শেখ হাসিনা আগামী নির্বাচন নিয়ে গভীর চক্রান্তে মেতে উঠেছেন - জনতার আওয়াজ
  • আজ সন্ধ্যা ৬:৪৫, বৃহস্পতিবার, ১৪ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৩১শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৭শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

শেখ হাসিনা আগামী নির্বাচন নিয়ে গভীর চক্রান্তে মেতে উঠেছেন

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: সোমবার, জুলাই ১০, ২০২৩ ৫:১০ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: সোমবার, জুলাই ১০, ২০২৩ ৫:১০ অপরাহ্ণ

 

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, অবৈধ সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আগামী নির্বাচন নিয়ে গভীর চক্রান্তে মেতে উঠেছেন। অশুভ পরিকল্পনা নিয়ে মাঠে নেমেছেন। তিনি আবারো দলীয় লোক দিয়ে পুলিশ এবং প্রশাসন সাজাচ্ছেন। মন্ত্রীর পিএসদের ডিসি বানাচ্ছেন। এপিএসদের গুরুত্বপূর্ণ পদে বসাচ্ছেন।

তিনি প্রশ্ন করে বলেন, ‘জয়দেব কে? তাকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে বিএনপি নেতাদের মামলা তদারকি করে দ্রুত সাজার ব্যবস্থা করতে। যাতে আবারো কিভাবে সাঁজানো পাতানো একটি নির্বাচন করা যায়।’

সোমবার (১০ জুলাই) নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের নিচ তলায় দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন ও ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়ার সুস্থতা কামনা করে বিএনপির উদ্যোগে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

রিজভী বলেন, ‘শেখ হাসিনা বিরোধীদলকে স্তব্ধ করে দিতে চান। তিনি নিজে প্রকাশ্যে বলেছেন, ‘আমি চাইলে বিএনপিকে নিশ্চিহ্ন করে দিতে পারতাম। খালেদা জিয়াকে বিরোধী দলের নেতা নাও বানাতে পারতাম।’ এই যে অসততা, ক্রোধ, যে হুঙ্কার তাতেই প্রমাণিত হয় তিনি মানুষের ভোটের অধিকার, মতপ্রকাশের অধিকার কেড়ে নিয়েছেন। সরকারী নিপীড়নের মুখে প্রতিটি মানুষ। প্রতিদিন আদালতে হাজিরা দিতে দিতে মানুষ অসুস্থ হয়ে গেছে। বিএনপি নেতারা শেখ হাসিনার সর্বোচ্চ নিপীড়নের শিকার। এ অবস্থা থেকে অচিরেই পরিত্রান ঘটবে ইনশাআল্লাহ।’

বিএনপির এই মুখপাত্র বলেন, আমরা একটা দুঃসময়ের মধ্য দিয়ে অতিক্রম করছি। দুর্দিনের মধ্যে বসবাস করতে হচ্ছে। বিএনপি’র লাখ-লাখ নেতাকর্মীদের নামে মামলা প্রতিদিন কোর্টে হাজিরা দেওয়া। এই যে নির্যাতন অবিচার করছে সরকার এতেও শেখ হাসিনা সন্তুষ্ট নয়। কিছুদিন আগে তিনি (শেখ হাসিনা) সাংবাদিকদের সামনে বলেছেন বিএনপিকে নিশ্চিহ্ন করতে পারতাম। কিন্তু আমি তা করিনি। বুঝতে হবে তিনি বিভিন্ন ষড়যন্ত্র করে যেভাবে গণতন্ত্রকে মাটি চাপা দিয়েছে। বিএনপির নেতাকর্মীদেরকে বিভিন্ন নির্যাতন করে অসুস্থ বানানোর পায়তারা করছে।

তিনি বলেন, দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার যে প্রবাহ তৈরি হয়েছে সেটা স্তব্ধ করার জন্য তিনি হাসিনা সুপরিকল্পিতভাবে চক্রান্তে করছে। তার বড় প্রমাণ হাসিনার চক্রান্তে সবচেয়ে বেশি যিনি আক্রান্ত হয়েছেন তিনি আমাদের দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া। একজন সুস্থ মানুষকে জেলে নিয়ে ভয়ানক ভাবে অসুস্থ করে ফেলেছে।

তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, ‘এবারে জনগণ প্রস্তত। আগামী ১২ তারিখের সমাবেশ সফল করার জন্য ঢাকা মহানগরসহ আশেপাশের জেলা প্রস্তুত রয়েছে। বিএনপির শান্তিপূর্ণ সমাবেশ করার জন্য যা যা করার দরকার তাই তাই করছে। পুলিশ প্রশাসনকে অবহিত করা হয়েছে। ইনশাআল্লাহ এই সমাবেশ সাফল্যমন্ডিত হবে।’

মিলাদ-দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। আরেও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমান উল্লাহ আমান, বিশষ সহকারী শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, ফজলুল হক মিলন, শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, মীর শরফত আলী সপুসহ কেন্দ্রীয় নেতারা। এ সময় ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, রফিকুল ইসলাম মিয়া, আব্দুস সালামসহ নেতাদের রোগমুক্তি কামনা করে বিশেষ দোয়া করা হয়।

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ