রায় শুনে রামিসার বাবা বললেন- ‘আলহামদুলিল্লাহ’
নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ:
রবিবার, জুন ৭, ২০২৬ ৪:১০ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ:
রবিবার, জুন ৭, ২০২৬ ৪:১০ অপরাহ্ণ

জনতার আওয়াজ ডেস্ক
ছবিঃ সংগৃহীত
রাজধানীর পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসার ধর্ষণের পর গলাকেটে হত্যার মামলায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না খাতুনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা। রায় শুনে তিনি বলেছেন- ‘আলহামদুলিল্লাহ, আমরা প্রত্যাশিত রায় পেয়েছি। যত দ্রুত রায় কার্যকর চাই।’
রবিবার (৭ জুন) ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালত এ রায় ঘোষণা করেন। এরপর আদালত প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপাকালে এসব কথা বলেন রামিসার বাবা।
রামিসার বাবা বলেন, আমরা প্রত্যাশিত রায় পেয়েছি। এই রায়ে আমাদের আশা ও আকাঙ্ক্ষা মিটবে। রায়ে আমি শতভাগ খুশি হয়েছি। প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া সময়ের মধ্যেই আমরা কাঙ্ক্ষিত রায় পেয়েছি।
এ সময় তিনি আদালতে বলেন, বিচারপতি, পুলিশ প্রশাসন, সাংবাদিকসহ যেসব ব্যক্তি কঠিন সময়ে তার ও তার পরিবারের পাশে ছিলেন, তাদের সবার প্রতি তিনি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
রামিসার বাবা আরও বলেন, মেয়ের হত্যার ঘটনায় আদালত যে রায় দিয়েছেন, তা দ্রুত বাস্তবায়ন করা হোক—এটাই তাদের প্রত্যাশা।
মামলার নথি ও অভিযোগ থেকে জানা যায়, রামিসা পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী ছিল। গত ১৯ মে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে সে বাসা থেকে বের হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, এ সময় স্বপ্না আক্তার কৌশলে তাকে নিজের কক্ষে নিয়ে যায়।
এরপর সকাল সাড়ে ১০টার দিকে মেয়েকে স্কুলে পাঠানোর প্রস্তুতির অংশ হিসেবে তার মা তাকে খুঁজতে শুরু করেন। খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে অভিযুক্তদের কক্ষের সামনে শিশুটির জুতা পড়ে থাকতে দেখা যায়। ডাকাডাকির পরও কোনো সাড়া না পেয়ে রামিসার বাবা-মা এবং ভবনের অন্যান্য বাসিন্দারা দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করেন।
এ সময় আসামিদের শয়নকক্ষের মেঝেতে রামিসার মস্তকবিহীন মরদেহ এবং কক্ষের ভেতরে একটি বড় বালতির মধ্যে তার মাথা দেখতে পান তারা।
জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে স্বপ্নাকে হেফাজতে নেয়। পরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানার সামনে থেকে সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করা হয়।এ ঘটনায় ২০ মে রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা পল্লবী থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে আসামি করা হয়। পরে পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করে।
জনতার আওয়াজ/আ আ