সেন্ট মার্টিন গ্যাস ধুম্রজাল সেন্টমার্টিন দ্বীপটি ভীন দেশী শক্তি তথা আমেরিকা - জনতার আওয়াজ
  • আজ রাত ৮:৫৬, শুক্রবার, ১৫ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১লা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৮শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

সেন্ট মার্টিন গ্যাস ধুম্রজাল সেন্টমার্টিন দ্বীপটি ভীন দেশী শক্তি তথা আমেরিকা

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: মঙ্গলবার, জুন ২৭, ২০২৩ ১:১৫ পূর্বাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: মঙ্গলবার, জুন ২৭, ২০২৩ ১:৫৩ পূর্বাহ্ণ

 

নৌ , বিমান এবং সেনা ঘাটি করতে চায় এই গুজবটি বহু পুরানো গুজব। ১৯৮০ সালে বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্ব প্রথম প্রত্যক্ষ গন ভোটে নির্বাচিত মহান স্বাধীতার ঘোষক শহীদ রাস্ট্রপতি জিয়াউর রহমান যখন রাস্ট্রিয় সফরে যুক্তরাষ্ট্রে গিয়েছিলেন তখন যুক্তরাস্ট্র বাংলাদেশের মহামান্য রাস্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে যে সম্মানে ভুষিত করেছিলেন তাতে দেশের অভ্যন্তরে বাংলাদশ আওয়ামীলীগ সহ কয়েকটি বাম রাজনৈকি দল এমন গুজবটি রটিয়েছিলেন। যার প্রধান কারন ছিল তদকালিন মার্কিন সরকার ও সরকার প্রধান জিমি কার্টার শহীদ রাস্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে যে উষ্ঞ সংবর্ধনা এবং সম্মান দিয়ে বাংলাদেশ কে সম্মানিত করেছিলেন তা ছিল সেই দলগুলো এবং দলের নেতা নেত্রীদের নিকট ইর্ষা কারন। আমেরিকা সফর শেষে তদকালিন মহামান্য রাস্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশে ফেরার পরপরেই এই গুজবটি ছড়িয়ে পড়েছিল। গুজবটির মাত্রা এতই প্রবল ছিল যে, শেষ পর্যন্ত ১৯৮০ সালের ১৮ই ডিসেম্বর পররাষ্ট্র দপ্তর থেকে জরুরী ব্রিফ করে এই বিষয়টি বাংলাদেশের অবস্থান পরিস্কার করা হয়েছিল। সেন্ট মার্টিন দ্বীপটি মাত্র তিন বর্গ কিলোমিটার ক্ষেত্রের একটি প্রবালদ্বীপ । মাত্রায় এই ছোট প্রবালদ্বীপে কোন প্রকার ঘাটি কিম্বা ভারী স্থাপনা তৈরী করা ছিল খুবেই অভাবনিয় এবং দুস্কর। উল্যেখ করা দরকার যে য়ে সকল ভ্রমনকারী সেখান ভ্রমনে গিয়েছেন তারা জানেন সেখান কার হোটেল কিম্বা রেস্ট হাউজ এবং রেস্টুরেন্ট খুবেই হালকা তৈরী। কারন বেশী ভারী স্থাপনা তৈরী করলে সবকিছুই দেবে যাবার সম্ভাবন খুবেই বেশী। সম্প্রতি বর্তমান সরকার প্রধান মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সেই ৮০ সালের মতই দেশে বর্তমান অস্থিতিশিল রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে একটি ধুম্রজান তৈরী করে জাতীকে বিভক্তি করার নব্য প্রয়াসে লিপ্ত হয়েছেন বলে আপম জনসাধারন মনে করছেন। শুধু তাই নয় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী একই সাথে গ্যাস বিক্রি করার মুচলেখা দেননি বলেই ২০০১ সাল রাস্ট্রীয় ক্ষমাতায় আসেন নি। তিনি বলতে ছেয়েছেন তদকালিন সময়ে বি এন পির চেয়ারপার্সন আপোষহীন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া গ্যাস বিক্রির মুচলেখা দিয়ে তখন ক্ষমতায় এসেছিলেন। সম্মানিত পাঠক বৃন্দ নিশ্চই আপনাদের অজানা নয় যে , তখন দেশে তত্বাবোধয়ক সরকারের গুরু দায়িত্বে ছিলেন বিচারপতি লতিফুর রহমান । শতভাগ অবাধ এবং নিরপেক্ষ নির্বাচনে শহীদ রাস্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ করেই দেশের রাস্ট্রীয় ক্ষমতায় আসীন হয়েছিল। বেগম খালেদা জিয়া গ্যাস বিক্রি করার এমন কোন প্রমান তখন থেকে আজ অবধী প্রমানিত কিম্ব স্পষ্ট নয়। সেন্ট মার্টিন এবং গ্যাস এই দুটি কে দেশের জনগন আরেক অপপ্রচার এবং গুজব বলে মনে করছেন।
বর্তমান চলমান রাজনৈকি প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের ইতিহাসে একযুগের ও বেশী সময় চলছে এক মহা ক্রান্তিকাল। নেই গনমানুষের নুন্যতম রাজনৈতিক অধিকার। নেই গনতন্ত্রে চর্চা , ভোটাধিকার , আইনের শাষন ব্যাবস্থা নামে চলছে এক মহা নৈরাজ্য । ভুলন্ঠিত মানব অধিকার , গুম খুন আর দেশের অভ্যন্তরে ঠিক যেন নিত্য নৈমিত্তিক ব্যাপার হিসাবে প্রতিষ্ঠিত হয়ে গিয়েছে। দেশে শত কোঠি অর্থ লুটপাট ও পাচার করে বিদেশের মাটিতে সরকার সরকারী যন্ত্রের ও বর্তমান আওয়ামী ক্ষমতাধর ব্যক্তি বর্গের বেগম পাড়া নির্মান , দেশের ব্যাংক থেকে নিয়ম কানুনকে যব্ধ করে শত সহস্র কোঠি টাকা ঋণের নামে লুটপাট করে সিংগাপুর সহ মধ্য প্রাচ্যে প্রাসাদ নির্মান এবং ব্যাবসা বানিজ্য হাতের মোয়ার মত সহজ বিষয় হয়ে গিয়েছে। ইউরোপ আমেরিকার মত ভি আইপি এলাকায় স্বনামে বেনামে প্রাসাদ খরিদ আজ দেশের কারোই অজানা নয়। এমনতর পরিস্থিতি নিয়ে কেউ কোন বাদ প্রতিবাদ করবে সেই সুযোগ বিন্দু মাত্র ও নেই। পত্র পত্রিকায় কেউ কোন প্রতিবেদন তুলে ধরার মত সুযোগ ও নেই। তার দুটো কারন – ১ – ডিজিটাল এ্যাক্ট আইন । ২ – স্বয়নে স্বপনে জাগরনে সাংবাদ জগতের বিশাল একটি অংশ সরকারের লেজুড় ভিত্তি আর জি হুকুম জাঁহাপনার নগ্ন প্রতিযোগিতা । দেশে সর্বসাধারণ মানুষের নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের উর্ধগতির কারনে নাভিশ্বাস পরিস্থিতি নিয়ে কিম্বা দেশের অর্থ লোপাটের হলিখেলা নিয়ে এবং অর্থ সংকট সহ নানাহ কারনে সরকার আমদানী ক্ষমতা হারিয়ে দেউলিয়া হতে চলেছে তা নিয়ে দেশের কিছু চিহ্নিত সুশীল সমাজ এবং সংবাদ মাধ্যমের বিন্দুমাত্র মাথা ব্যাথা নেই বললেই চলে ।

স্বাধীনতার অর্জনের অর্ধশত বছর পরে স্বাধীন স্বার্বভৌম দেশ বাংলাদেশ এমন গহীন অমানিশায় নিমজ্জিত হবে তা দেশের ১৮ কোঠি মানুষের সাথে ৭১ এর মহান স্বাধীতা যুদ্ধ্য চলাকালীন সময়ের একজন গ্যারিলা সোর্সের মুক্তিযোদ্ধা হিসাবে আমার মানতে কিম্বা ভাবতে হৃদয়র গভীরে অসহনীয় রক্তক্ষয়ী যন্ত্রনা অনুভব করে চলেছি।
যে বিষয়টি নিয়ে লিখার মনস্থ করেছি তাতে আসছি। সম্প্রতি দেশের মাননীয় প্রধান মন্ত্রী সেন্ট মার্টিন দ্বীপ এবং দেশের ভুগর্ভের সম্পদ গ্যাস নিয়ে যে উক্তি করেছেন তা নিয় আমি মনে করি দেশের এমন মহা সংকটকালে এমন বক্তব্য সাধারন মানুষের মাঝে একটি নূতন ধ্রম্রজাল তৈরী করার আরেক অপপ্রয়াস মাত্র।
কোন সময়ে মাননীয় প্রধান মন্ত্রী এই বক্তব্যটি দিয়েছেন , যখন দেশের গনতন্ত্র , মানব অধীকার , জন ও গনমানুষের বাকশক্তি এবং ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠায় বিশ্বের সকল গনতান্ত্রিক মনা দেশগুলো একযোগে কথা বলছে।
গেল বছর আমেরিকা থেকে পুলিশ রেবের কর্মকর্তার ওপর শ্যাংশান আসার পরথেকে দীর্ঘ ১৪ টি বছর পর মুক্তিকামী জনতার মাঝে খনিকটা প্রান ফিরে এসেছে । যার ফলস্রুতিতে দেশের বৃহত্তম রাজনৈকি দল বি এন পি গত বছর দীর্ঘ কাল পর বিভাগিয় শহর গুলোতে সমাবেশ ডাক দিয়েছিল। সেই সকল সমাবেশ গুলোকে সরকার তার আজ্ঞাবহ রাস্ট্রযন্ত্র কে অপব্যবহার করে ভুলন্টিত করতে চেস্টা চালিয়েছে তা দেশে বিদেশ স্পষ্ট প্রতিয়মান হয়েছে। এতদ সত্তেও লক্ষ লক্ষ মুক্তিকামী মানুষ পদভ্রজে , বাইসাইকেল ছড়ে , নদিপথে সাতার কেটে না খেয়ে না ঘুমিয়ে বি এন পির ডাকা সমাবেশ স্থলে লাখোলাখো জনতা দুই তিন পুর্বে উপস্থিত হয়ে প্রমান করেছে দেশ জাতী ফ্যাসিস্টবাদের রোশানল থেকে মুক্তি চায়। সর্বশেষ ঢাকা বিভাগের সমাবেশ নিয়ে যে তামাশা আর তান্ডব সরকার ও সরকারী দল চালিয়েছে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। এমন ফ্যাসিস্ট কর্মকান্ডে যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপ ইউনিয়ন বাংলাদেশকে কোন মাধ্যমের চোখে না পর্যবেক্ষণ না করে নিজস্ব চোখে পর্যবেক্ষণের ঘোষনা দিয়ে বাংলাদেশর ১৮ কোঠি মানুষের মনে তাদের আন্তরিক অবস্থান স্থান করে নিতে সক্ষম হয়। আমার ব্যক্তিগত মতামতে এমনটি হবে তা দেশ জাতীর জন্য মোটেই সম্মানজনক নয়। যদিও এমন পরিস্থিতি তৈরী করার জন্য দেশের ক্ষমতাসীন সরকার ও সরকারীদল সহ আজ্ঞাবহ রাস্ট্রযন্ত্রের সকল অগনতান্ত্রিক এবং বিরোধী রাজনৈতিক দল গুলো সহ গনমানুষের কন্ঠ রোধ করার ন্যাক্কারজনক অপব্যাবস্থা আর ফ্যসিস্টবাদ কায়েম করে রাস্ট্র ক্ষমতা চীরস্থায়ী জব্ধ করার হীন সড়যন্ত্র একমাত্র দায়ী। বাংলাদেশে স্থায়ী ভাবে গনতন্ত্র প্রতিষ্ঠা এবং গন ও জন মানুষের সর্বপ্রকারের ন্যায্য অধীকার ও স্বাধীকার প্রতিষ্ঠার লক্ষে যুক্তরাষ্ট্র সহ বিশ্বের সকল গনতন্ত্রিক দেশ গুলো একযোগে তাদের আন্তরিক চেষ্টা অব্যাহত রেখে চলেছেন। এরই আলোকে নূতন ভাবে এসেছে মার্কিন যুক্তরাস্ট্রের ভীষা নিতির প্রয়োগের বিধি মালা। বড়ই পরিতাপর বিষয় যে বর্তমান দেশের সরকার ও সরকার প্রধান সকল ভুলত্রুটির উর্ধে এসে দেশের এমন ক্রান্তিকালকে সুন্দর ভাবে সুরাহা করার স্ব উদযোগ লক্ষণীয় নয়। এমনকি দেশের সুশীল সমাজের মহল থেকে জোরালো ভাবে কোন উদযোগ দেখা যাচ্ছে না। তার বিপরিতে দেশের সরকার প্রধান বিশ্বের গনতান্ত্রিক ক্ষমতাধর রাস্ট্রের বিরুদ্ধে ননান বেমান এবং লাগামহীন বক্তব্যে দিয়ে চলেছে। এমন লাগামহীন বক্তব্যে যদি চলতেই থাকে তবে দেশ ও জাতীর ভবিষ্যত খুবেই গহীন অমানিশায় নিমজ্জিত হবে বলে আমি মনে করি। এমন রাজনৈতিক বিপর্যয়ে সরকার প্রধান ও সরকারী দলের বিভিন্ন নেত্রী বৃন্দ যে ভাষায় কথাবার্তা বলে চলেছে তা ট্রাম ওভার ট্রামের মতই !!!! সম্প্রতি হঠাৎ করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যে বোমাটি পাঠিয়েছেন তাতে দেশের জনগনের মাঝে একটি ধুম্রজাল এবং নয়া চাল বলে চিহ্নিত হয়েছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বলেছেন -” আমি যদি আমেরিকা কে সেন্ট মার্টিন দ্বীপ স্থায়ী ভাবে লিজ দিয়ে দিই তা হলে আমি ক্ষমাতায় থাকতে পারি। কিন্তু তা আমি করবনা । কারন আমি বংগবন্ধুর কন্যা । প্রধানমন্ত্রী খুবেই জোর দিয় বলেছেন দেশের এক ইঞ্চি জায়গা কাউকে দিয়ে আমার ক্ষমতায় থাকার ভাবনা নেই কারন বংগবন্ধু নিতি থেকে আমি একচুল পরিমান নড়চড় করবনা। ইতিমধ্যে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর এমন বক্তব্যে প্রতিবাদে যুক্তরাষ্ট্র পক্ষ থেকে তীব্র প্রতিবাদ তুলে ধরা হয়েছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কথাটি কথখানি গ্রহনযোগ্য তা নিয়ে কিঞ্চিত তুলে ধরতে চাই।
১৯৭৪ সালের ৩০শে সেপ্টেম্বর বংগবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং হেনরি কিসিন্জারের কথোপকথনের একটি রেকর্ড আজো যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরে গুচ্ছিত আছে। সেই গুচ্ছিত রেকর্ড থেকে প্রমানিত হয় যে , খোদ বংগবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হেনরী কিসিন্জার কে বাংলাদেশের ভুসম্পদ গ্যাস এবং তেল বিক্রির জোড়ালো আগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন। হেনরি কিসিন্জার ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি কৃতজ্ঞতা স্বরুপ বংগবন্ধু জালানী তেল – গ্যাস সরবরাহে উদগ্রীব ছিলেন। শুধু তাই নয় বংগবন্ধু বাংলাদেশের উন্নয়ন বিষয়ক একটি স্থায়ী পরিক্লপনার নাম ও প্রস্তাব করেছিলেন। যে উন্নয়নের নাম ছিল —- “হেনরি কিসিন্জার উন্নয়ন”
সম্মানিত পাঠক বৃন্দ আমি আমার এই মতামতটি আপনাদের মাধ্যমে দেশ জাতীর জ্ঞাতার্থে তুলে ধরলাম।
বর্তমান মাননীয় প্রধান মন্ত্রী কে কোন পরাশক্তি কিম্বা দেশ সেন্ট মার্টিন দ্বীপ বিক্রির প্রস্তাব দিয়েছে তা কি তিনি দেশ জাতীর ভবিষ্যত কল্যানে বিস্তারিত দাললিক প্রমান সহ তুলে ধরবেন ? আর ২০০১ সালে যে বি এন পি গ্যাস বিক্রির মুচলেখা দিয়ে ক্ষমতায় এসেছিল তারো কি দালিলিক প্রমান সহ দেশ জাতীর নিকট স্পষ্ট করবেন ?
পরিশেষে ৭১ এর মহান গ্যারিলা সোর্স একজন কিশোর মুক্তিযোদ্ধা হিসাবে সকল প্রকারে রাজনৈতিক ও দলিয় স্বার্থের সর্ব উচুমান স্থান থেকে বলতে চাই – ” দাম দিয়ে কিনেছি বাংলাদেশ , কারো দানে নয় “
এই দেশ , এই মহান স্বাধীনতা এবং স্বার্বভৌমত্ব প্রয়োজনে নিজের শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে হলেও সুরক্ষার জন্য আমৃত্যু তৈরী থাকব ইনশাআল্লাহ্ ।

                  নজরুল ইসলাম চৌধুরী
        সাবেক ছাত্রনেতা , কলামিষ্ট ও সাংবাদিক ্

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ