সরকার দমন-পিড়নের যন্ত্র ছাড়া অচল: সাকি - জনতার আওয়াজ
  • আজ রাত ১১:৩৭, শুক্রবার, ১৫ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১লা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৮শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

সরকার দমন-পিড়নের যন্ত্র ছাড়া অচল: সাকি

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: শুক্রবার, জানুয়ারি ৫, ২০২৪ ৬:২৭ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: শুক্রবার, জানুয়ারি ৫, ২০২৪ ৬:২৭ অপরাহ্ণ

 

নিউজ ডেস্ক
সরকার দমন-পিড়নের যন্ত্রকে কাজে না লাগিয়ে টিকে থাকতে পারছে না বলে মন্তব্য করেন গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি।

শুক্রবার (৫ জানুয়ারি) জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে গণতন্ত্র মঞ্চের উদ্যোগে আয়োজিত ‘সরকার ও শাসনব্যবস্থা পরিবর্তনের লক্ষ্যে ঐক্যবদ্ধ হোন একতরফা ভোট বর্জন করার’ দাবিতে এক বিক্ষোভ সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।

জোনায়েদ সাকি বলেন, আগামী ৭ তারিখ আওয়ামী লীগ একটি রাজনৈতিক দল হিসেবে তাদের দেউলীত্বের পুরোটা জনগণের সামনে তুলে ধরবে। পাশাপাশি রাষ্ট্রের পুলিশ বাহিনীকে ২৪ ঘন্টা সতর্কভাবে দাঁড় করিয়ে রাখার নির্দেশ দিয়েছে। তার মানে, চিন্তা করুন একটা সরকার ক্ষমতায় আছে পুলিশ বাহিনীকে ২৪ ঘন্টা সতর্ক অবস্থানে দাঁড় করিয়ে রেখে।

সরকার দমন পিড়নের যন্ত্রকে কাজে না লাগিয়ে টিকে থাকতে পারছে না। বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের জেলে না পুড়ে তারা নিশ্চিন্তভাবে ঘুমাতে পারছে না। সরকারের পায়ের নিচে কোন মাটি নেই। রাষ্ট্রীয় দমন পীড়নকে তারা চূড়ান্ত করে দিয়েছে।

সরকারকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, তারা নিজেদের দলের লোকদেরকে মনোনীত নৌকা দিয়েছেন। একই সঙ্গে কিছু দলকে সহযোগী দল বানিয়েছেন। কিন্তু সেগুলো এখন আর রাজনৈতিক দল হিসেবে বিবেচিত হয় না। জাতীয় পার্টির সহ ১৪ দলের যারা এই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছেন, সেখানে আওয়ামী লীগ ছাড়া অন্য কোন দলকে রাজনৈতিক দল হিসেবে বিবেচনা করা যাবে না।

এরা সবাই আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন। এদেরকে কিছু সিট বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। এদেরকে পাশ করানোর দায়িত্বও প্রধানমন্ত্রী নিজ হাতে নিয়েছেন। তবে পত্র-পত্রিকা দেখা যাচ্ছে আওয়ামী লীগের স্বতন্ত্র প্রার্থীদের প্রভাবে উনারা কেউ জিততে পারবেন না। প্রধানমন্ত্রী যাদেরকে জেতাবেন তাদের নাম রিটার্নিং কর্মকর্তা ঘোষণা করে দিবেন।

তিনি আরও বলেন, ভোটকেন্দ্রে কোন মানুষ যাবে না সেটা আওয়ামী লীগ ভালো করেই জানে। এজন্যই তারা নিজেদের আরেক স্বতন্ত্র প্রার্থীকে ডামি করে দাঁড় করিয়েছেন, যাতে করে কিছুসংখ্যক ভোটারকে এনে তারা নির্বাচনে প্রতিযোগিতা মূলক দেখাতে চাচ্ছেন। আওয়ামী লীগ যে জাতীয় নির্বাচন করছেন তা ইউনিয়ন পর্যায়ের নির্বাচন থেকে নিকৃষ্ট।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের সাহেব বলেছেন, দেশের ৭০ শতাংশ জনগণ আওয়ামী লীগকে ভোট দিতে প্রস্তুত আছে। তার মানে এভাবেই তারা নির্বাচনকে প্রতিযোগিতা ও অংশগ্রহণমূলক দেখাবে। তবে উনারা যতই ভোটের পার্সেন্টেজ দেখাক, দেশপ্রেমী কোন মানুষ এই নির্বাচনে ভোট দেবে না।

জোনায়েদ সাকি বলেন, গদি টিকিয়ে রাখতে আওয়ামী লীগ তাদের সব ধরনের চেহারা জনগণকে দেখাচ্ছে। এই গদি ঢেকে রাখার জন্য দেশ জাহান্নামে যাক তারপরও তারা গদি টিকিয়ে রাখবে। তাই বলতে চাই, এরা বাংলাদেশকে নিয়ে যেভাবে ছিনিমিনি খেলছে তা দেশের জনগণ কোনভাবেই হতে দেবে না। জনগণ আওয়ামী লীগের ভোটকে বর্জন করার মাধ্যমে দেশে গণজাগরণের নতুন এক ধারার সূচনা করবে। এর মাধ্যমে আগামী দিনের বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত হবে।

ভাষানী অনুসারী পরিষদের আহবায়ক শেখ রফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং সদস্য সচিব হাবিবুর রহমান নিজুর পরিচালনায় সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট সাইফুল হক, রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের প্রধানসমন্বয় কারী এডভোকেট হাসনাত কাইয়ুম, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জেএসডি) সাধারণ সম্পাদক শহীদ উদ্দিন মাহমুদ স্বপন প্রমুখ।

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ