উৎসব’ ও ‘আনন্দ মিছিল’ পরিহার করে মানুষের পাশে দাঁড়ান - জনতার আওয়াজ
  • আজ রাত ১২:২৪, বৃহস্পতিবার, ১৪ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৩১শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৭শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

উৎসব’ ও ‘আনন্দ মিছিল’ পরিহার করে মানুষের পাশে দাঁড়ান

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: রবিবার, জুন ১৯, ২০২২ ১২:০৮ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: রবিবার, জুন ১৯, ২০২২ ১২:০৮ অপরাহ্ণ

 

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট

ভয়াবহ বন্যায় বিপর্যস্ত সিলেট ও সুনামগঞ্জকে ‘দুর্গত অঞ্চল’ ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডি সভাপতি আ স ম আবদুর রব ও সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট ছানোয়ার হোসেন তালুকদার।

আজ রবিবার (১৯ জুন) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এ দাবি জানান তারা।

বিবৃতিতে নেতারা বলেন, ‘প্রতিদিন ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতি চরম বিপর্যয়ের দিকে যাচ্ছে। গ্রাম কি শহর, সবই পানিতে তলিয়ে যাচ্ছে। আশ্রয় কেন্দ্রে পানি প্রবেশ করছে। নানা জায়গায় সড়ক ও রেলপথের যোগাযোগসহ বিদ্যুৎ সংযোগও বিচ্ছিন্ন। প্লাবিত হচ্ছে নতুন নতুন এলাকা। ঘরবাড়ি হারিয়ে মানুষ দিশেহারা। অসংখ্য মানুষ পানিবন্দি হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে। খাদ্য সংকট চরমে। নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে আর্তনাদ করছে মানুষ, আশ্রয় কেন্দ্রগুলোতে তিল ধারণের ঠাঁই নেই, এ এক শ্বাসরুদ্ধকর অবস্থা। আশ্রয় কেন্দ্রে মানুষ ও পশুতে একাকার। সবচেয়ে বিপদে নারী, শিশু ও বৃদ্ধরা। বানভাসি মানুষ দুর্ভোগের চূড়ান্ত সীমায় উপনীত হয়েছে, পানিবাহিত নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছে বন্যার্তরা।’

বিবৃতিতে তারা আরও বলেন, ‘এ অবস্থায় সরকার, রাজনৈতিক দল, এনজিও এবং সামাজিক-সাংস্কৃতিক ও বেসরকারি সংগঠনসহ সামর্থ্য অনুযায়ী সর্বশক্তি নিয়োগ করে বিপন্ন এবং দুর্দশাগ্রস্ত জনগণের পাশে দাঁড়াতে হবে। মানবিক বিপর্যয়ে মানুষের পাশে দাঁড়ানো ব্যতিরেকে অন্য কোনো কিছু প্রাধান্য পেতে পারে না।’

‘উৎসব’ ও ‘আনন্দ মিছিল’ পরিহার করে জনগণের দুর্ভোগ এবং দুর্দশাকে সর্বোচ্চ প্রাধান্য দিয়ে এ সংকট মোকাবিলায় সরকারসহ দেশবাসীকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান জেএসডির এই দুই শীর্ষ নেতা।

ভয়াবহ বন্যায় বিপর্যস্ত সিলেট ও সুনামগঞ্জকে ‘দুর্গত অঞ্চল’ ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডি সভাপতি আ স ম আবদুর রব ও সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট ছানোয়ার হোসেন তালুকদার।

আজ রবিবার (১৯ জুন) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এ দাবি জানান তারা।

বিবৃতিতে নেতারা বলেন, ‘প্রতিদিন ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতি চরম বিপর্যয়ের দিকে যাচ্ছে। গ্রাম কি শহর, সবই পানিতে তলিয়ে যাচ্ছে। আশ্রয় কেন্দ্রে পানি প্রবেশ করছে। নানা জায়গায় সড়ক ও রেলপথের যোগাযোগসহ বিদ্যুৎ সংযোগও বিচ্ছিন্ন। প্লাবিত হচ্ছে নতুন নতুন এলাকা। ঘরবাড়ি হারিয়ে মানুষ দিশেহারা। অসংখ্য মানুষ পানিবন্দি হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে। খাদ্য সংকট চরমে। নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে আর্তনাদ করছে মানুষ, আশ্রয় কেন্দ্রগুলোতে তিল ধারণের ঠাঁই নেই, এ এক শ্বাসরুদ্ধকর অবস্থা। আশ্রয় কেন্দ্রে মানুষ ও পশুতে একাকার। সবচেয়ে বিপদে নারী, শিশু ও বৃদ্ধরা। বানভাসি মানুষ দুর্ভোগের চূড়ান্ত সীমায় উপনীত হয়েছে, পানিবাহিত নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছে বন্যার্তরা।’

বিবৃতিতে তারা আরও বলেন, ‘এ অবস্থায় সরকার, রাজনৈতিক দল, এনজিও এবং সামাজিক-সাংস্কৃতিক ও বেসরকারি সংগঠনসহ সামর্থ্য অনুযায়ী সর্বশক্তি নিয়োগ করে বিপন্ন এবং দুর্দশাগ্রস্ত জনগণের পাশে দাঁড়াতে হবে। মানবিক বিপর্যয়ে মানুষের পাশে দাঁড়ানো ব্যতিরেকে অন্য কোনো কিছু প্রাধান্য পেতে পারে না।’

‘উৎসব’ ও ‘আনন্দ মিছিল’ পরিহার করে জনগণের দুর্ভোগ এবং দুর্দশাকে সর্বোচ্চ প্রাধান্য দিয়ে এ সংকট মোকাবিলায় সরকারসহ দেশবাসীকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান জেএসডির এই দুই শীর্ষ নেতা।

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ