগুরা-১ আসনে জেলা বিএনপির সদস্য সচিব মনোয়ার হোসেন খান, চট্টগাম-৮ আসনে মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক এরশাদ উল্যাহ, মাদারীপুর-২ আসনে জেলা বিএনপির সদস্য সচিব জাহান্দার আলী জাহান, নড়াইল-১ আসনে জেলা বিএনপির সভাপতি বিশ্বাস জাহাঙ্গীর আলম, বান্দরবানে জেলা বিএনপি আহ্বায়ক সাচিং প্রু, সিলেট-৬ আসনে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এমরান আহমদ চৌধুরী, নরসিংদী-১ আসনে জেলার বিএনপির সভাপতি ও দলের যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, নরসিংদী-৩ আসনে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মনজুর এলাহী, নীলফামারী-৪ (সৈয়দপুর) জেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল গফুর সরকার, জামালপুর-৪ আসনে জেলা বিএনপির সভাপতি ফরিদুল কবীর তালুকদার শামীম, জামালপুর-৫ আসনে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শাহ মো. ওয়ারেছ আলী মামুন, চাঁদপুর-৩ আসনে জেলা বিএনপির সভাপতি শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ আসনে জেলা বিএনপির সভাপতি খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামলসহ অনেক সংসদ সদস্য।

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু কালবেলাকে বলেন, ‘শহীদ রাস্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের দল ও সরকারের এমপি-মন্ত্রীদের মধ্যে একটা পার্থক্য ছিল। সেই সময়ে দলের যেসব নেতা এমপি-মন্ত্রী থাকতেন, তারা জেলার সভাপতি বা সাধারণ সম্পাদক পদে থাকলে নিজেরা পদত্যাগ করতেন। তখন অন্য কেউ সভাপতি বা সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পেতেন। এটা সাংবিধানিক না হলেও উৎসাহিত করতেন। তিনি অনেকটাই বাস্তবায়ন করেছিলেন। জিয়াউর রহমানের এই মডেল অনুসরণ করে ‘এক নেতা এক পদ’ নীতি চালু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল বিএনপি।

তিনি বলেন, ‘সরকারের বয়স মাত্র তিন মাস। আগামীদিনে সরকার ও দলের নতুন সাংগঠনিক কাজ সমন্বয়ের মধ্য দিয়ে এগোবে। অতীতে অনেক নেতা একাধিক পদে ছিলেন। এখন হয়তো ‘এক নেতা এক পদ’ নীতি কার্যকর হতে পারে। কাউকে সরিয়ে দেওয়ার ব্যাপার নয়, হয়তো পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে। বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান তার বাবা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের পথ অনুসরণ করে দল ও সরকার পরিচালনা করবেন—এটা স্বাভাবিক। দীর্ঘ সময় ধরে তা করে আসছেন।’

বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল বলেন, ‘শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান যখন দল সুসংগঠিত করার দরকার, তখন বি. চৌধুরীকে মন্ত্রিসভা থেকে সরিয়ে দপ্তরবিহীন করেছিলেন। তারপর তার নেতৃত্বে একটি টিম সারা দেশে ঘুরে ঘুরে দলকে সংগঠিত করেছিল। সেই সময়ে জিয়াউর রহমান সারা দেশ থেকে ছাত্র ও যুব নেতাকর্মীদের ধানমন্ডিতে নিজের বাসায় ডেকে এনে কথা বলতেন। মন্ত্রীদের মঞ্চে রেখে তাদের সফল বা ব্যর্থতার প্রমাণ নেতাকর্মীদের কাছে দেওয়ার ব্যবস্থা করেছিলেন। তিনি দায়বদ্ধতা ও জবাবদিহির একটা কালচার শুরু করে দিয়েছিলেন। বাহুল্য পছন্দ করতেন না, তার ব্যাপারে অতিরিক্ত বিশ্লেষণ দিতে গেলেন তাকে থামিয়ে দিতেন। এটা অপছন্দ করতেন, বলতেন আমার দায়িত্ব।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী যে গতিতে যাচ্ছেন, তার পুরো মন্ত্রিসভা ও টিমকে সেই গতির সঙ্গে সংযুক্ত করতে চাচ্ছেন। তার গতির সঙ্গে সমন্বয় করে পুরো টিমকে প্রাণবন্ত করার চেষ্টা করছেন। এককথায়—সিম্পল লিভিং, হাই থিংকিং। পারিবারিক উত্তরসূরি নয়; নিজের দক্ষতা, যোগ্যতা ও ভিশন এগুলোর অনুসরণ করে বাবার আদর্শে রাষ্ট্রনায়কে পরিণত হতে যাচ্ছেন।সূত্রঃ কালবেলা

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ