‘সরকারের মধ্য থেকে এস আলম ও সালমান এফ রহমান হওয়ার প্রতিযোগিতা হচ্ছে’ - জনতার আওয়াজ
  • আজ রাত ১:৩৮, শুক্রবার, ২২শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৮ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ৫ই জিলহজ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

‘সরকারের মধ্য থেকে এস আলম ও সালমান এফ রহমান হওয়ার প্রতিযোগিতা হচ্ছে’

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: বৃহস্পতিবার, মে ২১, ২০২৬ ১১:৫৪ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: বৃহস্পতিবার, মে ২১, ২০২৬ ১১:৫৪ অপরাহ্ণ

 

জনতার আওয়াজ ডেস্ক
ছবিঃ সংগৃহীত

বর্তমান সরকারে মধ্যে নতুন করে এস আলম এবং সালমান এফ রহমান হওয়ার প্রতিযোগিতা তৈরি হয়েছে বলে দাবি করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম। বৃহস্পতিবার (২১ মে) সন্ধ্যায় এনসিপির ছায়া বাজেট কমিটি আয়োজিত ‘বৈশ্বিক অনিশ্চয়তায় বাংলাদেশের বাজেট: কর্মসংস্থান, বিনিয়োগ ও সংস্কারে অগ্রাধিকার এবং জনপ্রত্যাশার বৈষম্যহীন সমৃদ্ধ বাংলাদেশ’ শীর্ষক আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

নাহিদ বলেন, “ব্যাংকিং খাতে বিগত ১৬ বছরে নজিরবিহীন লুটপাট এবং দুর্নীতি হয়েছে। কিছু ব্যক্তি, গোষ্ঠী ও পরিবারকেই বিশাল বিশাল অংকের ঋণ দেওয়া হয়েছে এবং সেই টাকা তারা বিদেশে পাচার করেছে। বর্তমান সরকারের কাছে আমাদের সিম্পল প্রত্যাশা, এই সংস্কৃতি বাংলাদেশে আর হবে না। কিন্তু সরকারের পরিস্থিতি দেখে মনে হচ্ছে, সরকারের এস আলম কে হবে? এই সরকারের সালমান এফ রহমান কে হবে? এইটার একটা প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে।”

তিনি বলেন, “ব্যবসায়ীদেরকে নিজের উপদেষ্টা কমিটিতে রেখে বিশ্বাস অর্জন করা যায় না। দেশের অর্থনীতির জন্য ব্যবসায়ীদের বিশ্বাস অর্জন করা দরকার। যেসব ব্যবসায়ী একটু সৎভাবে ব্যবসা করে, তাদেরকে ঋণ দেওয়া, যারা ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী তাদেরকে শিল্প বিস্তারের কথা আমরা বলে আসছি। কিন্তু বড় বড় গোষ্ঠীকে, করপোরেটকে আপনারা ঋণ দেবেন, যে ঋণ তারা রাজনৈতিক লবিংয়ের মাধ্যমে পায়, সেই ঋণ তারা শোধ করে না। কিন্তু, একটা কৃষককে যদি পাঁচ হাজার টাকা ঋণ হয়, সেই ঋণ পরিশোধ না করলে তার কোমরে আপনি দড়ি বেধে জেলে নিয়ে যান।”

এনসিপি আহ্বায়ক বলেন, “বিদেশি বিনিয়োগের আগে তো দেশীয় ব্যবসায়ীদের আস্থাটা নিতে হবে। দেশীয় ব্যবসায়ীদের যদি বিনিয়োগ করার আস্থা না থাকে, তাহলে বিদেশি বিনিয়োগ আসবে না এটা খুবই স্বাভাবিক। সরকারের লোকেরা আগে বলেছে, নির্বাচিত সরকার এলেই বিদেশি বিনিয়োগ হুহু করে আসা শুরু করবে। কিন্তু আমরা দেখলাম, ডক্টর ইউনূস যতটুকু সক্ষমতা দেখিয়েছে আন্তর্জাতিকভাবে বিভিন্ন সম্পর্ক স্থাপন এবং বাংলাদেশে টাকা আনার ক্ষেত্রে, এই সরকার কিন্তু কোনও একটা দেশ থেকে এখন পর্যন্ত দাওয়াত পর্যন্ত পায়নি। আইএমএফের ঋণ তাদের বন্ধ হয়ে গিয়েছে।”

সরকার আমাদের প্রত্যাশা পূরণ করবে না জানিয়ে এই সংসদ সদস্য বলেন, “আমাদের এই আলোচনা সরকার কতটুকু গুরুত্ব সহকারে নেবে তা নিয়ে আমরা সন্দিহান। তারপরও আমরা ছায়া বাজেট করতে চাচ্ছি।”

তিনি বলেন, “আমরা একটি সংস্কারমুখী, বিনিয়োগমুখী ও কর্মসংস্থানমুখী বাজেট চাই। অর্থনৈতিক সংস্কার রাজনৈতিক সংস্কারের সঙ্গে অত্যন্ত সম্পর্কিত। আমরা দেখলাম, প্রথম অধিবেশনে সরকার জুলাই সনদ ও গণভোট নিয়ে যে প্রতিশ্রুতিগুলো দিয়েছিল সেগুলো রক্ষা করেনি।”

অর্থনৈতিক সংস্কারে সরকারকে সহযোগিতা করার আশ্বাস দিয়ে তিনি বলেন, “বাংলাদেশ যে সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, কোনও সরকারের এককভাবে তা মোকাবিলা করতে পারবে না। সকলের সহযোগিতায় আমরা ভঙ্গুর ব্যবস্থা থেকে মুক্তি পাবো।”

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ