সুন্দরবন সংলগ্ন পাউবোর বেড়িবাঁধে ভয়াবহ ফাঁটলঃশঙ্কিত এলাকাবাসী - জনতার আওয়াজ
  • আজ সন্ধ্যা ৭:৩৩, বৃহস্পতিবার, ১৪ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৩১শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৭শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

সুন্দরবন সংলগ্ন পাউবোর বেড়িবাঁধে ভয়াবহ ফাঁটলঃশঙ্কিত এলাকাবাসী

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: রবিবার, ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২৩ ১:২৬ পূর্বাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: রবিবার, ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২৩ ১:২৬ পূর্বাহ্ণ

 

ফকির শহিদুল ইসলাম,খুলনা
সুন্দরবন সংলগ্ন পাইকগাছার গড়ইখালী ইউনিয়নের খুদখালী এলাকার ওয়াপদার বেড়িবাঁধে ভয়াবহ ফাঁটল দেখা দিয়েছে। প্রায় ৫শ ফুট এলাকা জুড়ে ফাঁটল দেখা দেওয়ায় শঙ্কিত হয়ে পড়েছে এলাকাবাসী। ঝুঁকিপূর্ণ বাঁধের আশে-পাশের বসতবাড়ীতেও ফাঁটল দেখা দিয়েছে। এতে নির্ঘূম রাত কাটাচ্ছে ওই এলাকার মানুষ। ইউপি চেয়ারম্যান জিএম আব্দুস সালাম কেরু’র তত্ত্বাবধায়নে বিকল্প প্রতিরক্ষা বাঁধ কাজ করছে পানি উন্নয়ন বোর্ড। পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী ক্ষতিগ্রস্থ এলাকা পরিদর্শন করেছেন। ঝুঁকিপূর্ণ ১ কিলোমিটার বাঁধ দ্রুত মেরামত করার দাবী জানিয়েছে এলাকার মানুষ।

উল্লেখ্য, উপজেলার সুন্দরবন সংলগ্ন ইউনিয়ন গড়ইখালী। এ ইউনিয়নের পূর্বকুমখালীর খুদখালী এলাকার ওয়াপদার বেড়িবাঁধ দীর্ঘদিন ঝুঁকিপূর্ণ রয়েছে। ইতোপূর্বে ওই এলাকার আঁধা কিলোমিটার বাঁধ বালুর বস্তা দিয়ে মেরামত করা হয়। মেরামতকৃত বাঁধের সামনে থেকে বেলাল সরদার ও আছাদুল মুন্সির বাড়ী সংলগ্ন এলাকার ৫শ ফুট বাঁধে গত বৃহস্পতিবার ভয়াবহ ফাটল দেখা দেয়। ওই এলাকার ১ কিলোমিটার বাঁধ খুবই ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে রয়েছে। বাঁধের আশেপাশের বসতবাড়ীতেও ভয়াবহ ফাঁটল দেখা দিয়েছে। এতে শঙ্কিত হয়ে নির্ঘূম রাত কাটাচ্ছে এলাকার মানুষ। খুদখালী এলাকার ওয়াপদার পাশের বাসিন্দা মফিজুল সানা জানান, যেকোন মুহূর্তে আমার ৩টি বসতবাড়ী শিবসা নদীর গর্ভে বিলিন হয়ে যেতে পারে। এতে আমি এবং আমার পরিবার গৃহহীন হয়ে পড়বো। আসমা বেগম জানান, আমাদের বসত ঘরের মাঝ দিয়ে বড় ধরণের ফাটল সৃষ্টি হয়েছে। পরিবার পরিজন নিয়ে রাতে নিশ্চিন্তে ঘুমাতে পারছি না, সবাই শঙ্কিত। ইউপি চেয়ারম্যান জিএম আব্দুস সালাম কেরু জানান, ঝুঁকিপূর্ণ বাঁধের পাশে বিল থেকে মাটি এনে বিকল্প প্রতিরক্ষা বাঁধের কাজ করছি। তবে ক্ষতিগ্রস্থ এলাকার ১ কিলোমিটার বাঁধ টেকসই করার জন্য বালু বস্তা ও পাথরের ব্লক দিয়ে ডাম্পিং করা প্রয়োজন। ক্ষতিগ্রস্থ এলাকার বাঁধ রক্ষা করা না গেলে গড়ইখালী, চাঁদখালী ও কয়রার আমাদী এবং মহেশ^রীপুর ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হতে পারে বলে আশঙ্কা রয়েছে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মমতাজ বেগম জানান, উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিষয়টি উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। পাশাপাশি বিকল্প নির্মাণ কাজে সার্বিক মনিটরিং করা হচ্ছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-সহকারী প্রকৌশলী রাজু হাওলাদার জানান, শনিবার সকালে পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আশরাফুল আলম ক্ষতিগ্রস্থ এলাকা পরিদর্শন করেছেন। ক্ষতিগ্রস্থ এলাকায় বালুর বস্তা ডাম্পিং করার জন্য টেন্ডার প্রক্রিয়া সম্পন্ন রয়েছে। সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারকে দ্রুত কাজ করার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলে পাউবো’র এ কর্মকর্তা জানান।

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ